ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

হরমুজ খুলতে নতুন আল্টিমেটাম ট্রাম্পের, ইরানের কড়া জবাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৬ এএম
ফাইল ছবি

জ্বালানি তেল পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানকে নতুন সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, আগামী মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৮টার মধ্যে সব দেশের জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে ইরানের জন্য সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংস করে দেবে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী।

তবে, ট্রাম্পের এই হুমকির কড়া জবাব দিয়েছে ইরানও। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালি আর কখনোই আগের অবস্থায় ফিরবে না, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য তা চিরতরে বদলে গেছে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) রয়টার্স ও আল জাজিরার পৃথক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে রোববার একটি পোস্টে ইরানকে আল্টিমেটাম দিয়ে ট্রাম্প লিখেন, ‘মঙ্গলবার, রাত ৮টা পূর্বাঞ্চলীয় সময়!’ পোস্টে এর বেশি আর কিছু লেখেননি তিনি।

পরে একইদিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ইরান যদি যুদ্ধবিরতিতে এগিয়ে না আসে এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধই রাখতে চায়, তাহলে তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বলতে আর কিছু থাকবে না। পুরো ইরানে যত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে— সব ধ্বংস করা হবে।’

আগের দিন শনিবারও হরমুজ ইস্যুতে হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেদিন তিনি বলেছিলেন, ‘মঙ্গলবার হবে ইরানের জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র আর সেতু দিবস; সব কিছু গুঁড়িয়ে এক করে দেওয়া হবে, এরকম আর হয়নি। এখনই হরমুজ প্রণালি খুলে দাও, পাগল বেজম্মারা, না হলে তোমাদের জাহান্নামে পড়তে হবে। শুধু দেখো, আল্লাহর কাছে দোয়া করো।’

আরও পড়ুন

হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে গত কয়েক সপ্তাহে ইরানকে বেশ কয়েকবার এমন আল্টিমেটাম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে, ইরানও ট্রাম্পের এসব হুমকি-ধমকি পাত্তা না দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এবারও তার আল্টিমেটামের কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা এক বিবৃতিতে ঘোষণা দিয়েছে, হরমুজ প্রণালি আর কখনোই আগের অবস্থায় ফিরবে না, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য তা চিরতরে বদলে গেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পারস্য উপসাগরের জন্য ইরানের কর্মকর্তারা যাকে ‘নতুন ব্যবস্থা’ বলে জানিয়েছেন, তা কার্যকর করার লক্ষ্যে তারা এখন সামরিক প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছেন।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের পার্লামেন্টারি কমিটিতে একটি খসড়া আইন অনুমোদনের কয়েক দিন পর এই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। আইনটিতে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ট্রানজিট ফি বা যাতায়াত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

ইরানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবনা অনুযায়ী, যাতায়াত শুল্ক ইরানের জাতীয় মুদ্রায় পরিশোধ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জাহাজ চলাচলের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তাবও রাখা হয়েছে খসড়া আইনে। সেইসঙ্গে যেসব দেশ ইরানের ওপর একতরফা নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে, তাদের ওপরও বিধি-নিষেধ আরোপের সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া, নতুন পরিকল্পনায় প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্ব, সশস্ত্র বাহিনীর কর্তৃত্ব, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, পরিবেশগত বিষয় এবং ওমানের সঙ্গে আইনি সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, আরব সাগর এবং পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করা হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ রুট। প্রতিদিন বিশ্বে যত তেল ও তরল গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে, সেসবের ২০ শতাংশই এই রুট ব্যবহার করে।

হরমুজ প্রণালিকে ‘জ্বালানির বৈশ্বিক দরজা’ও বলা হয়, কারণ মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো এই পথ ব্যবহার করেই তাদের তেল রপ্তানি করে। হরমুজ না থাকলে মধ্যপ্রাচ্যের তেল সহজে পশ্চিমা বিশ্বে সরবরাহ করা যেত না।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি করে ইরান। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ঘোষণা দেয়— হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের মিত্রদেশগুলোর জাহাজ চলাচল করলে সেসব জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে গুরুত্বপূর্ণ এ বাণিজ্যপথে ১২টিরও বেশি জাহাজে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা।

