ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

৪৯তম বিসিএসে প্রথম হয়েও বাদ পড়লেন সোহেল রানা

নীলফামারী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
সোহেল রানা। ছবি: আরটিভি

অভাবের সংসারে বড় হয়েছেন সোহেল রানা। তবে সত্যিকার অর্থে বড় হতে দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রমে ছিলেন অটুট। সেই শক্তিতেই তিনি ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের ইতিহাস বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। তবে বিসিএসে প্রথম স্থান অর্জন করেও প্রকাশিত চূড়ান্ত নিয়োগ গেজেটে বাদ পড়েছেন তিনি।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক নিয়োগ গেজেটে বিষয়টি দেখা যায়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত গেজেটে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে গত বছরের ১১ নভেম্বর রাতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে ৬৮৩টি পদের বিপরীতে ৬৬৮ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। সেই তালিকায় ইতিহাস বিভাগে প্রথম হন সোহেল রানা।

সোহেল রানা নীলফামারী সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের কুখাপাড়া গ্রামের কৃষক আবু হোসেনের ছেলে। সোহেল ২০১৪ সালে সোনারায়-সংগলশী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এবং ২০১৬ সালে রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৯২ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হয়ে ২০২০ সালে স্নাতক (সিজিপিএ ৩.৫৪) এবং ২০২১ সালে সিজিপিএ ৩.৫৬ নিয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মাজাহারুল ইসলাম বলেন, এর আগে ফলাফল শুনে জানতে পারলাম, ছেলেটি প্রথম হয়েছে এবং নাকি একটি ভেরিফিকেশন বাকি আছে। তখন আমরা ভেবেছিলাম, হয়তো তার বাবার কষ্ট করে পড়ানোটা সার্থক হবে। এবার পরিবারটি একটু শান্তিতে থাকতে পারবে। কিন্তু গতকাল শুনলাম, তাকে নাকি রাজনৈতিক কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে আমার দেখা মতে, সে কোনো দিন কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিল না। তাহলে তারা কীভাবে এত ভালো ফল করা, প্রথম হওয়া একটি ছেলেকে বাদ দেয়?

সোনারায়-সংগলশী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বিভূতি ভূষণ রায় বলেন, সোহেল রানা ২০১৪ সালে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পাস করে। এরপর কারমাইকেল কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। ৪৯তম বিসিএসে সে ভালো ফলাফল করে ইতিহাস বিভাগে শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম স্থান অধিকার করে। কিন্তু গেজেট প্রকাশের পর তার নাম বাদ দেওয়ায় আমরা স্কুলের সব শিক্ষক ও এলাকাবাসী ব্যথিত।

সোহেল রানার মা শাহিদা বেগম বলেন, অভাবের সংসারে কত কষ্ট করে পড়াশোনা করাইছি, আল্লাহ জানে কেন এমন হইলো আমার ছাওয়ালটার সাথে। এত কষ্ট করে পড়াশোনা করার পরে একটা চাকরিতে তো টেকিছে। এখন শুনেছি, আমার ছাওয়াল্টাকে নাকি বাদ দিয়েছে। কেন, বারে? আমার বাবাটার কী দোষ যে আমার ছাওয়াটাকে বাদ দিলেন?—এভাবেই চোখের পানি ঝরাতে ঝরাতে কথাগুলো বলছিলেন ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে বাদ পড়া সোহেল রানার মা।

সোহেলের বাবা আবু হোসেন বলেন, আমার ছেলেকে অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করিয়েছি। সংসারের অভাব-অনটনের মধ্যেও শুধু এই আশায় তাকে পড়াশোনা করিয়েছি, একদিন সে নিজের পায়ে দাঁড়াবে, ভালো একটা চাকরি করবে। ছেলেকে পড়াতে গিয়ে জমি-জায়গা বিক্রি করেছি, এমনকি বন্দুকও বিক্রি করতে হয়েছে। অনেক কষ্ট করে তাকে এতদূর নিয়ে এসেছি।

তিনি বলেন, যেদিন জানতে পারলাম, আমার ছেলে বিসিএসে টিকে গেছে, সেদিন আমাদের আনন্দের সীমা ছিল না। মনে হয়েছিল, এত বছরের কষ্ট অবশেষে সার্থক হয়েছে। কিন্তু গতকালের খবর শুনে আমরা একেবারে ভেঙে পড়েছি। যে ছেলে এত কষ্ট, পরিশ্রম ও মেধার মাধ্যমে বিসিএসে উত্তীর্ণ হলো, শেষ পর্যন্ত গেজেটে তার নাম নেই—এটা একজন বাবা হিসেবে মেনে নেওয়া আমার জন্য খুবই কষ্টের।

