ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম
ছবি প্রতীকী

মাদরাসার যেসব শিক্ষার্থী নিয়মিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি তাদের তাদের দাখিল প্রাইভেট পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড।

রোববার (৩০ আগস্ট) বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেসব মাদরাসা শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি, তাদের দাখিল প্রাইভেট পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০২৭ সালের দাখিল প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ও পরীক্ষার ফরমপূরণের প্রক্রিয়া কয়েকটি নির্দেশনা মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা যাবে।

আরও পড়ুন

নির্দেশনায় বলা হয়, শুধু ২০২৭ সালে দাখিল পরীক্ষার কেন্দ্রস্থিত মাদরাসা থেকে দাখিল প্রাইভেট রেজিস্ট্রেশন ও পরীক্ষার ফরম পূরণ করা যাবে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের বয়স সর্বনিম্ন ১৯ বছর (১ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে) হতে হবে। রেজিস্ট্রেশন ও পরীক্ষার ফরমপূরণ ফি জমা দেওয়া যাবে ৩০ আগস্ট থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তথ্য এন্ট্রি করা যাবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

যে কোনো ব্রাউজার থেকে সরাসরি www.ebmeb.gov.bd প্রবেশ করে e-sife এ গিয়ে প্রতিষ্ঠানের EIIN ও Entry Password দিয়ে লগইন (Login) করতে হবে। এরপর পেমেন্ট অপশনে ক্লিক করে শিক্ষার্থী সংখ্যা এন্ট্রি দিয়ে সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে ২৪১ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হবে।

রেজিস্ট্রেশন ফি সিস্টেমে জমা হওয়ার পরই কেবল শিক্ষার্থীর তথ্য আপলোডের জন্য নতুন এন্ট্রির অপশন পাওয়া যাবে। এন্ট্রি অপশনে গিয়ে আলিম প্রাইভেট সিলেক্ট করতে হবে। এন্ট্রিকৃত শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তথ্যের তালিকার প্রিন্ট আউট নিয়ে ভালভাবে তথ্য যাচাই বাছাই করতে হবে।

আরও পড়ুন

যাচাই-বাছাইয়ে ভুল ধরা পড়লে লিস্টের Edit অপশনে ক্লিক করে তথ্য সংশোধন করতে পারবে। জন্ম নিবন্ধন কার্ড/জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী সব তথ্য এন্ট্রি সম্পন্ন করতে হবে। দাখিল (প্রাইভেট) পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ এক বছর নির্ধারিত (নবায়নযোগ্য নয়)।

চাকরিরত প্রার্থীদের বিজ্ঞপ্তির অন্যান্য শর্ত ঠিক থাকলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে রেজিস্ট্রেশন ও ফরমপূরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। প্রাইভেট পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন ও ফরমপূরনের জন্য যে কোনো আবেদনপত্র গ্রহণ ও বাতিলের ক্ষমতা মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

