
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে ‘জাতীয় নজরুল উৎসব’ আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় তলায় সংস্কৃতিমন্ত্রীর পরিদর্শনকক্ষ উদ্বোধন শেষে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্রোহের আগুন, সাম্যের বাণী আর সৃষ্টির অফুরন্ত শক্তিতে নতুন প্রজন্মকে জাগিয়ে তুলতে দেশের প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, কারিগরি কলেজসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে নজরুলবিষয়ক বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।
তিনি জানান, কবিতা আবৃত্তি, গান, চিত্রাঙ্কন, নজরুলসংগীত, নৃত্য, একক নাটক ও উপস্থিত বক্তৃতার মতো প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা প্রথমে বিভাগীয় পর্যায়ে অংশ নেবে। বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে আয়োজন করা হবে জাতীয় নজরুল উৎসব, যেখানে প্রধানমন্ত্রীও অংশগ্রহণ করবেন।
এ ছাড়া যোগ্য ব্যক্তিদের একুশে পদক প্রদান এবং বাংলা একাডেমির উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী একুশে বইমেলা আয়োজনের বিষয়টিও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে এগিয়ে নেবে বলে জানান তিনি।
বক্তব্য পর্ব শেষে উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করেন মন্ত্রী।
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাদমান আকিফ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মইমুর আলী মৃধা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান, ড. রইসউদ্দিনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, জাতীয় নজরুল উৎসবের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীরা নজরুলের সৃষ্টির সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাণী আরও বিস্তৃত হতে পারে।
আরটিভি/টিআর