তিনি আরও বলেন, আমি সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি, আমার ছেলের বিষয়টি যেন মানবিকভাবে বিবেচনা করা হয়। এত বছরের পরিশ্রম, ত্যাগ ও স্বপ্ন যেন এভাবে শেষ হয়ে না যায়। আমার একটাই দাবি, আমার ছেলের চাকরিটা যেন হয়। এত কষ্ট করে তাকে পড়িয়েছি, আজ তার মুখের দিকে তাকিয়ে সরকারের কাছে শুধু এইটুকুই চাই।

এ বিষয়ে সোহেল রানা বলেন, ৪৯তম বিসিএসে ইতিহাস বিভাগে শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলাম। দীর্ঘ ১০ মাস পর গতকাল আমাদের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু সেখানে আমার নাম না দেখে আমি নিজেই হতভম্ব হয়ে গেছি। কী কারণে আমার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, সেটিও আমি জানি না।

তিনি বলেন, সাধারণত পুলিশ ভেরিফিকেশনে একজন ব্যক্তির বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয়। ওই ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে জড়িত থাকেন, রাষ্ট্রদ্রোহী কোনো কাজ করেন বা সরকারবিরোধী কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকেন, তাহলে বিষয়টি সেখানে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এসব বিষয়ের সঙ্গে আমার পরিবার কিংবা আমি ন্যূনতম কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নই।

তিনি আরও বলেন, কেন আমাকে বাদ দেওয়া হলো, সেটি আমি নিজেও এখনো জানি না। আমার পরিবার কোনোভাবেই রাজনৈতিক বা অন্য কোনো সম্পৃক্ততার সঙ্গে জড়িত নয়। তাহলে তারা কীভাবে আমাকে বাদ দিলেন? আমি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। আমার পরিবারের কেউই কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।

চাকরিতে আবেদনের বয়স আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সোহেল বলেন, চাকরিতে আবেদনের বয়স আছে। কিন্তু ৪৯তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর আর কোথাও সেভাবে আবেদনও করিনি বা চেষ্টা করিনি। কারণ আমার সর্বোচ্চ একটি চাওয়া ছিল, সেই চাওয়াটি পূরণ হয়ে গিয়েছিল। এ কারণে আর কোথাও চেষ্টা করা হয়নি। বিশেষ করে বাংলাদেশের অন্যতম সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা বিসিএসে সর্বোচ্চ মেধার প্রয়োগ করে টিকতে হয়। অন্য সব পরীক্ষার্থীর মতো আমাকেও অনেক দিন-রাত এক করে পড়াশোনা করতে হয়েছে। অনেক রাত নির্ঘুম কেটেছে। যখন আমি ৪৯তম বিসিএসে অংশগ্রহণ করি, তখন আমি একটি চাকরি করতাম। সেই চাকরির পাশাপাশি ৪৯তম বিসিএসে অংশগ্রহণ করা একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় ছিল।

