ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

সুনামগঞ্জের সুধাংশু বিশ্বাস হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরের সুধাংশু বিশ্বাস হত্যা মামলায় রবিন বিশ্বাস নামের একজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

রোববার (১১ অক্টোবর সুনামগঞ্জের জেলা দায়রা জজ মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ এই রায় প্রদান করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, আদালতের পি.পি অ্যাড. মল্লিক মঈন উদ্দিন সোহেল।

দণ্ডপ্রাপ্ত রবিন বিশ্বাস বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর লখনা গ্রামের রতিশ বিশ্বাসের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় রবিন বিশ্বাস আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি পলাতক আছেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলার অপর আসামি রবিনের মা চিনু রানী বিশ্বাসকে মামলা থেকে খালাস প্রদান করা হয়।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৫ জুন আসামি রবিন বিশ্বাসের বোন শিপ্ৰা রানী বিশ্বাস ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছিল। এ ঘটনার পর থেকে চিনু রানী বিশ্বাস প্রায়ই প্রতিবেশী সুধাংশু বিশ্বাসকে অলক্ষী বলে অপবাদ দিতেন। এরই ধারাবাহিকতায় ওই বছরের ২৫ আগস্ট দুপুর ১২ টার সময় চিনু রানী বিশ্বাস ও তার ছেলে আসামি রবিন বিশ্বাস সুধাংশু বিশ্বাসকে অলক্ষী বলে গালিগালাজ করেন। সুধাংশু বিশ্বাস এর প্রতিবাদ করলে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয় এবং মারামারির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এ সময় একই গ্রামের মহেন্দ্র বিশ্বাস প্রকাশ মঙ্গল ও সজলা বিশ্বাসসহ স্থানীয় লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সাক্ষী মহেন্দ্র বিশ্বাস সুধাংশু বিশ্বাসকে নিয়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার সময় আসামি চিনু রানী বিশ্বাস তার হাতে থাকা বাঁশের লাঠি ছেলে আসামি রবিন বিশ্বাসের হাতে তুলে দিয়ে সুধাংশু বিশ্বাসকে খুন করার নির্দেশ দেন। তখন আসামি রবিন বিশ্বাস ওই লাঠি নিয়ে সুধাংশু বিশ্বাসের পিছু ধাওয়া করে সজলা বিশ্বাসের ঘরের সামনে পৌঁছে তার মাথার পিছনে আঘাত করেন। এতে সুধাংশু বিশ্বাসের মাথায় গুরুতর জখম হয়। গুরত্বর আহত সুধাংশু বিশ্বাস চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

এই ঘটনায় রবিন বিশ্বাস ও তার মা চিনু রানী বিশ্বাসের বিরুদ্ধে থানায় মামলা খুনের মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত শুনানী শেষে আসামি রবিন বিশ্বাসকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড করেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় আসামি রবিন বিশ্বাস পলাতক ছিলেন। মামলার অন্য আসামি রবিন বিশ্বাসের মা চিনু রানী বিশ্বাস দোষী সাব্যস্ত না হওয়ায় তাকে খালাস প্রদান করা হয়।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইটভাটায় খেলতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশুর
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার পাঁচপাখিয়া গ্রামে ট্র্যাক্টর চাপায় তাওহীদ (১০) নামের এক মাদরাসাছাত্র নিহত হয়েছে।
ইটভাটায় খেলতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশুর
‘কোবরা গ্রুপের’ প্রধান সোহেল অস্ত্র-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলোচিত ‘কোবরা গ্রুপ’ বা ‘সোহেল গ্রুপের’ প্রধান হিসেবে পরিচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল খন্দকারকে বিদেশি রিভলভার, গুলি ও হেরোইনসহ গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১১।
‘কোবরা গ্রুপের’ প্রধান সোহেল অস্ত্র-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার
চাঁদপুরে প্রায় ৭ কোটি টাকার অবৈধ জাল জব্দ
মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করতে চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। জব্দ করা জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭ কোটি টাকা।
চাঁদপুরে প্রায় ৭ কোটি টাকার অবৈধ জাল জব্দ
ফেসবুকে অস্ত্র দেখিয়ে ভিডিও, সুইট গ্রুপের প্রধানসহ গ্রেপ্তার ২
সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে বগুড়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
ফেসবুকে অস্ত্র দেখিয়ে ভিডিও, সুইট গ্রুপের প্রধানসহ গ্রেপ্তার ২
আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশ: এনসিপিতে পদ পাওয়া সেই প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বরখাস্ত
সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চরফ্যাশন উপজেলা কমিটিতে সাংগঠনিক পদে থাকার অভিযোগে ভোলার চরফ্যাশনের উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সফিউল্লাহ জগলুকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশ: এনসিপিতে পদ পাওয়া সেই প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বরখাস্ত
আরও পড়ুন
সুনামগঞ্জে আমেরিকায় তৈরি রিভলভার উদ্ধার
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় হত্যা মামলার প্রধান আসামি ধরা
ঈশ্বরদীতে মাদক মামলার আসামির যাবজ্জীবন
রুমের ভেতরে আটকা পড়েছিল ৫ ছাত্রী, অতঃপর...