ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

গ্রামীণ জনপদে বাড়ছে উচ্চ রক্তচাপ ও মানসিক সমস্যা 

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে প্রতি ১০ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে প্রায় একজন একইসঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ এবং উদ্বেগ বা বিষণ্নতার মতো মানসিক সমস্যার উপসর্গে ভুগছেন। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, হৃদ্‌রোগ, উচ্চ রক্তচাপের পারিবারিক ইতিহাস, ধূমপান, দীর্ঘমেয়াদি রোগ এবং তামাক ব্যবহার এই যৌথ স্বাস্থ্যসমস্যার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির কারণ।

আন্তর্জাতিক জার্নাল Health Science Reports এ প্রকাশিত গবেষণায় মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রামীণ বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ ও মানসিক সমস্যার যৌথ উপস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত প্রধান ঝুঁকির কারণগুলো শনাক্ত করা হয়েছে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের প্রভাষক ড. মোহাম্মদ রকি খান চৌধুরীর নেতৃত্বে গবেষণাটিতে আরও কাজ করেছেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া স্যান ডিয়েগো, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার মনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকবৃন্দ।

গবেষণার জন্য ২০২১ সালের আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বহুস্তরবিশিষ্ট র‌্যান্ডম নমুনা পদ্ধতিতে ঝিনাইদহ জেলার একটি গ্রামীণ এলাকার ১ হাজার ৬০৩ জন প্রাপ্তবয়স্কের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের উদ্বেগ ও বিষণ্নতার উপসর্গ মূল্যায়নে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত GAD-7 ও PHQ-9 স্কেল ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি তিন দফা রক্তচাপ মাপার মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয় করা হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীদের ৮ দশমিক ৭ শতাংশ একই সঙ্গে মানসিক সমস্যার উপসর্গ ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। এর মধ্যে ৫ দশমিক ২ শতাংশের ক্ষেত্রে উদ্বেগ, বিষণ্নতা ও উচ্চ রক্তচাপ তিনটিই একসঙ্গে ছিল। আবার ২ দশমিক ২ শতাংশের ক্ষেত্রে বিষণ্নতা ও উচ্চ রক্তচাপ এবং ১ দশমিক ৩ শতাংশের ক্ষেত্রে উদ্বেগ ও উচ্চ রক্তচাপ একসঙ্গে পাওয়া যায়।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে এই যৌথ সমস্যার হার ১১ দশমিক ৯ শতাংশ। নারীদের মধ্যে হার ১১ দশমিক ১ শতাংশ, যেখানে পুরুষদের মধ্যে তা ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। আনুষ্ঠানিক শিক্ষা নেই এমন ব্যক্তি, গৃহিণী, স্থূলকায় মানুষ এবং কোমর-নিতম্ব অনুপাত বেশি এমন ব্যক্তিদের মধ্যেও এই সমস্যার হার তুলনামূলক বেশি পাওয়া গেছে। একইভাবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ২৩ দশমিক ৩ শতাংশ, হৃদ্‌রোগে আক্রান্তদের ২৭ দশমিক ৯ শতাংশ এবং যাদের পরিবারে উচ্চ রক্তচাপের ইতিহাস রয়েছে তাদের ১৩ দশমিক ৭ শতাংশের মধ্যে এই যৌথ সমস্যা শনাক্ত হয়েছে।

গবেষকেরা ঝুঁকির কারণ বিশ্লেষণে গ্রেডিয়েন্ট বুস্টিং, কে-নিয়ারেস্ট নেবার, লজিস্টিক রিগ্রেশন, র‌্যান্ডম ফরেস্ট, সাপোর্ট ভেক্টর মেশিন (SVM) এবং এক্সট্রিম গ্রেডিয়েন্ট বুস্টিং—মোট ছয়টি মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করেন। এর মধ্যে সাপোর্ট ভেক্টর মেশিন (SVM) সবচেয়ে কার্যকর ফল দেয়। পরে SHAP বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিভিন্ন ঝুঁকির কারণের গুরুত্ব নির্ধারণ করা হয়। এতে হৃদ্‌রোগ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পূর্বাভাসকারী হিসেবে উঠে আসে। এরপর রয়েছে উচ্চ রক্তচাপের পারিবারিক ইতিহাস, ধূমপানের ইতিহাস, দীর্ঘমেয়াদি রোগ, তামাক ব্যবহার, শিক্ষার স্তর, কোমর-নিতম্ব অনুপাত, কর্মসংস্থানের অবস্থা, শরীরের ভরসূচক (BMI) এবং বয়স।