নিরাপত্তা সংকটের কারণে স্বাভাবিকভাবেই হরমুজ দিয়ে এখন জাহাজ চলাচল কমে গেছে এবং তার প্রভাবে বাজারে বাড়ছে জ্বালানি তেল-গ্যাসের দাম। ফলে, ট্রাম্পের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর চাপও বাড়ছে ক্রমশ।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আবারও সৌদিতে সতর্কতা জারি
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধাদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংসের দাবি করেছে দেশটির নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।
আবারও সৌদিতে সতর্কতা জারি
সৌদি আরবে হঠাৎ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি, ঘটনা কী
সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘন কুয়াশা এবং মাঝারি থেকে ভারী বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। এ আশঙ্কায় দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে রেড ও অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করেছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর মেটিওরোলজি (এনসিএম)। রোববার (১ নভেম্বর) এক সতর্কবার্তায় এনসিএম জানায়, ঘন কুয়াশার কারণে পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের কিছু অংশে দুটি রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই অঞ্চলের অন্যান্য অংশে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। আবহাওয়ার ক্ষেত্রে রেড অ্যালাটের মানে হল গুরুতর আবহাওয়াজনিত বিপদের সতর্কতা, আর অরেঞ্জ অ্যালার্ট মানে সম্ভাব্য বিপজ্জনক আবহাওয়ার আগাম সতর্কতা। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, নর্দান বর্ডার, হাইল, মক্কা, আসির, আল-বাহা ও জাজান অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি বৃষ্টিপাতের জন্য ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, মদিনা, হাইল এবং নর্দার্ন বর্ডারস অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড় হতে পারে। একইসঙ্গে শিলাবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এর ফলে আকস্মিক বন্যা হতে পারে। এসব অঞ্চলের পাশাপাশি রিয়াদ ও আল-কাসিমের কিছু এলাকায় ধুলো ও বালুঝড় সৃষ্টিকারী প্রবল বায়ু ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে। আরটিভি/এসআর
সৌদি আরবে হঠাৎ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি, ঘটনা কী
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সংঘাতে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক, বলছে মিশর
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বাজতে শুরু করেছে যুদ্ধের দামামা। তবে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক হবে বলে সতর্ক করেছে মিশর।   
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সংঘাতে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক, বলছে মিশর
হেরে গিয়ে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান নেতানিয়াহু, দাবি বিরোধীদের
ইসরায়েলের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে কাতার ও তুরস্কের মতো বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার এই দাবিকে পরাজয়ের গ্লানি ঢাকার চেষ্টা আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিরোধী শিবিরের গাদি আইজেনকট।  এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে আরব দলগুলোর প্রাপ্ত তহবিলের উৎস খতিয়ে দেখতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেইতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব অভিযোগকে হাস্যকর ও বিপজ্জনক বলে উড়িয়ে দিয়েছে।  দোহার বিরুদ্ধে ইসরায়েলি রাজনীতিকেরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছে দেশটি। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে এটা স্পষ্ট-নেতানিয়াহুর জোট কিংবা বিরোধী জোট, কোনো পক্ষ পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।  