ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

স্কুলে মারামারি: সেই শিক্ষক দম্পতি দুই প্রান্তে বদলি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৮ পিএম
সম্প্রতি স্কুলের মধ্যে মারামারিতে জড়িয়ে আলোচনায় আসেন আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন ও তার স্ত্রী সহকারী শিক্ষক আছমা খাতুন। ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে মারামারিতে জড়িয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন এক শিক্ষক দম্পতি। তাদের মারামারির ভিডিও ইতোমধ্যে ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এবার ওই স্বামী-স্ত্রীকে বদলির মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে উপজেলার দুই প্রান্তের দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তাদের কর্মস্থলের মধ্যে দূরত্ব প্রায় ৩২ কিলোমিটার।

বদলি হওয়া ওই দুই শিক্ষক হলেন ফুলবাড়ীয়া উপজেলার আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন ও সহকারী শিক্ষক আছমা খাতুন। প্রথমে আছমা খাতুনকে বদলি করা হয়। পরে তার স্বামী আফজাল হোসেনকেও অন্য বিদ্যালয়ে বদলির আদেশ দেওয়া হয়।

রোববার (১৮ অক্টোবর) ময়মনসিংহ বিভাগীয় উপপরিচালক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেনকে উপজেলার বৈদ্যবাড়ি পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলির আদেশ দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম সহকারী শিক্ষক আছমা খাতুনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে তাকে কাহালগাঁও দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৈদ্যবাড়ি পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি উপজেলার উত্তর প্রান্তে এবং কাহালগাঁও দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত। ফলে দুই শিক্ষকের নতুন কর্মস্থলের মধ্যে দূরত্ব প্রায় ৩২ কিলোমিটার।

উল্লেখ্য, গত ৫ অক্টোবর ফুলবাড়ীয়া উপজেলার রাঙামাটিয়া ইউনিয়নের আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে শিক্ষক দম্পতির ধস্তাধস্তি ও মারামারির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়ভাবে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার ১০ থেকে ১২ দিন আগে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ওই দুই শিক্ষকের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। ২০০৪ সালে তাদের বিয়ে হয়। তাদের এক মেয়ে রয়েছে। উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

প্রায় ১৪ বছর ধরে আফজাল হোসেন ও আছমা খাতুন আলাদা থাকছেন। পারিবারিক বিরোধের জেরে তাদের মধ্যে আদালতে মামলাও চলমান। দুজনই ২০১১ সালের দিকে আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেন। দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের প্রভাব তাদের কর্মস্থলেও পড়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিদ্যালয়ে তাদের মধ্যে একাধিকবার প্রকাশ্যে ঝগড়ার অভিযোগও রয়েছে।

