ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ছাত্রদল নেতার গায়ে গরম পানি ঢেলে দিলেন আওয়ামী লীগ কর্মী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৬ এএম
ছাত্রদল নেতার গায়ে গরম পানি ঢেলে দিলেন আওয়ামী লীগ কর্মী। ছবি: সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপিকে নিয়ে বাজে মন্তব্যের প্রতিবাদ করায় হাসানুজ্জামান (৩১) নামে এক ছাত্রদল নেতার গায়ে গরম পানি ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী সুলতানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শঙ্করচন্দ্র ইউনিয়নের পুকুরপাড়া মোড় এলাকায় একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

আহত হাসানুজ্জামান একই উপজেলার শঙ্করচন্দ্র গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আহত অপর দুজন হলেন একই এলাকার সিরাজুল ইসলাম (৪২) ও হাসান আলী (৩২)। আহত তিনজনকেই উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত ছাত্রদল নেতা হাসানুজ্জামান অভিযোগ করে বলেন, রাতে চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলাম। এ সময় চায়ের দোকানে বসে থাকা আওয়ামী লীগ কর্মী সুলতান বিএনপি ও দলের স্থানীয় নেতৃত্ব নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন। আমি প্রতিবাদ করলে তিনি উত্তেজিত হয়ে দোকানের কেটলিভর্তি ফুটন্ত গরম পানি আমার গায়ে ঢেলে দেন। আমাকে বাঁচাতে গেলে পাশে থাকা সিরাজুল ও হাসানের গায়েও গরম পানি পড়ে। এতে তাদের শরীরও ঝলসে যায়।

অভিযুক্ত সুলতান শঙ্করচন্দ্র ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আত্তাব হোসেনের ছেলে এবং দলটির সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে সুলতানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিমেল রানা বলেন, ওই ঘটনায় এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
খুলনায় সাত সকালে বিএনপি নেতাকে গুলি
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইকবাল শেখের মেয়ে সুমাইয়ার সঙ্গে আবিরের প্রায় চার মাস আগে ডিভোর্স হয়। এরপর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল।
খুলনায় সাত সকালে বিএনপি নেতাকে গুলি
পুত্রবধূকে চাকরি না দেওয়ায় স্কুলে যে কাণ্ড ঘটালেন শ্বশুর
রাজশাহীর পুঠিয়ায় ছেলে ও পুত্রবধূকে চাকরি না দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের অভিযোগে একটি বিদ্যালয়ের মাঠে কলাগাছের চারা রোপণ ও প্রধান ফটকে বাঁশের বেড়া দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া শিক্ষকদের কার্যালয়ের দরজায় নতুন করে তালা লাগানোর অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য আজাদ আলীর বিরুদ্ধে। শনিবার (৩ অক্টোবর) উপজেলার ভালুকগাছি মুক্তিযোদ্ধা স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, আজাদ আলী লোকজন নিয়ে এসে এসব কর্মকাণ্ড করেন। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে ‘মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ নামে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। পরে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনায় প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় ‘ভালুকগাছি মুক্তিযোদ্ধা স্কুল’ নাম নির্ধারণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট রেজল্যুশনে আজাদ আলী নিজেই এ নাম প্রস্তাব করেছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে। ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটি অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানের অনুমতি পায়। বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ের পাশাপাশি ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে পাঠদান চলছে। পর্যায়ক্রমে উচ্চতর শ্রেণিতে পাঠদানের অনুমোদন নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা অভিযোগ করে বলেন, শনিবার সকাল ১১টার দিকে আজাদ আলী লোকজন নিয়ে বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষকদের কার্যালয়ের আগের তালার ওপর