ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

৩০ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হবে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫২ এএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের ৩০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে এ কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কমিশন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ইউজিসিতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম বিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এসব কথা বলেন।

বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বহুভাষিক দক্ষতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তোলা এবং জাতীয় জনশক্তি উন্নয়নে অবদান রাখার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দেশের আট বিভাগের কোনো অঞ্চল যাতে এ কর্মসূচির আওতার বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, ভাষা নির্ধারণ, প্রয়োজনীয় রিসোর্স ও লোকেশন ম্যাপিংয়ের জন্য গঠিত কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের জনশক্তির চাহিদা, স্থানীয় জনগণের আগ্রহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা এবং বিদ্যমান অবকাঠামো বিবেচনায় নিয়ে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল-মামুন, অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান খান, অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন, অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ, ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলামসহ কমিশনের বিভাগীয় প্রধানগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদা বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা হিসেবে মোট আটটি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, আন্তর্জাতিক যোগাযোগের সক্ষমতা তৈরি হবে এবং দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে এ উদ্যোগ জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন এবং দক্ষ ও যোগ্য জনশক্তি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৩০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা অথবা বিদ্যমান ভাষা শিক্ষা কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা ও অবকাঠামো আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনশক্তির চাহিদা, স্থানীয় জনগণের আগ্রহ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের সম্ভাবনা বিশেষভাবে বিবেচনায় নেওয়া হবে।

ড. মামুন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)-এর তথ্য ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কোন অঞ্চলে কোন ভাষার চাহিদা বেশি, তা চিহ্নিত করা হবে। এর ভিত্তিতে চাহিদাভিত্তিক ভাষা নির্বাচন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রমের বাস্তবসম্মত ম্যাপিং প্রণয়ন করা হবে।

তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কর্মসূচিতে আরবি, চীনা, জাপানি, কোরীয়, ফরাসি, জার্মান, স্প্যানিশ ও ইতালীয়-এই আটটি ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে আরবি, জাপানি, কোরীয়, চীনা ও ইতালীয় ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি সভায় আলোচিত হয়।

আরও পড়ুন

তবে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ভাষার কোর্স চালু হবে, তা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের চাহিদা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা, প্রয়োজনীয় জনবল এবং অবকাঠামোগত সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত করা হবে।

সভায় জানানো হয়, বর্তমানে দেশের ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাধিক ১৩টি ভাষা শেখার সুযোগ রয়েছে। বিদ্যমান ভাষা শিক্ষা কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা, পরিচালিত কোর্স, প্রশিক্ষক ও জনবল কাঠামো এবং অবকাঠামোগত সুবিধা পর্যালোচনার পাশাপাশি নতুন ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের প্রয়োজনীয়তাও নির্ধারণ করা হবে।

তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত প্রশিক্ষক তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একটি দক্ষ প্রশিক্ষক দল গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অভিজ্ঞ ভাষা বিশেষজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, ভাষা শিক্ষা কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম তদারকি ও মান নিশ্চিতকরণে ইউজিসি প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করবে। কেন্দ্রগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল কাঠামো প্রণয়ন, আধুনিক ভাষা ল্যাব প্রতিষ্ঠা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা উপকরণ ব্যবহারে সহযোগিতা করা হবে।

একই সঙ্গে এসব কেন্দ্র যাতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয় এবং শিক্ষার্থীরা সাশ্রয়ী ব্যয়ে মানসম্পন্ন ভাষা শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পায়, সে বিষয়েও বিশেষ নজরদারি থাকবে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আগ্রহী ব্যক্তিরাও নির্ধারিত নীতিমালার আওতায় সাশ্রয়ী মূল্যে ভাষা শেখার সুযোগ পাবেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে এবং দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী বহুভাষিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।

