ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কর্মকর্তাকে গালিগালাজ, দুই দিনের কর্মবিরতিতে বাকৃবির সংস্থাপন শাখা

বাকৃবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩০ পিএম
ছবি প্রতীকী

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অত্যাবশ্যকীয় ভাতার আওতা থেকে খামার ব্যবস্থাপনা শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এর জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে এসে অশালীন ভাষা, ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও সংশ্লিষ্ট কমিটি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন খামার ব্যবস্থাপনা শাখার পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান রেফি। এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন সংস্থাপন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে শাস্তি দাবি করে ২ দিনের কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন সংস্থাপন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন খামার ব্যবস্থাপন শাখার পরিচালক। প্রশাসনিক কাজে সংস্থাপন শাখার কর্মকর্তার অপারদর্শিতা নিয়ে পাল্টা অভিযোগ করেছেন তিনি। অত্যাবশ্যকীয় চাকরি হিসেবে চিহ্নিত খামার ব্যবস্থাপনা শাখার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অত্যাবশ্যকীয় তালিকা থেকে বাতিল করায় উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আজ রেজিস্ট্রার বরাবর পালটা আবেদন করেছেন বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন

সংস্থাপন শাখার কর্মকর্তাদের লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, খামার ব্যবস্থাপনা শাখার কয়েকজনের নাম অত্যাবশ্যকীয় সুবিধার তালিকা থেকে বাদ পড়ার বিষয়ে জানতে জিয়াউর রহমান রেফি প্রথমে ফোনে এবং পরে বিকেলে রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি উচ্চস্বরে কথা বলেন এবং সংশ্লিষ্ট কমিটি, কমিটির সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়ে অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন। এ ধরনের আচরণের কারণে সংস্থাপন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। ভবিষ্যতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে তারা দুই দিনের (১ সেপ্টেম্বর ও ২ সেপ্টেম্বর) কর্মবিরতির সিদ্ধান্তের কথাও জানান অভিযোগপত্রে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের এডিশনাল রেজিস্ট্রার ড. মো. নাজমুল হক স্বপন বলেন, ঘটনার সময় রেজিস্ট্রার ঢাকায় থাকায় আমি ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে ছিলাম। বিকালের দিকে পাশের কক্ষ থেকে উচ্চস্বরে কথা বলার শব্দ শুনে সেখানে যাই। গিয়ে জিয়াউর রহমান রেফিকে সংস্থার শাখার কর্মকর্তা মঞ্জুর হোসেন লিটনের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও কটু ভাষায় কথা বলতে দেখি। পরে আমি বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত শুনি।

অত্যাবশ্যকীয় হিসেবে কর্মকর্তা ও কর্মচারী রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, সিন্ডিকেট ও অর্থ কমিটির মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর যে আদেশ আসে, রেজিস্ট্রার কার্যালয় তা বাস্তবায়ন করে। কোনো শাখায় জরুরি জনবলের প্রয়োজন হলে লিখিতভাবে জানানো যেতে পারে এবং প্রয়োজন বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কমিটি ও কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে। এটার জন্য একজন কর্মকর্তার সঙ্গে আরেকজন কর্মকর্তার অশালীন ভাষায় কথা বলা বা গালিগালাজ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একজন শাখাপ্রধান যদি অন্য কর্মকর্তার সঙ্গে এরকম আচরণ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতিকে নিয়ে অসম্মানজনক ভাষায় কথা বলেন, তাহলে বিষয়টি দুঃখজনক। প্রশাসনের কাছে আমি এ ঘটনার বিচার দাবি করছি।

আরও পড়ুন

অভিযোগের প্রেক্ষিতে খামার ব্যবস্থাপনা শাখার পরিচালক কৃষিবিদ মো. জিয়াউর রহমান রেফি বলেন, ২০১৬ সালে সিন্ডিকেটের অনুমোদনের মাধ্যমে খামার ব্যবস্থাপনা শাখার দুইজন কর্মকর্তা ও তৃতীয় শ্রেণির ৫ জন কর্মচারীকে অত্যাবশ্যকীয় ভাতা দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সেই আদেশ অনুযায়ী তারা এতদিন সুবিধা পেয়ে আসছিলেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট শাখার পরিচালককে কোনোরকম চিঠি না দিয়েই আজ হঠাৎ এ সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পুরাতন আদেশ আজ থেকে আর কার্যকর হবে না এমন কোনোকিছু নতুন আদেশে উল্লেখ করা হয়নি। যে কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের উচিত ছিলো সংশ্লিষ্ট শাখায় চিঠি পাঠানো। তারা চিঠি পাঠালে সেটির প্রেক্ষিতে আমরা অফিসিয়াল চিঠি পাঠাতে পারতাম। আগের সিন্ডিকেট অনুমোদন কেন বন্ধ করা হলো, সে বিষয়ে তাকে কোনো চিঠি দেওয়ার হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

খামার ব্যবস্থাপনা শাখায় অত্যাবশ্যকীয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীর প্রয়োজনীয় নিয়ে তিনি বলেন, এই শাখায় ছুটির দিনেও কাজ করতে হয়। ধান রোপণসহ বিভিন্ন মৌসুমে প্রতিদিন কাজ করতে হয়। অত্যাবশকীয় ভাতার সুবিধা থেকে শাখার কর্মীদের বাদ দিলে ছুটির দিনে কাজ পরিচালনা করা কঠিন হবে। কর্মচারীরা মাঠে কাজ থাকলেও ছুটির দিনে আর আসবেন না।

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার ড. হেলাল উদ্দীন বলেন, আগের সিদ্ধান্তটি সিন্ডিকেট অনুমোদিত ছিল এবং সংশ্লিষ্টরা এতদিন সেই সুবিধা পেয়ে আসছিলেন। আগের আদেশ বাতিল বা আর বহাল থাকবে না এমন কিছু নতুন সিদ্ধান্তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা উচিত ছিল। আগের সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হলে প্রতিবেদনে বা আদেশে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা উচিত ছিল।

আরও পড়ুন

সংস্থাপন শাখার অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, তিনি বর্তমানে বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নন এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যও নন। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি দেখবেন। কোনো কর্মকর্তা যদি মনে করলে যে কোনো সিদ্ধান্তের কারণে তিনি বা তার শাখা বঞ্চিত হচ্ছে, তাহলে রেজিস্ট্রারের কাছে আবেদন করতে পারেন। পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কমিটি বা দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছে পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো কর্মকর্তা কোনো সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে বিধি অনুযায়ী প্রশাসনিকভাবে প্রতিকার চাইতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বা স্ব স্ব কার্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কোনো আচরণ করা যাবে না।

