
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৩নং বিতারা ইউনিয়নের বিতারা দক্ষিণপাড়া ও খলাগাঁও সরকারবাড়ি সংলগ্ন পূর্ব খালের উপর দীর্ঘদিন ধরে কোনো ব্রিজ নেই। একটি ব্রিজের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীকে। খালের ওপর স্থায়ী সেতু না থাকায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয়দের। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীদের পড়তে হচ্ছে বেশি ভোগান্তিতে। স্থানীয়দের চলাচলের সুবিধার্থে একসময় খালের ওপর বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হলেও সেটি ভেঙে যাওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থীকে সরাসরি পথের পরিবর্তে প্রায় তিন কিলোমিটার ঘুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে খালের উপর নতুন করে বাঁশের সাঁকো নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন কচুয়া উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিতারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. দেলোয়ার হোসেন পাটোয়ারী।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তিনি সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বাঁশের সাঁকো নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
এ সময় স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালের উপর একটি স্থায়ী ব্রিজের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। ব্রিজ না থাকায় বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি কৃষক, নারী, বয়স্ক ও সাধারণ পথচারীদেরও ঝুঁকি নিয়ে খাল পার হতে হয়।
ছাত্রদল নেতা মো. দেলোয়ার হোসেন পাটোয়ারী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ চলাচলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের প্রায় তিন কিলোমিটার ঘুরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হয়। আপাতত তাদের চলাচলের কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে বাঁশের সাঁকো নির্মাণে আর্থিক সহযোগিতা করেছি। তবে এখানে একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা জরুরি।
তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বাঁশের সাঁকোটি আপাতত চলাচলের দুর্ভোগ কমালেও স্থায়ী সমাধানের জন্য খালের উপর দ্রুত একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হবে। এতে শিক্ষার্থীসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।
আরটিভি/এমএইচজে