তিনি আরও বলেন, যদি প্রকাশ না হয়, তাহলে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো পথ নেই। আমার বাবা-মা, ভাই-বোন বা পরিবারের সবার সামনে এই মুখ নিয়ে দাঁড়ানোর সাহস আমার নেই। কোনোভাবেই তাদের সামনে যেতে পারছি না। গতকালের ফলাফলের পর সবাই হতভম্ব হয়ে গেছে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ ২ জনের প্রাণহানি, বাসে আগুন দিল বিক্ষুব্ধ জনতা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া উপজেলায় মিনিবাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। 
সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ ২ জনের প্রাণহানি, বাসে আগুন দিল বিক্ষুব্ধ জনতা
চুল কেটে মরিচের গুঁড়া মাখিয়ে নারীকে নির্যাতন
ঝিনাইদহে পরকীয়ার সন্দেহে সুচিত্রা বিশ্বাস নামের এক গৃহবধূকে পৈশাচিক কায়দায় মাথার চুল কেটে শরীরে মরিচের গুঁড়া মাখিয়ে নির্যাতনের আিভযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযযোগমাধ্যমসহ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
চুল কেটে মরিচের গুঁড়া মাখিয়ে নারীকে নির্যাতন
গভীর রাতে শিক্ষার্থীকে জোর করে শয়নকক্ষে নিয়ে গেলেন শিক্ষক, অতঃপর...
পাবনায় একটি আবাসিক মহিলা মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ ওই মাদরাসার শিক্ষক কাম পরিচালক আবু ইউসুফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 
গভীর রাতে শিক্ষার্থীকে জোর করে শয়নকক্ষে নিয়ে গেলেন শিক্ষক, অতঃপর...
‘আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু তুমি’—যুবকের ফেসবুক পোস্ট, অতঃপর...
"আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু তুমি" বন্ধু হাবিবুর রহমানের যৌথ ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্ট করার কিছুক্ষণ পরেই প্লাবন সরকার (২২) নামের এক যুবেকর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্লাবন সরকার সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের মামুদনগর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মামুদনগর বাজারে টেইলার ব্যবসায়ী ছিলেন। বন্ধু হাবিবুর রহমান তার প্রতিবেশী মুদি দোকানদার। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এই যুবকের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। পরে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। এদিকে প্লাবনের আত্মহত্যার জন্য হাবিবুর রহমান দায়ী বলে দুই লাইনের দুইটি চিরকুটের ছবি পাওয়া গেছে। ওই দুই চিরকুটে লেখা রয়েছে, আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু হাবিবুর ভাই। হাতের লেখাটি প্লাবন সরকারের বলে জানিয়েছেন তার পরিচিতজনরা। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক তিনটার দিকে প্লাবন সরকার তার নিজ ফেসবুক আইডিতে একই গ্রামের হাবিবুর রহমানসহ তার দুই জনের বিভিন্ন স্থানের যৌথ কয়েকটি ছবি দিয়ে ক্যাপশনে লিখেন "আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু তুমি"। এই পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই খবর পাওয়া যায় প্লাবন সরকার মারা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল বিকেলে প্লাবন সরকারের ফেসবুক পোস্টের পর হাবিবুর রহমান ও একই গ্রামের মঈনুল ইসলাম প্লাবন সরকারের বসত ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে তার লাশ নিচে নামান। পরে গ্রামের বাজার থেকে একজন পল্লী চিকিৎসককে সাথে নিয়ে প্লাবনের রক্ত সঞ্চালন আছে কি-না চেক করেন। পল্লী চিকিৎসক প্লাবনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করলে হাবিবুর রহমান ও মঈনুল ইসলাম প্লাবনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে গিয়ে এলাকা ছাড়া হয়ে যান। পল্লী চিকিৎসক প্রদীপ সরকার জানান, হাবিবুর, মঈনুল ও প্লাবন তিনজনই বাজারের ব্যবসায়ী। তাদের মধ্যে ভাল সম্পর্ক ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে হাবিবুর ও মঈনুল এসে প্লাবনদের বাড়িতে নিয়ে একটি জিনিস দেখানোর কথা বললে আমি তাদের সাথে যাই। মোটরসাইকেলে করে আমাকে নিয়ে যাওয়ার পর তারা প্লাবনের ঘরের পেছনের দিকে যায়। পরে দেখি তারা প্লাবনের লাশ নিচে নামিয়ে খাটের উপরে রাখে। আমাকে তারা বিপি (ব্লাড প্রেসার যন্ত্র) নিয়ে আসার কথা বলে। পরে বিপি লাগিয়ে দেখি তার রেসপন্স নাই। এই কথা বলতেই তারা দুই জন প্লাবনের মোবাইল ফোনটি নিয়ে  দ্রুত পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে হাবিবুর রহমান ও মঈনুলের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। মঈনুলের বড় ভাই জহিরুল ইসলাম জানান, আমার ভাই ওদের সাথে বাজারে হাঁস খাইত। প্লাবনের মৃত্যুর ঘটনার সাথে আমার ভাই জড়িত থাকলে তারও শাস্তি হোক। তবে আমরা জানতাম প্লাবন ও হাবিবুর রহমানের মধ্যে একটা খারাপ সম্পর্ক আছে। যা মুখে প্রকাশ করার মত না। কয়েক বার ওদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হয়েছে। প্লাবনের বড় ভাই প্রণয় সরকার বলেন, হাবিবুর, মইনুল ও প্লাবন এক সাথে চলাফেরা করত। হাবিবুরের কাছে প্লাবনের টাকা পয়সা ছিল। কয়েক দিন তারা প্লাবনকে মারপিট করেছে। গতকাল বিকেলে প্লাবনকে মেরে তার মোবাইল নিয়ে পালিয়ে গেছে। আমরা এই ঘটনার সঠিক তদন্ত চাই। এ বিষয়ে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে প্লাবনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে । থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। তার মৃত্যুর পেছনে কি রহস্য রয়েছে এবং এটি প্ররোচিত আত্মহত্যা কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে, আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/ এসকেডি
‘আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু তুমি’—যুবকের ফেসবুক পোস্ট, অতঃপর...
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার আগমন ঘিরে বরগুনায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বামনা-পাথরঘাটা সড়কের চাড়াখালী এলাকায় বামনা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসিবুর রহমানের নেতৃত্বে এ ঝটিকা মিছিল বের করা হয়।
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার আগমন ঘিরে বরগুনায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
আরও পড়ুন
নীলফামারীতে ট্রেন থামিয়ে অবরোধ, পাঁচ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক চলাচল
প্রধানমন্ত্রীর সফর শুনে ভাঙল ঘুম, বালু দিয়ে ময়লার ভাগাড় গায়েবের চেষ্টা!
মধ্যরাত থেকে কুয়াশায় ঢেকে যায় উত্তরের জনপদ, সূর্য উঠতেই উধাও!
মারা গেছেন নীলফামারীর কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ফারুক ভূঁইয়া