ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

ভালুকায় আসামি পক্ষের হামলা, পুলিশ কর্মকর্তাসহ আহত ২

ভালুকা প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩০ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ভালুকায় মাদকের ডিলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আব্দুল কুদ্দুসকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে আসামিপক্ষের হামলায় পুলিশের এক কর্মকর্তাসহ দুই সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার রাজৈ ইউনিয়নের স্বজনগাঁও দাখিল মাদরাসা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আব্দুল কুদ্দুস ওই গ্রামের আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে। আহতরা হলেন, ভালুকা মডেল থানার এএসআই রাহেদুল ইসলাম ও পুলিশ সদস্য বাকিরুল ইসলাম। হামলার পর তাদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আব্দুল কুদ্দুসকে গ্রেপ্তারের জন্য তার বাড়িতে অভিযান চালায় ভালুকা মডেল থানার পুলিশ। একপর্যায়ে পুলিশ কুদ্দুসকে আটক করে। পরে কুদ্দুস একটি রিকল কপি দেখালে পুলিশ সদস্যরা রিকল কপি যাচাই করে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে কুদ্দুসকে ছেড়ে দেয়। ছেড়ে দিয়ে পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে চলে আসার সময় পেছন থেকে কুদ্দুস ও তার পক্ষের আট থেকে দশজন লোক পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে এএসআই রাহেদুল ইসলাম ও পুলিশ সদস্য বাকিরুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। পরে খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মুহিদুল আলম, সেকেন্ড অফিসার এসআই রফিকুল ইসলামসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত দুই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

রাজৈ ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য জামাল হোসেন বলেন, কুদ্দুসকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার বিষয়টি তিনি জানতে পেরেছেন। কুদ্দুসকে তিনি কুখ্যাত অপরাধী ও মাদকের ডিলার হিসেবে দাবি করে ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, আট থেকে দশজনের একটি দল পেছন থেকে দুই পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা করে। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন এবং হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান চলছে। মাদকের সাথে ও হামলার সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা।


আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দিনাজপুরের অনুষ্ঠিত হবে জব ফেয়ার
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার সহ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে হাকিমপুর, নবাবগঞ্জ, বিরামপুর ও ঘোড়াঘাট ৪টি উপজেলা নিয়ে জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়ে যাচ্ছে।
দিনাজপুরের অনুষ্ঠিত হবে জব ফেয়ার
বিয়ের আশ্বাসে প্রেম, বাড়িতে গিয়ে তরুণী দেখলেন প্রেমিক লাপাত্তা
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ির সামনে অনশন শুরু করেছেন এক তরুণী। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল থেকে রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানার ঘুড়কা ইউনিয়নের হারনী মধ্যপাড়ায় আবু হাশেমের ছেলে আসিফ মাহমুদের বাড়ির সামনে অনশন করছেন ১৮ বছর বয়সী ওই তরুণী। এদিকে তরুণীর আসার খবর পেয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন আসিফ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে আসিফের বাড়িতে যান ওই তরুণী। সেখানে গিয়ে আসিফকে না পেয়ে তার ঘরে প্রবেশ করেন। পরে বাড়ির উঠানে অবস্থান নেন তিনি। ঘটনার পর থেকে আসিফের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ওই তরুণী সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি জানান, আসিফ ও তার মধ্যে খালাতো ভাই-বোনের সম্পর্ক রয়েছে।  পারিবারিক পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি হয়। পরে ফেসবুকে নিয়মিত কথাবার্তার মাধ্যমে এক বছর আগে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে দাবি তরুণীর। ওই তরুণী অভিযোগ করেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আসিফ তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। তাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছেন ওই তরুণী। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আসিফ মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। আসিফের বাবা আবু হাশেম বলেন, ছেলেকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু আসিফ বিয়ে করবে না বলে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম আলী বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
বিয়ের আশ্বাসে প্রেম, বাড়িতে গিয়ে তরুণী দেখলেন প্রেমিক লাপাত্তা
কচুয়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‍্যালি
‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে চাঁদপুরের কচুয়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কচুয়া উপজেলা শাখার আয়োজনে উপজেলার সাচার বাজারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‍্যালিটি সাচার বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কচুয়া উপজেলা শাখার সভাপতি মো. জিয়া উদ্দিন মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আতিকুর রহমান জুয়েল, ফারুক হোসেন, বোরহান উদ্দিন প্রধান, জিসান আহমেদসহ আরও অনেকে। বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকদের দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত গতিসীমা বজায় রাখা এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে যানবাহন পরিচালনা করা অত্যন্ত জরুরি। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চালক, যাত্রী ও পথচারীসহ সবাইকে সচেতন হতে হবে। একই দিনে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও চালকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কচুয়া উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ চালকদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় তারা চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা, সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানো এবং সড়কে নিজের ও অন্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। বক্তারা আরও বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, সড়ক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন জরুরি। এ লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা। উল্লেখ্য, মরহুমা জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের সূচনা হয়। তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। আরটিভি/টিআর
কচুয়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‍্যালি
মুন্সীগঞ্জে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের পূর্ব মাকাহাটি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলি ও ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে ডান হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়েছে সাইফুল হাওলাদার (২১) নামের এক যুবকের। এ ছাড়া গুলিতে আহত হয়েছেন আবু সাঈদ সৈয়াল (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ। মারধরের শিকার হয়ে আহত হয়েছেন হৃদয় (২২) নামের আরেক যুবক। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে ওই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে সাইফুল ও আবু সাঈদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দে গ্রামটিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে মিল্টন মল্লিক, মুন্না ও আল-আমিন নামের তিনজনকে আটক করেছে সদর থানা-পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রভাবশালী রহিম আলী মোল্লা ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন মোল্লার কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বুধবার রাতে রহিম আলী মোল্লার সমর্থক মিল্টন মল্লিকের নেতৃত্বে আওলাদ মোল্লার কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ও মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় দৌড়ে পালাতে গিয়ে সাইফুল হাওলাদারের ডান হাতে ককটেল লাগে। এতে তার ডান হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ছাড়া গুলিবিদ্ধ হয়ে আবু সাঈদ সৈয়াল এবং মারধরের শিকার হয়ে হৃদয় নামের এক যুবক আহত হন। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, হামলাকারীরা একটি মসজিদেও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। রহিম আলী মোল্লার সমর্থক মিল্টন মল্লিক ভাড়াটে লোকজন নিয়ে এ হামলার নেতৃত্ব দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। আহত সাইফুল হাওলাদারের মা পেয়ার বেগম জানান, ভোর ৪টার দিকে রহিম মোল্লার সমর্থক মিল্টন মল্লিক তার দলবল নিয়ে ছোট ছেলের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। এ সময় মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ভয়ে তার ছেলে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ্য করে ককটেল ছোড়া হয়। প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে ওই ককটেলের আঘাতে তার ছেলের ডান হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তসলিম উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। আরটিভি/টিআর
মুন্সীগঞ্জে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ
পাবনায় বিদেশি রিভলবার ও চার ওয়ান শুটারগানসহ গ্রেপ্তার ৪
পাবনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের পৃথক দুটি বিশেষ অভিযানে চারটি ওয়ান শুটারগান, একটি বিদেশি রিভলবার ও ১২ রাউন্ড গুলিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রকিবুল হাসান ইবনে রহমান। তিনি বলেন, পৃথক দুটি অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার রাতে সদর থানার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের চরঘোষপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে আমিনপুর থানার ঢালারচর ইউনিয়নের রামনারায়ণপুর এবং সুজানগর থানার নাজিরগঞ্জ বাজার এলাকায় দ্বিতীয় দফায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় অস্ত্রসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা সবাই অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হেমায়েতপুরের চরঘোষপুর এলাকার আনসার শেখের ছেলে আলাল শেখ (৫২), আমিনপুর থানার রানীনগর ভাটিকয়া এলাকার হাসেম কাজীর ছেলে জনি কাজী (২৮), ঢালারচর ইউনিয়নের রামনারায়ণপুর এলাকার মৃত ঝড়ু মণ্ডলের ছেলে জলিল মণ্ডল (২৮) এবং মিরপুর এলাকার জসিম মণ্ডলের ছেলে বাবলু মণ্ডল। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একাধিক অস্ত্র মামলা রয়েছে। তারা অস্ত্র কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত। আরটিভি/টিআর
পাবনায় বিদেশি রিভলবার ও চার ওয়ান শুটারগানসহ গ্রেপ্তার ৪
আরও পড়ুন
দুই প্রান্তে বদলি করা হলো অফিসকক্ষে মারামারি করা সেই শিক্ষক দম্পতিকে
ধর্ষণ মামলায় জেল খেটে বেরিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে কবজি বিচ্ছিন্ন
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৩৯২
‘এক থাপ্পড়ে ঠিক করে দেব’ প্রকল্প পরিচালককে ঠিকাদারের হুমকি