আরব ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে সব সমীকরণ পাল্টে গেছে। ১২০ আসনের নেসেটে দুটি আরব দলের জোট জয়েন্ট লিস্ট এবং রাআম রেকর্ড ১৯টি আসন পেয়েছে। নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি আসন এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের জোট ৪৮টি আসন পেয়েছে। এমন ফলাফলে আরব দল দুটি এখন সরকার গঠনের প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠেছে। নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিষয়ে গুরুতর সন্দেহের তদন্ত করতে শিন বেইতকে অনুরোধ জানান কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির (সিইসি) প্রধান। এরপর বৃহস্পতিবার লিকুদ পার্টি অভিযোগ তোলে যে আরব দলগুলোকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের ঘুষ দেওয়া হয়েছে। দুটি আরব দলই এই অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ আরবদের জোট জয়েন্ট লিস্ট এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে। নেতানিয়াহুর সমালোচকেরা এই পুরো বিতর্ককে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, নেতানিয়াহু আরব দলগুলোর বৈধতা নষ্ট করতে চাইছেন। যাতে আইজেনকট তাদের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা করতে না পারেন। কারণ, বর্তমানে আরবদের সমর্থনই বিরোধী জোটের ক্ষমতায় যাওয়ার একমাত্র পথ। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির কাছে একটি অভিযোগ আসে যে আরব এলাকায় ভোটারদের উপস্থিতি বাড়াতে কাতার তহবিল জুগিয়েছে। তবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই দাবি সম্পূর্ণভাবে নাকচ করেছে। নেতানিয়াহু এবং তার দল লিকুদ এই অভিযোগকে রাজনৈতিক ভূমিকম্প এবং গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হিসেবে আখ্যা দেয়। তাদের দাবি-কট্টর ডানপন্থী সরকারকে হটাতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে শিন বেইত পরবর্তী সময়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের এই তদন্ত বৈধভাবে ভোট দেওয়া পুরো আরব সম্প্রদায়কে প্রশ্নবিদ্ধ করে না। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ডিন লিভনে জানান, নির্বাচনের স্বচ্ছতা পদ্ধতিগতভাবে লঙ্ঘনের কোনো প্রমাণ মেলেনি। তদন্তের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর আইজেনকট জানান, ঠিক কী ঘটেছে বা আদৌ কিছু ঘটেছে কি না, তা বলার সময় এখনো আসেনি। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনের ফলাফলকে অবৈধ প্রমাণ করতে নেতানিয়াহু সুপরিকল্পিত প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন। জয়েন্ট লিস্টের শরিক দল বালাদের চেয়ারম্যান সামি আবু শেহাদেহ এই অভিযোগ উড়িয়ে দেন। পরাজিত পক্ষ বর্ণবাদী মিথ্যা অপবাদ তৈরি করছে এবং নির্বাচনের ফল উল্টে দিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে বলপ্রয়োগের আহ্বান জানাচ্ছে বলে দাবি তার। নেতানিয়াহু কয়েক দিন ধরে আরব ভোটার ও দলগুলোর ওপর ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ করে আসছেন। নির্বাচনের দিন তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, আরব ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি ডানপন্থীদের জন্য চরম জরুরি অবস্থা এবং এটি তাদের বেঁচে থাকার প্রশ্ন। ডানপন্থী সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে টানতে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি আরব ভোটারদের ছবিও প্রকাশ করেন। ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আরব নাগরিক। তাদের অনেকে নিজেদের ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিক হিসেবে পরিচয় দেন। বহুবছর ধরে অনেক আরব ভোটাররা ইসরায়েলের নির্বাচন বর্জন করে আসছিলেন। তাদের বক্তব্য ছিল-ভোট দিলে এমন একটি ব্যবস্থাকে বৈধতা দেওয়া হয়, যেখানে তাদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে দেখা হয়; কিন্তু এবার নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে কট্টর ডানপন্থী জোট সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যেই তারা বিপুলসংখ্যক ভোট দিয়েছেন। আরটিভি/এসআর  
হেরে গিয়ে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান নেতানিয়াহু, দাবি বিরোধীদের
আরব পাঠ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন শিশু মায়ার
আরব বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পাঠ প্রতিযোগিতা ‘আরব রিডিং চ্যালেঞ্জ’-এর দশম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মিসরের ১১ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মায়ার ওসমান।
আরব পাঠ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন শিশু মায়ার
আরও পড়ুন
ইরানের হামলার আগে নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বললেন ট্রাম্প
ইরানে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিতে মিত্রদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র
ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রে সহিংস অপরাধ কমেছে ২৫ শতাংশ: হোয়াইট হাউস
‘আমার সমর্থনেই নেতানিয়াহুর পরাজয় ঠেকেছে’, দাবি ট্রাম্পের