তাদের ঝগড়ার ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, ‌‘আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেনকে বৈদ্যবাড়ি পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। এর আগে সহকারী শিক্ষক আছমা খাতুনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে তাকেও অন্য বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ঘটনার দৃশ্য দেখা গেছে। শিক্ষক দম্পতির মধ্যে আগে থেকেই মনোমালিন্য ও ঝগড়াঝাঁটি ছিল। ঘটনার দিন পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের এক সাবেক সহকর্মীর মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি / জাজিরায় ৫ ব্যবসায়ীর জানাজায় উপচে পড়া ভিড়
ব্যবসায়িক প্রয়োজনে একসঙ্গে বাড়ি থেকে বের হলেও সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পাঁচ ব্যবসায়ী। মঙ্গলবার রাতে তাদের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টায় জাজিরা উপজেলার কাজিরহাটের ধুলট হাটা প্রাঙ্গণে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিহতদের স্বজন, স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ হাজারো মানুষ অংশ নেন। জানাজাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। এর আগে, ওই দিন ভোরে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া এলাকায় নাটোর-পাবনা মহাসড়কের সরকারপাড়া অংশে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ওই পাঁচজনসহ মোট ১৪ জন নিহত হন। নিহত ব্যবসায়ীরা হলেন—জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর মাদবরকান্দির জহির উদ্দিন মাদবরের ছেলে জুয়েল মাদবর, ডুবিসায়বর মোল্যাকান্দির জাহান উদ্দিন মোল্যার ছেলে সালাল মোল্যা, ডুবিসায়বর কাজিরহাটের ইউনুস শিকদারের ছেলে সোহাগ শিকদার, কাজিরহাটের সামাদ ফকির এবং পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া এলাকার রাজ্জাক বেপারীর ছেলে শাহিন বেপারী। জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কাজিরহাট ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় কৃষিপণ্যের ব্যবসা করছিলেন। রাজশাহী অঞ্চলের তাহেরপুর বাজার থেকে ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুন ও ধনিয়াসহ বিভিন্ন পণ্য কিনে স্থানীয় বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে তারা নাটোর হয়ে রাজশাহী যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানাজায় শোক প্রকাশ করে সেনেরচর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা কাজী, কাজিরহাট বাজার কমিটির সভাপতি মোখলেস মাদবর এবং বাজার ইজারাদার টিটু আকন বলেন, নিহত ব্যক্তিরা স্থানীয় বাজারে অত্যন্ত পরিচিত ও সক্রিয় ব্যবসায়ী ছিলেন। এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তাদের অকালমৃত্যু পুরো ব্যবসায়ী সমাজ ও এলাকার জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। জানাজা শেষে নিহতদের মরদেহ নিজ নিজ গ্রামে নিয়ে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। আরটিভি/টিআর
নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি: জাজিরায় ৫ ব্যবসায়ীর জানাজায় উপচে পড়া ভিড়
আমাদের সবার পরিচয় আমরা বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী
সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগরিষ্ঠ কিছুই নয়, আমাদের সবার পরিচয় আমরা বাংলাদেশি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) চট্টগ্রামে পূজা পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই বাংলাদেশি। সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগরিষ্ঠ কিছুই নয়। ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে যেভাবে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই ঝাপিয়ে পড়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে; সেভাবেই ২৪ এর আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের মানুষ স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে। বিস্তারিত আসছে... আরটিভি/টিআর
আমাদের সবার পরিচয় আমরা বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী
রাজবাড়ীর পিয়ারুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২
রাজবাড়ী শহরের সজ্জনকান্দায় পিয়ারুল সরদার (৩২) হত্যা মামলায় মো. শামীম আহসান (৩৬) নামে এক ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সদর উপজেলার উপজেলার শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের আহ্লাদীপুরের নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
রাজবাড়ীর পিয়ারুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২
রাজশাহীর বন্ধ শিল্প চালু করতে কাজ করছে সরকার: রিজভী
রাজশাহীতে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করার জন্য সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রাজশাহীর বন্ধ শিল্প চালু করতে কাজ করছে সরকার: রিজভী
সন্তানদের জন্য চকলেট আনার কথা ছিল জুয়েলের
এক বছরও পার হয়নি বাবা মারা গেছেন। সেই পিতৃহারা শোক কাটতে না কাটতেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটিকেও হারালো তারা। রাতে যে ভাইয়ের সঙ্গে স্বাভাবিক ফোনালাপ হলো, সকালেই এলো তার মৃত্যুর খবর। নাটোরের মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন শরীয়তপুরের জাজিরার ব্যবসায়ী জুয়েল মাদবর। তার এই আকস্মিক প্রয়াণে পুরো পরিবারটি এখন চরম দিশেহারা ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতেও বড় ভাই শাহজাহান মাদবরের সঙ্গে কথা হয়েছিল জুয়েলের। ব্যবসার কাজে কোথায় যাবেন, কীভাবে যাবেন—সবই জানিয়েছিলেন তিনি। বড় ভাই জানতে চেয়েছিলেন নাটোর যাবেন কী উপায়ে। জবাবে জুয়েল বলেছিলেন, সবাই একসঙ্গে পদ্মা সেতুর গোড়া থেকে বাসে উঠবেন। কিন্তু সেই ফোনালাপের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মাথায় আসে নির্মম দুঃসংবাদ—নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় জুয়েল আর নেই। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোরে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া এলাকার নাটোর-পাবনা মহাসড়কের সরকারপাড়ায় যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় জুয়েল মাদবরসহ জাজিরার পাঁচ ব্যবসায়ী নিহত হন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ১৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আহত হয়েছেন আরও অনেকে। নিহত জুয়েল মাদবরের বড় ভাই শাহজাহান মাদবর চোখের জল মুছতে মুছতে বলেন, গত রাতে জুয়েল ফোন করে বলল ভুট্টা কিনতে নাটোর যাবে। কীভাবে যাবি জানতে চাইলে বলল, সবাই মিলে পদ্মা সেতুর গোড়া থেকে বাসে উঠবে। সকালে ফোন পেয়ে শুনি ভাই আর নাটোরে মারা গেছে! রাতে যে ভাইয়ের সঙ্গে কথা হলো, সকালে শুনলাম সে আর নেই—এই বাস্তবতা কীভাবে মেনে নেব? জীবিকার তাগিদে নাটোরের তাহেরপুর থেকে ভুট্টা কিনে ফেরাই ছিল জুয়েলের উদ্দেশ্য। কিন্তু সেই যাত্রা আর শেষ হলো না। বাড়িতে জীবিত ফেরার বদলে পৌঁছাল তার মৃত্যুর সংবাদ। বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে আদর করে গেছেন চার বছরের মেয়ে রিদিতা ও দুই বছরের ছেলে সাইফানকে। কথা দিয়েছিলেন, ফেরার পথে তাদের জন্য চকলেট নিয়ে আসবেন। ছোট্ট দুই শিশুর কাছে বাবার সেই প্রতিশ্রুতিই ছিল আনন্দের অপেক্ষা। তারা এখনো অবুঝ। বাবার ফেরা না-ফেরার সমীকরণ বোঝার বয়স তাদের হয়নি। মা ও স্বজনদের কাছে অবুঝ শিশুরা বারবার প্রশ্ন করছে, ‘বাবা কই, মা কখন আসবে?’ পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় এক বছর আগে জুয়েলের বাবা মারা যান। সেই শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম জুয়েলকে হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পুরো পরিবারটি। গত দুই দশক ধরে জাজিরার কাজিরহাট এলাকায় ভুসামাল ও রড-সিমেন্টের ব্যবসা করে আসছিলেন জুয়েল। তার ওপরই নির্ভরশীল ছিল পুরো সংসারের চাকা ও দুই শিশুর ভবিষ্যৎ। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় জুয়েল মাদবর ছাড়াও জাজিরা উপজেলার আরও চার ব্যবসায়ী প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতরা হলেন—ডুবিসায়বর মোল্যাকান্দি এলাকার সালাল মোল্যা (জাহান উদ্দিন মোল্যার ছেলে), ডুবিসায়বর কাজিরহাট এলাকার সোহাগ শিকদার (ইউনুস শিকদারের ছেলে), কাজিরহাট এলাকার ভুসামাল ব্যবসায়ী সামাদ ফকির এবং পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া এলাকার হলুদ ব্যবসায়ী শাহিন বেপারী (রাজ্জাক বেপারীর ছেলে)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা সবাই দীর্ঘদিন ধরে কাজিরহাট বাজারসহ আশপাশের এলাকায় সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করছিলেন। রাজশাহী ও নাটোরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভুট্টা, পেঁয়াজ, রসুন ও ধনিয়াসহ কৃষিপণ্য কেনার পরিকল্পনা নিয়ে তারা একসঙ্গে রওয়ানা হয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া এক যাত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, যাত্রাবিরতির পর বাসটির গতি অনিয়ন্ত্রিত ছিল। চালক তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকায় যাত্রীরা তাকে সতর্ক করে গতি কমানোর অনুরোধ জানালেও তা রক্ষা হয়নি। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। একসঙ্গে পাঁচজন স্থানীয় উদ্যমী ব্যবসায়ীকে হারিয়ে জাজিরা জুড়ে এখন শোকের মাতম। পরিবারগুলোর কান্না আর আহাজারিতে কাজিরহাট এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। আরটিভি/টিআর
সন্তানদের জন্য চকলেট আনার কথা ছিল জুয়েলের
আরও পড়ুন
নিখোঁজের দু’দিন পর বিলের পানিতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ
স্কুলশিক্ষকের রক্তাক্ত ছবি পাঠিয়ে ২০ হাজার টাকা দাবি, অতঃপর...
দুই প্রান্তে বদলি করা হলো অফিসকক্ষে মারামারি করা সেই শিক্ষক দম্পতিকে
স্কুলে গুলিতে নিহত ৪, শোকে স্তব্ধ পুরো শহর; হাসপাতালে আহত ২ জন