ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস উদযাপন

গবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ পিএম
ছবি : আরটিভি

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিলো 'Empowering Pharmacists to Power Healthcare Futures'।

রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগে দিবসটি পালিত হয়। দিবস ঘিরে আয়োজিত হয় আলোচনা অনুষ্ঠান এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন।

বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস উপলক্ষে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন হয় এবং উপস্থিত অতিথিরা দিবসটির উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরে ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানিয়া আহমেদ তন্বী বলেন, 'প্রতি বছর ২৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস পালন করা হয় এবারের প্রতিপাদ্যে পরিবেশের বার্তা দেয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফার্মাসিস্টদের ক্ষমতায়নের জন্য জরুরি মাত্র ইন্ডাস্ট্রি বেসড না থাকা, হসপিটাল এবং কমিউনিটি ফার্মাসিস্টদের শক্তিশালী করা তাহলেই যেই এন্টিবায়োটিক রেসিস্টেন্স বা ড্রাগ ইরেশনাল ইউজ বন্ধ করা সম্ভব। স্বাস্থ্যখাতে উন্নতির জন্য ফার্মাসিস্টদের ক্ষমতায়ন জরুরি।'

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন বলেন, 'বাংলাদেশে নিরাপদ ও কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ ব্যবহার এবং অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে ফার্মাসিস্টরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। কমিউনিটি ও হাসপাতাল—উভয় ক্ষেত্রেই রোগীকে সঠিক পরামর্শ ও ওষুধ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা আমাদের লক্ষ্য।'

ফার্মেসি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ফারজানা পারুল ভবিষ্যৎ ফার্মাসিস্টদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'তোমরাই আগামী দিনের দক্ষ, মানবিক ও দায়িত্বশীল ফার্মাসিস্ট। তাই শুধু ভালো পেশাজীবী নয়, একজন ভালো মানুষ হিসেবেও নিজেদের গড়ে তোলো। আসুন, জ্ঞান, নৈতিকতা ও সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী করি।