আরেকটি তালা লাগান। পরে প্রধান ফটকে বাঁশের বেড়া দেওয়া হয় এবং বিদ্যালয়ের মাঠে সারি করে কলাগাছের চারা রোপণ করা হয়। অন্যদিকে, আজাদ আলীর দাবি, টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে তিনি জমি দান করেছিলেন। সেখানে তার ছেলে ও পুত্রবধূকে চাকরি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার দেওয়া শর্ত অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি এবং পুত্রবধূকেও চাকরি দেওয়া হয়নি। এ কারণেই তিনি বিদ্যালয়ে তালা লাগানো ও মাঠে কলাগাছ রোপণের পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানান। তবে প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা বলেন, আজাদ আলী প্রথমে নিঃশর্তভাবে জমি দান করেছিলেন। পরে প্রতিষ্ঠানটির স্থাপনা নির্মাণের পর জমি রেজিস্ট্রির সময় তিনি ছেলে ও পুত্রবধূর চাকরির দাবি করেন। তার পুত্রবধূকে প্রাথমিক শাখায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগও দেওয়া হয়েছিল। চাকরিরত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, পরবর্তী সময়ে আজাদ আলীর ছেলে ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর চাকরির বিষয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটিতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এ-সংক্রান্ত রেজল্যুশনও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে, প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের অভিযোগে ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর আদালতে মামলা করেন আজাদ আলী। তার অভিযোগ, যে নামে প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য তিনি জমি দিয়েছিলেন, সে নামে প্রতিষ্ঠান করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, মামলাটি বর্তমানে চলমান রয়েছে। আরটিভি/এসকে
পুত্রবধূকে চাকরি না দেওয়ায় স্কুলে যে কাণ্ড ঘটালেন শ্বশুর
সাতক্ষীরায় ১৯ হাজার টন বোরো চাল সংগ্রহ
চল‌তি বছর বোরো চাল সংগ্রহ মৌসুমে সাতক্ষীরায় সরকারিভাবে ১৯ হাজার ৬৪৯ দশ‌মিক ৫৫০ টন সেদ্ধ চাল ক্রয় করা হয়েছে। প্রতি কে‌জি ৪৯ টাকা দরে যার মূল্য ৯৬ কো‌টি ২৮ লাখ ২৭ হাজার ৯৫০ টাকা।  সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। তবে গত মৌসুমের তুলনায় চল‌তি মৌসুমে চাল সংগ্রহ অভিযানে লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৪০ শতাংশ বে‌শি বলে জানান সং‌শ্লিষ্টরা। জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ১০ হাজার ১৫৬ দশ‌মিক ৭০ টন, কলরোয়ায় ১ হাজার ২১৪ টন, দেবহাটায় ১ হাজার ২৭৩ টন, কা‌লিগ‌ঞ্জে ৬৭৫ টন, শ্যামনগরে ১৪২ টন, আশাশু‌নি ১৭৫ দশ‌মিক ৯৮০ টন এবং তালা উপজেলার জন্য ৬ হাজার ১৩ দশ‌মিক ৫৬০ টন বরাদ্য দেওয়া হয়েছে।  চল‌তি মৌসুমে বোরো চাল মোটা জাতের জন্য সরকারিভাবে মূল্যনির্ধারণ করা হয় কে‌জিপ্রতি ৪৯ টাকা। এ হিসাব অনুযায়ী ক্রয়কৃত ১৯ হাজার ৬৪৯ দশ‌মিক টন চালের মূল্য ৯৬ কো‌টি ২৮ লাখ ২৭ হাজার ৯৫০ টাকা। সূত্রটি আরও জানায়, গত ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়ে ১৫ অক্টোবর শতভাগ সংগ্রহ শেষ হ‌য়। অন্যদিকে গত বোরো মৌসুমে জেলায় ১১ হাজার ৯৫৩ টন চাল সংগ্রহ করা হয়। ৪৯ টাকা কে‌জি দরে যার মোট মূল্য ছিল ৫৮ কো‌টি ৫৬ লাখ টাকা। এ হিসাবে চল‌তি মৌসুমে ৭ হাজার ৬৯৬ দশ‌মিক ৫৫ টন প‌রিমাণ চাল ক্রয় বা সংগ্রহ বেড়েছে। সাতক্ষীরা জেলা (ভারপ্রাপ্ত) খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. ওমর ফারুক জানান, সরকারের নির্দেশ অনুসরণ করে জেলার সাত‌টি উপজেলার ২৪৭টি নিব‌ন্ধিত মিল মা‌লিকদের থেকে সচ্ছতা বজায় রেখে চল‌তি মৌসুমে ১৯ হাজার ৬৪৯ দশ‌মিক ৫৫০ টন চাল ক্রয় হয়। এ সময় চালের গুণগত মান বা পু‌ষ্টি স‌ঠিকভাবে যাচাই করে নেয়া হয়। তাছাড়া জেলার সব গোডাউন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া আছে, কেউ যেন অসৎ উপায়ে নিম্নমানের চাল সরকারি গুদামে না ঢোকাতে পারে। আরটিভি/এসআর
সাতক্ষীরায় ১৯ হাজার টন বোরো চাল সংগ্রহ
সালিশ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আ.লীগ নেতা, অতঃপর...
