ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

সৌদির জ্বালানি স্থাপনায় হুতিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
সৌদি রাজধানীর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জ্বালানি ট্যাংক থেকে কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ এবং লোহিত সাগর উপকূলীয় অঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া আল-সারিয়া অনলাইনে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, রিয়াদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং উপকূলীয় শহর ইয়ানবুতে সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। সম্প্রতি সানায় সৌদি জোটের বিমান হামলা এবং ইয়েমেনজুড়ে ৩০০টিরও বেশি হামলার জবাবেই তারা বিপুলসংখ্যক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে এই সমন্বিত আক্রমণ চালিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রিয়াদের দিকে ধেয়ে আসা একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা সফলভাবে ধ্বংস করেছে। তবে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছের একটি জ্বালানি ট্যাংকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়, যা কিছু সময়ের জন্য বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায়। এর পাশাপাশি বিশ, তাইফ, ফারাসান ও ইয়ানবু শহরে চালানো আরও বেশ কিছু হামলা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।

হামলা ও পাল্টাহামলা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। বেসামরিক বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে হুতিদের হামলা দ্রুত সামরিক সংঘাত বাড়িয়ে তুলতে পারে উল্লেখ করে মার্কিন নাগরিকদের ওই অঞ্চলে ভ্রমণের বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সংঘাতে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক, বলছে মিশর
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বাজতে শুরু করেছে যুদ্ধের দামামা। তবে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক হবে বলে সতর্ক করেছে মিশর।   
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সংঘাতে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক, বলছে মিশর
হেরে গিয়ে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান নেতানিয়াহু, দাবি বিরোধীদের
ইসরায়েলের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে কাতার ও তুরস্কের মতো বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার এই দাবিকে পরাজয়ের গ্লানি ঢাকার চেষ্টা আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিরোধী শিবিরের গাদি আইজেনকট।  এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে আরব দলগুলোর প্রাপ্ত তহবিলের উৎস খতিয়ে দেখতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেইতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব অভিযোগকে হাস্যকর ও বিপজ্জনক বলে উড়িয়ে দিয়েছে।  দোহার বিরুদ্ধে ইসরায়েলি রাজনীতিকেরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছে দেশটি। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে এটা স্পষ্ট-নেতানিয়াহুর জোট কিংবা বিরোধী জোট, কোনো পক্ষ পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।  আরব ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে সব সমীকরণ পাল্টে গেছে। ১২০ আসনের নেসেটে দুটি আরব দলের জোট জয়েন্ট লিস্ট এবং রাআম রেকর্ড ১৯টি আসন পেয়েছে। নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি আসন এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের জোট ৪৮টি আসন পেয়েছে। এমন ফলাফলে আরব দল দুটি এখন সরকার গঠনের প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠেছে। নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিষয়ে গুরুতর সন্দেহের তদন্ত করতে শিন বেইতকে অনুরোধ জানান কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির (সিইসি) প্রধান। এরপর বৃহস্পতিবার লিকুদ পার্টি অভিযোগ তোলে যে আরব দলগুলোকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের ঘুষ দেওয়া হয়েছে। দুটি আরব দলই এই অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ আরবদের জোট জয়েন্ট লিস্ট এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে। নেতানিয়াহুর সমালোচকেরা এই পুরো বিতর্ককে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, নেতানিয়াহু আরব দলগুলোর বৈধতা নষ্ট করতে চাইছেন। যাতে আইজেনকট তাদের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা করতে না পারেন। কারণ, বর্তমানে আরবদের সমর্থনই বিরোধী জোটের ক্ষমতায় যাওয়ার একমাত্র পথ। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির কাছে একটি অভিযোগ আসে যে আরব এলাকায় ভোটারদের উপস্থিতি বাড়াতে কাতার তহবিল জুগিয়েছে। তবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই দাবি সম্পূর্ণভাবে নাকচ করেছে। নেতানিয়াহু এবং তার দল লিকুদ এই অভিযোগকে রাজনৈতিক ভূমিকম্প এবং গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হিসেবে আখ্যা দেয়। তাদের দাবি-কট্টর ডানপন্থী সরকারকে হটাতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে শিন বেইত পরবর্তী সময়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের এই তদন্ত বৈধভাবে ভোট দেওয়া পুরো আরব সম্প্রদায়কে প্রশ্নবিদ্ধ করে না। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ডিন লিভনে জানান, নির্বাচনের স্বচ্ছতা পদ্ধতিগতভাবে লঙ্ঘনের কোনো প্রমাণ মেলেনি। তদন্তের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর আইজেনকট জানান, ঠিক কী ঘটেছে বা আদৌ কিছু ঘটেছে কি না, তা বলার সময় এখনো আসেনি। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনের ফলাফলকে অবৈধ প্রমাণ করতে নেতানিয়াহু সুপরিকল্পিত প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন। জয়েন্ট লিস্টের শরিক দল বালাদের চেয়ারম্যান সামি আবু শেহাদেহ এই অভিযোগ উড়িয়ে দেন। পরাজিত পক্ষ বর্ণবাদী মিথ্যা অপবাদ তৈরি করছে এবং নির্বাচনের ফল উল্টে দিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে বলপ্রয়োগের আহ্বান জানাচ্ছে বলে দাবি তার। নেতানিয়াহু কয়েক দিন ধরে আরব ভোটার ও দলগুলোর ওপর ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ করে আসছেন। নির্বাচনের দিন তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, আরব ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি ডানপন্থীদের জন্য চরম জরুরি অবস্থা এবং এটি তাদের বেঁচে থাকার প্রশ্ন। ডানপন্থী সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে টানতে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি আরব ভোটারদের ছবিও প্রকাশ করেন। ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আরব নাগরিক। তাদের অনেকে নিজেদের ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিক হিসেবে পরিচয় দেন। বহুবছর ধরে অনেক আরব ভোটাররা ইসরায়েলের নির্বাচন বর্জন করে আসছিলেন। তাদের বক্তব্য ছিল-ভোট দিলে এমন একটি ব্যবস্থাকে বৈধতা দেওয়া হয়, যেখানে তাদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে দেখা হয়; কিন্তু এবার নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে কট্টর ডানপন্থী জোট সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যেই তারা বিপুলসংখ্যক ভোট দিয়েছেন। আরটিভি/এসআর  
হেরে গিয়ে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান নেতানিয়াহু, দাবি বিরোধীদের
আরব পাঠ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন শিশু মায়ার
আরব বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পাঠ প্রতিযোগিতা ‘আরব রিডিং চ্যালেঞ্জ’-এর দশম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মিসরের ১১ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মায়ার ওসমান।
আরব পাঠ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন শিশু মায়ার
ইরানে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিতে মিত্রদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালানো হতে পারে।
ইরানে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিতে মিত্রদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র
এক ঘণ্টা পেছানো হচ্ছে মিশরের ঘড়ির কাঁটা
মিশরে গ্রীষ্মকালীন সময়ের (ডে-লাইট সেভিং টাইম) মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছানো হবে। রাত ১২টার পরিবর্তে সময় গণনা করা হবে রাত ১১টা থেকে। এর ফলে দেশটিতে আবারও শীতকালীন মানসম্মত সময় চালু হবে।
এক ঘণ্টা পেছানো হচ্ছে মিশরের ঘড়ির কাঁটা
আরও পড়ুন
সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে
সৌদিগামী ১৫৯ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী
মসজিদুল হারামে এক ইমামের পেছনে নামাজের প্রচলনের ১০০ বছর পূর্ণ
আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে ঢুকতে পারবেন প্রবাসীরা