এসময় অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হোসেন, ছাত্র উপদেষ্টা সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শাহ আলম এবং ফার্মেসি বিভাগের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কাটছে না লিফটের বিপত্তি, একই দিনে দুই ঘটনায় আতঙ্ক
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের লিফট নিয়ে বারবার সংবাদ প্রকাশের পরও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে একই ভবনের দুটি লিফটে পৃথক ঘটনায় নতুন করে ভোগান্তি ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। একটি লিফটের দরজা খুলে কেবিনের পরিবর্তে ফাঁকা জায়গা দেখা যায়। অন্য একটি লিফট মাঝপথে আটকে পড়ায় চার ছাত্রীকে সেখান থেকে উদ্ধার করতে হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে একাডেমিক ভবনের নিচতলায় কয়েকজন শিক্ষার্থী লিফটের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় বাম পাশের লিফটটি গ্রাউন্ড ফ্লোরে অবস্থান করছে বলে সংকেত দেখাচ্ছিল। দরজা খোলার পর ভেতরে লিফটের কেবিন না থাকায় শিক্ষার্থীরা চমকে যান। দরজার ওপাশে পুরো জায়গাটিই ফাঁকা দেখা যায়। এ ঘটনায় সেখানে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। এর কিছুক্ষণ পর একই ভবনের চতুর্থ তলায় আরেকটি লিফটে চার ছাত্রী আটকা পড়ার খবর আসে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, লিফটটি কোনো ফ্লোরে পুরোপুরি না থেমে দুই ফ্লোরের মাঝামাঝি অবস্থানে আটকে রয়েছে। পরে উপস্থিত ব্যক্তিদের সহযোগিতায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় তাদের লিফট থেকে বের করে আনা হয়। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবির মাহমুদ বলেন, “নিচতলায় লিফটের জন্য অপেক্ষা করার সময় বাম পাশের লিফটটি গ্রাউন্ড ফ্লোরে দেখাচ্ছিল। দরজা খোলার পর দেখি, ভেতরে কোনো কেবিন নেই, পুরো জায়গাটা ফাঁকা। বিষয়টি দেখে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। পরে জানতে পারি, ওপরের দিকে চারজন ছাত্রী লিফটে আটকা পড়েছেন। সেখানে গিয়ে দেখি, লিফটটি ফ্লোরের মাঝামাঝি আটকে আছে। পরে তাদের বের করে আনা হয়। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই সমস্যাটির স্থায়ী সমাধান করা প্রয়োজন।” পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, এটি প্রথমবার নয়, এর আগেও লিফটে আটকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। মাঝে মাঝে লিফট থেকে অস্বাভাবিক শব্দ শোনা যায়। কখনো কখনো নির্ধারিত ফ্লোরে না থেমে গ্রাউন্ড ফ্লোরে চলে আসে। একটি লিফটে ডিসপ্লে না থাকায় সেটি কোন অবস্থানে রয়েছে, তা বোঝাও কঠিন। এসব কারণে লিফট ব্যবহার নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভয় ও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। দ্রুত সব লিফটের পূর্ণাঙ্গ কারিগরি পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একাডেমিক ভবনের লিফটগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি দেখা যাচ্ছে। এর আগে লিফট বিকল হয়ে ব্যবহারকারীদের আটকে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। এসব বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ফলে ভবনের লিফট ব্যবহার নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, আজকের ঘটনায় বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে লিফটে সমস্যা হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছি। তবে লিফটে আরও কিছু কারিগরি ত্রুটি রয়েছে। সেগুলোর সংস্কার ও সমাধানের কাজ ইতোমধ্যে প্রক্রিয়াধীন। আমরা বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। আশা করছি, দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করে সমস্যাগুলোর সমাধান করা সম্ভব হবে। আরটিভি/এসআর
কাটছে না লিফটের বিপত্তি, একই দিনে দুই ঘটনায় আতঙ্ক
যৌন নিপীড়ন ও প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শাস্তিপ্রাপ্ত কুবির তিন শিক্ষকের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
যৌন নিপীড়ন ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে পদাবনতি হওয়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) দুই শিক্ষককে পুনরায় আগের পদে বহাল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
যৌন নিপীড়ন ও প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শাস্তিপ্রাপ্ত কুবির তিন শিক্ষকের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
গবিতে খেলার মাঠের বিরোধে কয়েক দফা সংঘর্ষ, শিক্ষককে হেনস্তা
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলার মাঠে বিরোধের জেরে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ফার্মেসি বিভাগের এক শিক্ষককে ধাক্কা দিয়ে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।
গবিতে খেলার মাঠের বিরোধে কয়েক দফা সংঘর্ষ, শিক্ষককে হেনস্তা
রাবি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বসছে লিফট, থাকছে ‘ডিজেবল কর্ণার’
ছয় দশক পর বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে যুক্ত হচ্ছে লিফট, পৃথক টয়লেট, ডিজেবল কর্ণারসহ নানান সুযোগ সুবিধা। 
রাবি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বসছে লিফট, থাকছে ‘ডিজেবল কর্ণার’
চীনের সহযোগিতায় চবিতে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) যাত্রা শুরু করেছে ‘কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট’। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে ইনস্টিটিউটটির উদ্বোধন করা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের ইয়ুননান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট। বাংলাদেশে এটি চতুর্থ কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট এবং দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে প্রথম। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের অক্টোবরে চাইনিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন ফাউন্ডেশনের অনুমোদন পাওয়ার পর একই বছরের নভেম্বরে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ কনফারেন্স’-এ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও ইয়ুননান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনস্টিটিউটটির কার্যক্রম শুরু হলো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চীনের সিপিসি ইয়ুননান প্রাদেশিক কমিটির স্থায়ী কমিটির সদস্য চাও চুনমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। অনুষ্ঠানে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এটি একটি স্মরণীয় মাইলফলক। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং বন্ধুত্বের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটকে শুধু ভাষা শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে না দেখে দুই দেশের মানুষ, সংস্কৃতি ও চিন্তাধারাকে যুক্ত করার একটি শক্তিশালী সেতু হিসেবে উল্লেখ করেন উপাচার্য। তিনি বলেন, ইনস্টিটিউটটির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য চীনা ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং দেশটির আধুনিক উন্নয়ন সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হবে। অধ্যাপক আল্-ফোরকান আরও বলেন, মানসম্পন্ন ভাষা শিক্ষা ও গবেষণা বিনিময়ের সুযোগ তরুণ প্রজন্মের একাডেমিক গতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক গবেষণার ক্ষেত্রকে আরও বিস্তৃত করবে। একই সঙ্গে পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এ উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি। ইয়ুননান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্টি কমিটির সম্পাদক রুয়ান ছাওছি বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আরও দক্ষ শিক্ষক পাঠানোর পাশাপাশি বাংলাদেশি তরুণদের চীনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে সহযোগিতা করবে তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়। কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট দুই দেশের তরুণদের চীনা ভাষা শেখার পাশাপাশি পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও বোঝাপড়া বাড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ সেতু হিসেবে কাজ করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রধান অতিথি চাও চুনমিন বলেন, ইয়ুননান প্রদেশ কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের কার্যক্রমে ধারাবাহিকভাবে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে দুই বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের বৈশিষ্ট্য ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে ইনস্টিটিউটটিকে আরও সমৃদ্ধভাবে গড়ে তুলতে সহায়তা করা হবে। বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের শিল্পায়ন এবং বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল তৈরিতে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা, অর্থনীতি ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন আশা প্রকাশ করে বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট নতুন উদ্যোগ ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দেশের অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যও দৃষ্টান্ত তৈরি করবে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম, ইয়ুননান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্টি কমিটির সম্পাদক রুয়ান ছাওছি, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, চবি ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, চীনা প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। পরে অতিথিরা সম্মিলিতভাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের নামফলক উন্মোচন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে ছিল দুই দেশের সংস্কৃতির নানা পরিবেশনা। ইয়ুননান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশনায় ঐতিহ্যবাহী সিংহনৃত্য এবং চীনা মার্শাল আর্ট ‘দ্য উশু স্পিরিট অব চায়না’ দর্শকদের আকর্ষণ করে। অন্যদিকে বিকেএসপির পরিবেশনায় ছিল ‘দ্য রিদমস অব বাংলাদেশ’। ইয়ুননান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যয়নরত চীনা শিক্ষার্থীরাও বাংলা গান পরিবেশন করেন। বাংলাদেশ ও চীনের শিল্পী-শিক্ষার্থীদের এসব পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দুই দেশের সংস্কৃতির বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক বন্ধুত্বের চিত্র ফুটে ওঠে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রথম কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এ প্রতিষ্ঠান চীনা ভাষা শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে দুই দেশের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের মধ্যে যোগাযোগ এবং পারস্পরিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগও বাড়াবে প্রতিষ্ঠানটি। আরটিভি/এসআর  
চীনের সহযোগিতায় চবিতে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট
আরও পড়ুন
গবিতে খেলার মাঠের বিরোধে কয়েক দফা সংঘর্ষ, শিক্ষককে হেনস্তা
আজ বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘রিডিউস প্লাস্টিক, গো গ্রিন’ কর্মসূচি পালন
‘রগ কেটে ইতিহাস তৈরি’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন গকসুর এজিএস