এ কার্যক্রমের সুষ্ঠু, সমন্বিত ও টেকসই বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইউজিসির মাধ্যমে একটি অভিন্ন নীতিমালা ও পরিচালন কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নীতিমালায় ভাষা নির্বাচন, কোর্স পরিচালনা, প্রশিক্ষক নিয়োগ ও উন্নয়ন, শিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ, অবকাঠামো, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কেন্দ্রগুলোর তদারকিসহ প্রয়োজনীয় বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ক্যাম্পাসে সংঘাত নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে একের পর এক সংঘাত, হামলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলেও সেগুলো প্রতিরোধে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ক্যাম্পাসে ঘটেছে বেশকিছু সহিংসতার ঘটনা।
ক্যাম্পাসে সংঘাত নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন
যবিপ্রবির কুষ্টিয়া জেলা অ্যাসোসিয়েশনের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
খেলাধুলা, চড়ুইভাতি, নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কুষ্টিয়া জেলা অ্যাসোসিয়েশনের নবীনবরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কুষ্টিয়া জেলা থেকে আগত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
যবিপ্রবির কুষ্টিয়া জেলা অ্যাসোসিয়েশনের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
বরিশাল ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের’ যাত্রা শুরু
দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে বরিশালে মহিলাদের জন্য পৃথক একটি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছে সরকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয়েছে ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’। বরিশাল নগরীর আলেকান্দায় স্থাপিত ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে’ রোববার (১১ অক্টোবর) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের সর্বপ্রথম ক্লাস শুরু হয়। বরিশাল বিভাগে এই প্রথম ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে আর্কিটেকচার টেকনোলজি এবং কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি এ দুটি বিভাগ চালু করা হয়েছে। অধ্যক্ষ, ইন্সট্রাক্টর, সহকারী ইন্সট্রাক্টর কাফট ইন্সট্রাক্টরসহ ১১ জন শিক্ষক, ৬ জন কর্মকর্তা কর্মচারীসহ মোট ১৭ জন ও ৪৭ জন ছাত্রী নিয়ে এ ইনস্টিটিউট যাত্রা শুরু করেছে। এ দুই বিভাগে মোট আসন সংখ্যা রয়েছে ১শ’ টি। বরিশাল নগরীর আলেকান্দায় পরেশ সাগর মাঠের প্রবেশদ্বারের উত্তর পাশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করা হয়েছে। ৩ একর ১৮ শতাংশ জমিতে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনার কাজ শুরু হয়। যার প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ৫৫ কোটি টাকা। দৃষ্টিনন্দন প্রবেশ পথে একটি আকর্ষণীয় ৬ তলা বিশিষ্ট প্রশাসনিক ভবন, উত্তর পাশে ৬ তলা বিশিষ্ট বিশাল একাডেমিক ভবন ও দক্ষিণ পাশে ৬ তলা বিশিষ্ট আরেকটি একাডেমিক ওয়ার্কশপ ভবন রয়েছে। ভবন ৩টিতে লিফট এর ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়া ৪ তলা বিশিষ্ট ২শ’ আসনের ছাত্রীনিবাস, ৫ তলা বিশিষ্ট ২০ ইউনিটের শিক্ষক ডরমেটরি ও ৩ তলা বিশিষ্ট ৬ ইউনিটের স্টাফ কোয়াটার, ১ তলা বিশিষ্ট অধ্যক্ষের বাসভবন, নিজস্ব বিদ্যুতের সাব স্টেশন ও অভ্যন্তরীণ সড়ক ব্যবস্থা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে। ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে’র অধ্যক্ষ হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ এস. এম সামছুন নাহার। এ বিষয়ে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম সামছুন নাহার বলেন, একাডেমিক ওয়ার্কশপ, বিদ্যুতের সাব স্টেশন ও শহীদ মিনার নির্মাণ কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ, সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানে পৌঁছেছে। তিনি জানান, বর্তমানে আর্কিটেকচার টেকনোলজি এবং কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি দিয়ে শুরু হলেও আরো দুটি কোর্স আগামী ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে চালু করা হবে। এতে আরো ১শ’ শিক্ষার্থী এখানে ভর্তির সুযোগ পাবে। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস.এম সামছুন নাহার আরো বলেন, বর্তমান সরকার নারী বান্ধব। নারী শিক্ষা প্রসারে নতুন প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ প্রতিষ্ঠানে প্রথম বর্ষের দুটি বিভাগ চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও বিভাগ চালু করা হবে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণ করে নিজে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবে। এতে যেমন শিক্ষার্থীরা নিজে স্বাবলম্বী হতে পারবে, তেমনি অন্যকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে। জানতে চাইলে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ বরিশাল বিভাগে এটাই প্রথম। এ ইনস্টিটিউটের ৬টি বহুতল ভবন, একটি একতলা ভবন, শহীদ মিনার, বিদ্যুৎ সাব স্টেশন, অভ্যন্তরীণ রাস্তাসহ, ড্রেন, দুটি অত্যাধুনিক প্রবেশ গেট, বাউন্ডারি ওয়াল এ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। ৩ একর ১৮ শতাংশ জমিতে প্রতিষ্ঠিত প্রকল্পের কাজ শেষ করতে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে। তিনি আরো জানান, শহীদ মিনার, একাডেমিক ওয়ার্কশপ ও বিদ্যুতের সাব স্টেশন ভবন নির্মাণের অসমাপ্ত কাজ চলতি বছরের মধ্যে শেষ হবে। ‘সরকারি মহিলা পলিটেনিক ইনস্টিটিউটে’ বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা থেকে আসা আয়শা আক্তার আর্কিটেকচার টেকনোলজি বিভাগে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী তার প্রথম ক্লাস অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, মনোরম পরিবেশ ও শিক্ষকমন্ডলীর আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমার জীবনের নতুন অধ্যায় সূচিত হল। পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী মরিয়ম বলেন, এ ইনস্টিটিউটে প্রবেশে আমার মনে অন্য রকম এক আনন্দ, উচ্ছ্বাস অনুভব হচ্ছে। নতুন ক্লাসে শিক্ষকদের আন্তরিকতা আমাকে উজ্জীবিত করেছে। শিক্ষাবিদ মহসিন উল ইসলাম হাবুল বলেন, মেয়েদের জন্য কারিগরি শিক্ষা কেবল একটি শিক্ষাপদ্ধতি নয় বরং এটি তাদের স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল করে তোলার সবচেযে শক্তিশালী হাতিয়ার। আমাদের প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় নারীদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে কারিগরি বা বৃত্তিমূলক শিক্ষা একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে, কারণ সাধারণ প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির তুলনায় এ শিক্ষার মাধ্যমে সরাসরি কর্মমুখী দক্ষতা অর্জন করতে পারবে শিক্ষার্থীরা । তিনি বলেন, একজন নারী যখন কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হয়ে ওঠেন, তখন তিনি কেবল অন্যের অধীনে চাকরি করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেন না, বরং নিজের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারেন। একই সঙ্গে সমাজে আরও বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারেন। আরটিভি/টিআর
বরিশাল ‘সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের’ যাত্রা শুরু
অভিযোগ প্রমাণিত হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি আইইউডিএস সভাপতির বিরুদ্ধে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির (আইইউডিএস) সভাপতির বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূত কমিটি গঠন ও অর্থ গোপনের অভিযোগ প্রমাণিত হলেও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ সংগঠনটির সদস্যরা।
অভিযোগ প্রমাণিত হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি আইইউডিএস সভাপতির বিরুদ্ধে
রুয়েটের এক হলে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালু
‎রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ছাত্র হল-২ এ চালু হয়েছে হল ফি পরিশোধের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা। এর ফলে এখন থেকে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে হলের মাসিক ও আনুষঙ্গিক ফি পরিশোধ করতে পারবেন।
রুয়েটের এক হলে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালু
আরও পড়ুন
শিক্ষার্থীদের অদৃশ্য লড়াই ও মানসিক স্বাস্থ্যের সংকট: প্রয়োজন এক সহমর্মী ক্যাম্পাস
বুটেক্সে অনুষ্ঠিত হলো বিদেশে উচ্চশিক্ষাবিষয়ক সেমিনার
ইবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত
হাবিপ্রবিতে তিন দফা দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’