ডাকযোগে বা সরাসরি রেজিস্ট্রেশন ও পরীক্ষার ফরমপূরণ সংক্রান্ত কোনো আবেদনপত্র গ্রহণ যোগ্য নয়। প্রাইভেট পরীক্ষার্থীরা শুধু সাধারণ ও মুজাব্বিদ শাখায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। প্রাইভেট পরীক্ষার্থী অতিরিক্ত বিষয় গ্রহণ করতে পারবে না।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আল্টিমেটাম পার হওয়ায় উপাচার্যকে তালাবদ্ধ করলেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে উপাচার্য ভবনের ভেতরে রেখেই ভবনের ফটকে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ছাড়ার আলটিমেটাম দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর তারা এ পদক্ষেপ নেন। এর আগে, চলমান ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির মধ্যেই সোমবার সকালে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। পরে উপাচার্য ভবনের ফটকের তালা ভেঙে নিজের দপ্তরে প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন চুয়েট শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান আল সাবিত ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব হোসাইন। উপাচার্য ভবনে প্রবেশের পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাঁকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ছাড়ার আলটিমেটাম দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন না ছাড়লে সেটিকে ‘ভ্যাকেন্ট’ ঘোষণা, ফটকে তালা দেওয়া এবং বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তাঁরা। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপাচার্য ভবনের ভেতরের ফটকে তালা লাগিয়ে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ‘তালা, তালা, তালা হবে, ভিসি ভবন তালা হবে’ এবং ‘প্রত্যাখ্যান, প্রত্যাখ্যান, অনলাইন ভিসি প্রত্যাখ্যান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। উপাচার্য নিয়োগের প্রতিবাদ এবং সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মবিরতি পালন করছেন। আন্দোলন ও কর্মবিরতির কারণে টানা ২০ দিন ধরে চুয়েটে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। উপাচার্য ভবনে তালা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। আরটিভি/এসকে
আল্টিমেটাম পার হওয়ায় উপাচার্যকে তালাবদ্ধ করলেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা
প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ নতুন উপাচার্যের
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থার মধ্যেই প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।
প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ নতুন উপাচার্যের
ঢাবি ভিসির প্রতীকী দায়িত্বে এইচএসসি পড়ুয়া শীতল 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভিসি হিসেবে একদিনের জন্য প্রতীকী দায়িত্ব পালন করেছেন উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়া শীতল। 
ঢাবি ভিসির প্রতীকী দায়িত্বে এইচএসসি পড়ুয়া শীতল 
হাবিপ্রবিতে তিন দফা দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’
দেশের সর্বোত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হওয়া ইনকিলাব মঞ্চের দীর্ঘ পদযাত্রা ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলা অতিক্রম করে রোববার (১১ অক্টোবর) দিনাজপুরে প্রবেশ করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ তারা হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) এসে পৌঁছান। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর পর আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। বক্তব্যে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, গত পাঁচ দিন ধরে দেশের সর্বোত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে আমরা আমাদের এই ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ পদযাত্রা শুরু করেছি। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের কাছে আমরা এই বার্তা দিতে চাই যে, বিচারের দাবিতে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ। সমাবেশে ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয় ১. আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দিল্লি থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার নিশ্চিত করা। ২. গণভোটে জনগণের দেওয়া ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রায় বাস্তবায়ন করা। ৩. জুলাই গণহত্যা, শাপলা চত্বর ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ সমাবেশে তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে তরুণেরা সব রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। সমাবেশ শেষে শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত এবং আন্দোলনকারীদের সুস্থতা ও নিরবচ্ছিন্ন পদযাত্রার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জাবের জানান, ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য জনসমর্থন তৈরি করে সরকারকে সহযোগিতা করা। তবে এ বিষয়ে কোনো টালবাহানা বা চক্রান্ত বরদাশত করা হবে না বলে সতর্ক করে তিনি বলেন, কোনো চক্রান্ত হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের আরও জানান, দিনাজপুরের কর্মসূচি শেষ করে টেকনাফ অভিমুখে তাদের দীর্ঘ পদযাত্রা অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/টিআর
হাবিপ্রবিতে তিন দফা দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’
চুয়েটে রুটিন উপাচার্য মানছেন না শিক্ষার্থীরা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আরাফাত রহমানকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে, সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চুয়েট শিক্ষক সমিতি। এ নিয়ে টানা ২০ দিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে অচলাবস্থা বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন। পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংগঠনগুলোও পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। ধারাবাহিক আন্দোলন কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পরে দুপুর ১টায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক ও পানিসম্পদ কৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সামিউন বাসির বলেন, আন্দোলনের কারণে এ পর্যন্ত বিভিন্ন বর্ষের ১৫টি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া ১২ কার্যদিবসে কোনো ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় ধরনের সেশনজটের আশঙ্কা রয়েছে। তাই আর কালক্ষেপণ না করে বিষয়টি যৌক্তিকভাবে সমাধানের জন্য সরকারের প্রতি আকুল আবেদন জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের বিকল্প উপাচার্য হিসেবে কাউকে তারা দেখছেন না। তাকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের প্রজ্ঞাপন জারি করা না হয়, সে বিষয়েও তারা জোরালো অবস্থান জানাচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলন শেষে দুপুর দেড়টার দিকে শিক্ষকদের একটি মৌন মিছিল উপাচার্য ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়। মিছিলটি শহীদ মিনার প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপাচার্য ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। এর আগে গত শনিবার (১০ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে চুয়েট শিক্ষক সমিতি জানায়, সমিতির ২০২৬-২৭ কার্যকরী পরিষদের জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পূর্বঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি, অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকা এবং অবস্থান ধর্মঘট আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এসব কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এদিকে, চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আরাফাত রহমানকে দুই দিনের জন্য উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সিদ্ধান্তটিকে ‘প্রহসনমূলক’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন তারা। শিক্ষার্থীদের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না পেরে দূর থেকে তথাকথিত ‘অনলাইন ভিসি’ উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এ সিদ্ধান্ত সাধারণ শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যাঁকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপাচার্য হিসেবে মেনে নেননি, তার দেওয়া কোনো রুটিন দায়িত্ব কিংবা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত চুয়েট ক্যাম্পাসে বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না। অধ্যাপক আরাফাত রহমানকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে চুয়েটের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. মঈনুল ইসলাম জানান, অতীতে নিয়ম অনুযায়ী উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব হস্তান্তর করা হলে এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করা হতো। কে দায়িত্ব পেয়েছেন এবং কত দিনের জন্য পেয়েছেন, তা নোটিশের মাধ্যমে জানানো হতো। তবে এবার তারা এ ধরনের কোনো অফিস আদেশ পাননি। ফলে কে দায়িত্ব পেয়েছেন এবং কত দিনের জন্য পেয়েছেন, সে বিষয়ে তারা অবগত নন। চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, এ বিষয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানেন না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অধ্যাপক আরাফাত রহমানের উপাচার্যের দায়িত্ব পাওয়ার খবর দেখেছেন বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণ করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শরিফুল ইসলামকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরবর্তী সময়ে একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতিতে যোগ দেন। ফলে চুয়েটের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। আরটিভি/টিআর
চুয়েটে রুটিন উপাচার্য মানছেন না শিক্ষার্থীরা
আরও পড়ুন
প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের প্রতিবাদে জবিতে জকসুর বিক্ষোভ
এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য আসছে প্রধানমন্ত্রীর নতুন পলিসি
জমিয়ে পরীক্ষা দিলেন নওসাদ, বেরিয়ে বুঝলেন সব গেছে ‘রসাতলে’
প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত