ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘রিডিউস প্লাস্টিক, গো গ্রিন’ কর্মসূচি পালন

গবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
ছবি: আরটিভি

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) ‘রিডিউস প্লাস্টিক, গো গ্রিন’ প্রতিপাদ্যে কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঁচটি প্লাস্টিকের বোতলের বিনিময়ে একটি করে চারাগাছ বিতরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ৩৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, ‘রিডিউস প্লাস্টিক, গো গ্রিন’ কর্মসূচিটি একটু ব্যতিক্রমধর্মী। আমরা জানি, আমাদের দেশের অবস্থা কী। প্রচণ্ড গরমে নাগরিকদের অবস্থা বেহাল। একটি দেশের ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল থাকা উচিত, কিন্তু তার তুলনায় আমাদের দেশে অনেক কম পরিমাণ বনাঞ্চল রয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে সবাই গাছ লাগাতে অনুপ্রাণিত হবে বলে আশা করি।

আয়োজন সম্পর্কে ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আফরোজা সিদ্দিকা বলেন, যেকোনো জিনিস অপচয় না করে তা পুনরায় ব্যবহার করার মাধ্যমে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সুন্দর পরিবেশ উপহার দিতে পারি। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন, যিনি কখনো কোনো কিছু অপচয় করতেন না। এই কর্মসূচির মাধ্যমে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করছি।

আয়োজকদের পক্ষে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মারুফা ইসলাম জানান, আমাদের ইংরেজি বিভাগের উদ্যোগে ‘রিডিউস প্লাস্টিক, গো গ্রিন’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সুন্দর পরিবেশ উপহার দেওয়া। পাঁচটি প্লাস্টিকের বোতলের বিনিময়ে আমরা একটি চারাগাছ দিচ্ছি। এর ফলে আমাদের আশপাশের পরিবেশ প্লাস্টিকমুক্ত হয়ে যাবে। আর বেশি বেশি গাছ লাগালে তা আমাদের পরিবেশের জন্য খুবই উপকারী। আমরা ভাবিনি এত শিক্ষার্থী সমাগম হবে। এত শিক্ষার্থীর সমাগম দেখা অনেক আনন্দের বিষয়।

কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী জিহাদ হোসেন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির ভিত্তিতে ‘রিডিউস প্লাস্টিক, গো গ্রিন’ উদ্যোগটি খুবই প্রশংসনীয়। এর মাধ্যমে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্ম হবে। আমরা চাই, এমন কর্মসূচি আরও হোক।

সার্বিক বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক নিরঞ্জন বিশ্বাস বলেন, বর্তমান বিশ্বে, বিশেষ করে আগামী প্রজন্মের জন্য সবচেয়ে বড় সংকট হচ্ছে অক্সিজেনের সংকট। একদিকে অক্সিজেনের উৎসগুলো নানা প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও মানুষের কর্মকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে আধুনিক জীবনযাপনে কার্বন উৎপাদন বাড়ছে। তাই পরিবেশ রক্ষায় আমাদের দায়িত্বশীল হতে হবে। আমাদের বিভাগের অষ্টম সেমিস্টারের বিদায়ী শিক্ষার্থীরা উদ্ভাবনী কিছু করার চিন্তা থেকে এই কর্মসূচির উদ্যোগ নেয়। পাঁচটি প্লাস্টিকের বোতলের বিনিময়ে একটি করে গাছ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। শিক্ষার্থীরা নিজেরাই ফান্ড তৈরি করে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে প্রায় দেড় শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ ও বনজ গাছ বিতরণ করা হয়।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হলের কক্ষে ‘সুইসাইড নোট' রেখে নিখোঁজ জাবি শিক্ষার্থী, থানায় জিডি
রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ৮ মিনিটে হলের সামনে থেকে বাসে ওঠেন মোহাইমিনুল। এরপর থেকেই তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। 
হলের কক্ষে ‘সুইসাইড নোট' রেখে নিখোঁজ জাবি শিক্ষার্থী, থানায় জিডি
আল্টিমেটাম পার হওয়ায় উপাচার্যকে তালাবদ্ধ করলেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে উপাচার্য ভবনের ভেতরে রেখেই ভবনের ফটকে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ছাড়ার আলটিমেটাম দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর তারা এ পদক্ষেপ নেন। এর আগে, চলমান ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির মধ্যেই সোমবার সকালে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। পরে উপাচার্য ভবনের ফটকের তালা ভেঙে নিজের দপ্তরে প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন চুয়েট শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান আল সাবিত ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব হোসাইন। উপাচার্য ভবনে প্রবেশের পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাঁকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ছাড়ার আলটিমেটাম দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন না ছাড়লে সেটিকে ‘ভ্যাকেন্ট’ ঘোষণা, ফটকে তালা দেওয়া এবং বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তাঁরা। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপাচার্য ভবনের ভেতরের ফটকে তালা লাগিয়ে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ‘তালা, তালা, তালা হবে, ভিসি ভবন তালা হবে’ এবং ‘প্রত্যাখ্যান, প্রত্যাখ্যান, অনলাইন ভিসি প্রত্যাখ্যান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। উপাচার্য নিয়োগের প্রতিবাদ এবং সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মবিরতি পালন করছেন। আন্দোলন ও কর্মবিরতির কারণে টানা ২০ দিন ধরে চুয়েটে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। উপাচার্য ভবনে তালা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। আরটিভি/এসকে
আল্টিমেটাম পার হওয়ায় উপাচার্যকে তালাবদ্ধ করলেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা
প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ নতুন উপাচার্যের
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থার মধ্যেই প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।
প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ নতুন উপাচার্যের
ঢাবি ভিসির প্রতীকী দায়িত্বে এইচএসসি পড়ুয়া শীতল 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভিসি হিসেবে একদিনের জন্য প্রতীকী দায়িত্ব পালন করেছেন উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়া শীতল। 
ঢাবি ভিসির প্রতীকী দায়িত্বে এইচএসসি পড়ুয়া শীতল 
হাবিপ্রবিতে তিন দফা দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’
দেশের সর্বোত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হওয়া ইনকিলাব মঞ্চের দীর্ঘ পদযাত্রা ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলা অতিক্রম করে রোববার (১১ অক্টোবর) দিনাজপুরে প্রবেশ করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ তারা হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) এসে পৌঁছান। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর পর আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। বক্তব্যে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, গত পাঁচ দিন ধরে দেশের সর্বোত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে আমরা আমাদের এই ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ পদযাত্রা শুরু করেছি। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের কাছে আমরা এই বার্তা দিতে চাই যে, বিচারের দাবিতে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ। সমাবেশে ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয় ১. আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দিল্লি থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার নিশ্চিত করা। ২. গণভোটে জনগণের দেওয়া ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রায় বাস্তবায়ন করা। ৩. জুলাই গণহত্যা, শাপলা চত্বর ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ সমাবেশে তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে তরুণেরা সব রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। সমাবেশ শেষে শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত এবং আন্দোলনকারীদের সুস্থতা ও নিরবচ্ছিন্ন পদযাত্রার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জাবের জানান, ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য জনসমর্থন তৈরি করে সরকারকে সহযোগিতা করা। তবে এ বিষয়ে কোনো টালবাহানা বা চক্রান্ত বরদাশত করা হবে না বলে সতর্ক করে তিনি বলেন, কোনো চক্রান্ত হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের আরও জানান, দিনাজপুরের কর্মসূচি শেষ করে টেকনাফ অভিমুখে তাদের দীর্ঘ পদযাত্রা অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/টিআর
হাবিপ্রবিতে তিন দফা দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’
আরও পড়ুন
গবিতে খেলার মাঠের বিরোধে কয়েক দফা সংঘর্ষ, শিক্ষককে হেনস্তা
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস উদযাপন
‘রগ কেটে ইতিহাস তৈরি’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন গকসুর এজিএস
আপত্তিকর ক্যাপশনসহ নারী শিক্ষার্থীদের ভিডিও প্রচার করতেন যুবক, অতঃপর...