
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ছোট কামারকুন্ডু গ্রামের ব্যবসায়ী খন্দকার সুলতান আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি চঞ্চল বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে ঢাকার আশুলিয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার চঞ্চল শহরের ভুটিয়ারগাতী এলাকার বাসিন্দা।
ঝিনাইদহ সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত) আখতার হোসেন মিনা জানান, ব্যবসায়ী সুলতান আহমেদের পুলিশ লাইন্সের সামনে একটি গ্রিলের দোকান ছিল। পাশাপাশি তিনি ঠিকাদারি ব্যবসা করতেন। চুয়াডাঙ্গার একটি ঠিকাদারি কাজের কিছু টাকা চঞ্চলের কাছে পেতেন সুলতান। এ নিয়ে তাদের মাঝে বিরোধও চলছিল। এরই জের ধরে ২০১৩ সালের ২৯ জুন সন্ধ্যায় মোবাইলে সুলতানকে ডেকে নেন চঞ্চল। পরদিন ৩০ জুন সকালে উদয়পুর গ্রামের মাঠ থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ইয়াসমিন সুলতানা বাদী করে চঞ্চলকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার পর থেকেই পলাতক ছিলেন চঞ্চল বিশ্বাস। হত্যা মামলার তদন্ত শেষে চঞ্চল ও জাহাঙ্গীর আলম নামে দুইজনকে অভিযুক্ত করে ২০১৫ সালের ১৭ জুন আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। আসামিরা মামলাটির বিচার ও তদন্ত কার্যক্রম বন্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করে স্থগিত করে। গত মাসে সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ার পর সিআইডিতে তদন্ত দেন আদালত।
পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত) আখতার হোসেন মিনা বলেন, মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি চঞ্চলের অবস্থান শনাক্ত করে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করি। তিনি তার নাম পরিবর্তন করে সুজা বিশ্বাস রেখে আশুলিয়ার কাঠগড়ার আলম মার্কেট এলাকায় ব্যবসা করে আসছিলেন। চার্জশিটে থাকা অপর আসামি জাহাঙ্গীর আলম ২০২২ সালে মারা গেছে। এই মামলার তদন্ত চলছে। নতুন কেউ অভিযুক্ত হলে তাদের বিরুদ্ধেও তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করা হবে। আসামি চঞ্চলকে সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
আরটিভি/এমএইচজে