গবেষণায় বলা হয়েছে, হৃদ্‌রোগ ও দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা শরীরে প্রদাহ এবং মানসিক চাপ বাড়ায়। অন্যদিকে উচ্চ রক্তচাপের পারিবারিক ইতিহাস একজন ব্যক্তিকে জিনগতভাবে বেশি ঝুঁকিতে ফেলে। ধূমপান ও তামাক ব্যবহার রক্তনালির ক্ষতি করে এবং স্নায়ুতন্ত্রে এমন পরিবর্তন ঘটায়, যা একই সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ ও মানসিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

গবেষকদের মতে, গ্রামীণ বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপ ও মানসিক স্বাস্থ্যকে আলাদা সমস্যা হিসেবে না দেখে সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে হৃদ্‌রোগী, উচ্চ রক্তচাপের পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে এমন ব্যক্তি এবং ধূমপায়ী বা তামাক ব্যবহারকারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, ধূমপান ত্যাগ কর্মসূচি এবং পরিবারভিত্তিক সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা উচিত। একই সঙ্গে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা যুক্ত করা, গণস্ক্রিনিং এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন

তবে গবেষণাটির কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেছেন গবেষকেরা। এটি দেশের একটি মাত্র গ্রামীণ এলাকায় পরিচালিত হওয়ায় পুরো বাংলাদেশের চিত্র পুরোপুরি প্রতিফলিত নাও হতে পারে। পাশাপাশি এটি ক্রস-সেকশনাল গবেষণা হওয়ায় কোনো কারণ-সম্পর্ক নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। ব্যবহৃত মেশিন লার্নিং মডেল সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণ শনাক্ত করতে সহায়ক হলেও এর পূর্বাভাস দেওয়ার সক্ষমতা মাঝারি পর্যায়ের বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই গবেষণার ফলাফলকে ভবিষ্যৎ গবেষণার ভিত্তি হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন গবেষকেরা।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রায় ২১ হাজার শিক্ষার্থীর কবি নজরুল কলেজে নেই একটিও ডাস্টবিন
রাজধানীর প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবি নজরুল সরকারি কলেজে প্রায় ২১ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। অথচ পুরো ক্যাম্পাসে নেই বর্জ্য ফেলার কোনো নির্ধারিত স্থান বা ডাস্টবিন।
প্রায় ২১ হাজার শিক্ষার্থীর কবি নজরুল কলেজে নেই একটিও ডাস্টবিন
চুয়েটে অবরুদ্ধ উপাচার্যকে খাবার দিলেন আন্দোলনকারীরা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) প্রশাসনিক ভবন-২ এ প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ রয়েছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমসহ ১১ জন।  মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য সকালের নাস্তা পৌঁছে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দেওয়া আলটিমেটামের সময়সীমা শেষ হওয়ার পরও উপাচার্য ভবন না ছাড়ায় গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভবনের ভেতরের ফটকে তালা লাগিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা।  একই সঙ্গে ভবনটির বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এ সময় তারা ‘তালা, তালা, তালা হবে, ভিসি ভবন তালা হবে’ এবং ‘প্রত্যাখ্যান, প্রত্যাখ্যান, অনলাইন ভিসি প্রত্যাখ্যান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ বিষয়ে পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইজাজ মাহমুদ খাঁন বলেন, নবনিযুক্ত উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকবেন। গতকাল তাকে বের হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পরও তিনি স্বেচ্ছায় অবরুদ্ধ থেকেছেন। আমরা অবরুদ্ধ সবাইকে সকালের খাবার পৌঁছে দিয়েছি। এর আগে, গতকাল সোমবার সকালে উপাচার্য ভবনের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। পরে দুপুর ১২টার দিকে তাকে ভবন ছেড়ে যাওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন না ছাড়ায় তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখেন তাঁরা। আরটিভি/এসআর
চুয়েটে অবরুদ্ধ উপাচার্যকে খাবার দিলেন আন্দোলনকারীরা
প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছি, কী করবে সেটা তাদের ব্যাপার: অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য
দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকায় প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড.শেখ শরীফুল ইসলাম। তবে প্রশাসন কীভাবে তাকে সহায়তা করবে, সেটি তাদের নিজস্ব বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় চুয়েট শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যকে পদত্যাগপূর্বক সম্মানের সাথে বের হয়ে যাওয়ার আল্টিমেটামের ঘোষণা প্রদান করলেও এখন পর্যন্ত সে বিষয়ে কোনো কিছু বলেননি চুয়েট উপাচার্য। গণমাধ্যমকর্মীরা এবিষয়ে আজ সকালে উপাচার্যের সাথে সরাসরি কথা বলতে চাইলেও তিনি রাজি হননি। নিজ কক্ষের সামনে থেকে তিনি বলেন, আমরা এখানে খুবই অমানবিক অবস্থায় আছি। এ অবস্থায় আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি।তারা কীভাবে সহযোগিতা করবে এটা তাদের ব্যাপার। প্রসঙ্গত, গত সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছে নতুন উপাচার্য। বিকেলে হাটহাজারী এলাকায় স্থানীয় ছাত্রদল কর্তৃক চুয়েটগামী বাসের উপর হামলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের এই আল্টিমেটাম আন্দোলন আরও তীব্র হয়। আরটিভি/এসআর
প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছি, কী করবে সেটা তাদের ব্যাপার: অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য
২১ ঘন্টা পেরিয়ে চুয়েটে ২য় দিনের মতো অবরুদ্ধ উপাচার্য
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট)  উপাচার্য ভবনে এখনও অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম, যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আরাফাত রানা, চুয়েট ছাত্রদলের সভাপতি, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অনেক শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত এখনো উপাচার্য ভবন থেকে বের হতে পারেননি তারা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উপাচার্য ভবনে তালা ঝুলছে। গতকাল সোমবার দুপুর ১ টা থেকে অবরুদ্ধ থাকার পর রাত আটটায় চুয়েট শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যকে পদত্যাগপূর্বক উপাচার্য ভবন ত্যাগ করার আল্টিমেটাম প্রদান করলেও উপাচার্য এখন পর্যন্ত এরকম কোনো সিদ্ধান্ত নেননি।  ভেতরে আটকে পড়া নতুন উপাচার্য জানান,তার কাছে শিক্ষার্থীদের কোনো লিখিত দাবি নেই তার কাছে। কোনো বক্তব্যও নেই। তারা যদি লিখিত আকারে দেয়, তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিকে অবহিত করতেন। এছাড়া জানা যায়, অবরুদ্ধ অবস্থায় গতকাল অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তার সাথে থাকা দুজন।  এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার সাথে চারজন এলামনাই সদস্য আছেন, একজন আমার বন্ধু, দুজন বড়ভাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্রও আছে ৬-৭ জন। তারা আন্দোলন করুক, সমস্যা নাই। কিন্তু আমি দপ্তরে আসলাম নয়টায়, তাঁর দুই-তিন ঘন্টার মধ্যেই এভাবে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস লাইন বন্ধ করে দেয়াটা অমানবিক। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, গত সোমবার সকাল নয়টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের ফটকের তালা ভেঙে চুয়েট ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নিজ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন উপাচার্য। এ খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা তাঁকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ছেড়ে যাওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি ভবন ত্যাগ না করায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। গত ২১ সেপ্টেম্বর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণের প্রতিবাদ এবং তাকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।  ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁরা সর্বাত্মক ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করে আসছেন। একই দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও। গতকাল সোমবার তাঁরা অসহযোগ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এ পরিস্থিতিতে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম, পরীক্ষা ও অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আরটিভি/এসআর
২১ ঘন্টা পেরিয়ে চুয়েটে ২য় দিনের মতো অবরুদ্ধ উপাচার্য
চুয়েটে দীর্ঘসময় অবরুদ্ধ উপাচার্য
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অবরুদ্ধ উপাচার্য ভবনের ভেতরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দুইজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী।
চুয়েটে দীর্ঘসময় অবরুদ্ধ উপাচার্য
আরও পড়ুন
গাছের সাদা কষেই বদলাচ্ছে পাহাড়ি জনপদের অর্থনীতি! 
আহত ছাত্রীর চিকিৎসায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুধু শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করানো নয়’
খালেদা জিয়ার নাম থাকায় জোরপূর্বক বদলে ফেলা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নকশা