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য মো. দিদারুল আলম ওরফে দিদার মেম্বারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দিদারুল আলম খানখানাবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। তিনি ডোংরা গ্রামের মৃত সোলায়মানের ছেলে। পুলিশের দাবি, দিদারুল আলম খানখানাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি। বর্তমানে তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সংগঠক ও দলের অর্থের জোগানদাতা হিসেবে ভূমিকা পালন করছেন। অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরিবারের দাবি, একটি সালিশি বৈঠক শেষ করে বাড়ি ফেরার সময় দিদার মেম্বারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক বলেন, গ্রেপ্তার দিদারুল আলমকে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আজ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে। আরটিভি/টিআর
সালিশ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আ.লীগ নেতা, অতঃপর...
পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন, ভিডিও ভাইরাল
মোংলা পোর্ট পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রায়ই রাতের বেলায় অ্যাম্বুলেন্সে করে ছাগল পরিবহন করা হয়।  জানা যায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে খুলনার জিরো পয়েন্ট থেকে অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার মো. শরীফুল ছাগলগুলো অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। তাৎক্ষণিক একজন সেটার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাড়েন, যা ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। পরে সেখান থেকে ছাগলগুলো মোংলায় আনা হয়। ছাগলগুলো ছিল মোংলার ছাগল ব্যবসায়ী মো. রশিদের। টাকার বিনিময়ে শরীফুল প্রায়ই অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।  এ ব্যাপারে অ্যাম্বুলেন্সের চালক শরীফুল বলেন, অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের ঘটনা এটাই প্রথম। ছাগল পরিবহন বাবদ তিনি কোনো টাকা নেননি বলে দাবি করেছেন।  ছাগল ব্যবসায়ী কসাই রশিদ বলেন, আমি চুকনগর থেকে ছাগল কিনে জিরো পয়েন্টে আসি। সেখানে কোনো গাড়ি না পেয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে সিগন্যাল দিয়ে থামিয়ে ৬টি ছাগল অ্যাম্বুলেন্সে করে মোংলায় নিয়ে আসি। এ বাবদ ড্রাইভারকে আমি কোনো টাকা দিইনি।  এদিকে, এ ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্সের চালক শরীফুলের কাছ থেকে শুক্রবার (২ অক্টোবর) চাবি নিয়ে নিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের ঘটনায় আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।  এ বিষয়ে জানতে মোংলা পোর্ট পৌরসভার প্রশাসক শারমিন আক্তার সুমীর মোবাইল ফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। আরটিভি/এসআর
পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন, ভিডিও ভাইরাল
আরও পড়ুন
খুলনায় সাত সকালে বিএনপি নেতাকে গুলি
সালিশ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আ.লীগ নেতা, অতঃপর...
রাজবাড়ীতে বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
রিসোর্ট থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা গ্রেপ্তার