কর্মকর্তাদের কর্মবিরতির সিদ্ধান্তের বিষয়ে রেজিস্ট্রার বলেন, বিষয়টির বিচার না হওয়া অবস্থায় প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা মতামত ছাড়া একতরফাভাবে কর্মবিরতিতে যাওয়ার সুযোগ নেই। এ ধরনের কর্মবিরতি বিধিবহির্ভূত হতে পারে এবং এর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রায় ২১ হাজার শিক্ষার্থীর কবি নজরুল কলেজে নেই একটিও ডাস্টবিন
রাজধানীর প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবি নজরুল সরকারি কলেজে প্রায় ২১ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। অথচ পুরো ক্যাম্পাসে নেই বর্জ্য ফেলার কোনো নির্ধারিত স্থান বা ডাস্টবিন।
প্রায় ২১ হাজার শিক্ষার্থীর কবি নজরুল কলেজে নেই একটিও ডাস্টবিন
চুয়েটে অবরুদ্ধ উপাচার্যকে খাবার দিলেন আন্দোলনকারীরা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) প্রশাসনিক ভবন-২ এ প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ রয়েছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমসহ ১১ জন।  মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য সকালের নাস্তা পৌঁছে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দেওয়া আলটিমেটামের সময়সীমা শেষ হওয়ার পরও উপাচার্য ভবন না ছাড়ায় গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভবনের ভেতরের ফটকে তালা লাগিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা।  একই সঙ্গে ভবনটির বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এ সময় তারা ‘তালা, তালা, তালা হবে, ভিসি ভবন তালা হবে’ এবং ‘প্রত্যাখ্যান, প্রত্যাখ্যান, অনলাইন ভিসি প্রত্যাখ্যান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ বিষয়ে পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইজাজ মাহমুদ খাঁন বলেন, নবনিযুক্ত উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকবেন। গতকাল তাকে বের হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পরও তিনি স্বেচ্ছায় অবরুদ্ধ থেকেছেন। আমরা অবরুদ্ধ সবাইকে সকালের খাবার পৌঁছে দিয়েছি। এর আগে, গতকাল সোমবার সকালে উপাচার্য ভবনের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। পরে দুপুর ১২টার দিকে তাকে ভবন ছেড়ে যাওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন না ছাড়ায় তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখেন তাঁরা। আরটিভি/এসআর
চুয়েটে অবরুদ্ধ উপাচার্যকে খাবার দিলেন আন্দোলনকারীরা
প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছি, কী করবে সেটা তাদের ব্যাপার: অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য
দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকায় প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড.শেখ শরীফুল ইসলাম। তবে প্রশাসন কীভাবে তাকে সহায়তা করবে, সেটি তাদের নিজস্ব বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় চুয়েট শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যকে পদত্যাগপূর্বক সম্মানের সাথে বের হয়ে যাওয়ার আল্টিমেটামের ঘোষণা প্রদান করলেও এখন পর্যন্ত সে বিষয়ে কোনো কিছু বলেননি চুয়েট উপাচার্য। গণমাধ্যমকর্মীরা এবিষয়ে আজ সকালে উপাচার্যের সাথে সরাসরি কথা বলতে চাইলেও তিনি রাজি হননি। নিজ কক্ষের সামনে থেকে তিনি বলেন, আমরা এখানে খুবই অমানবিক অবস্থায় আছি। এ অবস্থায় আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি।তারা কীভাবে সহযোগিতা করবে এটা তাদের ব্যাপার। প্রসঙ্গত, গত সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছে নতুন উপাচার্য। বিকেলে হাটহাজারী এলাকায় স্থানীয় ছাত্রদল কর্তৃক চুয়েটগামী বাসের উপর হামলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের এই আল্টিমেটাম আন্দোলন আরও তীব্র হয়। আরটিভি/এসআর
প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছি, কী করবে সেটা তাদের ব্যাপার: অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য
২১ ঘন্টা পেরিয়ে চুয়েটে ২য় দিনের মতো অবরুদ্ধ উপাচার্য
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট)  উপাচার্য ভবনে এখনও অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম, যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আরাফাত রানা, চুয়েট ছাত্রদলের সভাপতি, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অনেক শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত এখনো উপাচার্য ভবন থেকে বের হতে পারেননি তারা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উপাচার্য ভবনে তালা ঝুলছে। গতকাল সোমবার দুপুর ১ টা থেকে অবরুদ্ধ থাকার পর রাত আটটায় চুয়েট শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যকে পদত্যাগপূর্বক উপাচার্য ভবন ত্যাগ করার আল্টিমেটাম প্রদান করলেও উপাচার্য এখন পর্যন্ত এরকম কোনো সিদ্ধান্ত নেননি।  ভেতরে আটকে পড়া নতুন উপাচার্য জানান,তার কাছে শিক্ষার্থীদের কোনো লিখিত দাবি নেই তার কাছে। কোনো বক্তব্যও নেই। তারা যদি লিখিত আকারে দেয়, তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিকে অবহিত করতেন। এছাড়া জানা যায়, অবরুদ্ধ অবস্থায় গতকাল অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তার সাথে থাকা দুজন।  এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার সাথে চারজন এলামনাই সদস্য আছেন, একজন আমার বন্ধু, দুজন বড়ভাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্রও আছে ৬-৭ জন। তারা আন্দোলন করুক, সমস্যা নাই। কিন্তু আমি দপ্তরে আসলাম নয়টায়, তাঁর দুই-তিন ঘন্টার মধ্যেই এভাবে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস লাইন বন্ধ করে দেয়াটা অমানবিক। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, গত সোমবার সকাল নয়টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের ফটকের তালা ভেঙে চুয়েট ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নিজ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন উপাচার্য। এ খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা তাঁকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ছেড়ে যাওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি ভবন ত্যাগ না করায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। গত ২১ সেপ্টেম্বর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণের প্রতিবাদ এবং তাকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।  ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁরা সর্বাত্মক ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করে আসছেন। একই দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও। গতকাল সোমবার তাঁরা অসহযোগ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এ পরিস্থিতিতে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম, পরীক্ষা ও অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আরটিভি/এসআর
২১ ঘন্টা পেরিয়ে চুয়েটে ২য় দিনের মতো অবরুদ্ধ উপাচার্য
চুয়েটে দীর্ঘসময় অবরুদ্ধ উপাচার্য
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অবরুদ্ধ উপাচার্য ভবনের ভেতরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দুইজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী।
চুয়েটে দীর্ঘসময় অবরুদ্ধ উপাচার্য
আরও পড়ুন
সপ্তম দিনেও থামেনি চুয়েট আন্দোলন, প্রধান ফটকে ‘৫৬’ বলের ক্রিকেট
চুয়েটে উপাচার্য পুনর্বহালের আন্দোলন: শাটডাউনে শিক্ষার্থীরা, শিক্ষকরা সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে
সাংবাদিকদের ‘ধান্দাবাজ-ভন্ড’ বললেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা
ব্রুসেলোসিসে কমছে গাভীর দুধ, বছরে আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি: বাকৃবির গবেষণা