ঢাকা সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

ইরান সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী ১ হাজার কিলোমিটার দূরে পালিয়ে গেছে: আইআরজিসি  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী ফাদাভি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সীমান্ত থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার দূরে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী ফাদাভি এ দাবি করেছেন বলে জানিয়েছে আল-জাজিরা।

ইরানের প্রেস টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফাদাভি বলেন, মার্কিন বাহিনী ইরানের সীমান্ত থেকে ১ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে সরে গেছে। তবে তারা নিজেদের ইচ্ছায় সরে যায়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

ফাদাভির ভাষ্য, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এবং আইআরজিসির স্থলবাহিনীর সামরিক সক্ষমতার কারণেই মার্কিন বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, এই প্রথম পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি, ওমান সাগর এবং এমনকি উত্তর ভারত মহাসাগরেও কোনো মার্কিন জাহাজ নেই।

মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো আইআরজিসির হামলার শিকার হওয়ার ‘১০০ শতাংশ ঝুঁকিতে’ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন ফাদাভি।

অবরোধ অব্যাহত রাখার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

ফাদাভির এই দাবি এমন সময়ে সামনে এলো, যখন মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে কঠোর নৌ অবরোধ অব্যাহত রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড গত সপ্তাহে জানিয়েছে, ‘কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে’ জুলাই থেকে তারা ১২৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে।

তবে ইরানের সীমান্ত থেকে মার্কিন বাহিনী এক হাজার কিলোমিটার দূরে সরে যাওয়ার বিষয়ে প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি।

সূত্র: আল-জাজিরা

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইরানের জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ সাত মাস ধরে চলা সামরিক ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝে এবার বড় ধরনের ধাক্কা খেল ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও অর্থনীতি।
ইরানের জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ
পরিত্যক্ত আফগান কূপে একের পর এক মরছে শিশুরা, যা জানা যাচ্ছে 
খেলতে গিয়ে শুকিয়ে যাওয়া গভীর কূপে পড়ে যায় পাঁচ বছরের জাইনুল্লাহ। প্রায় ৭০ মিটার নিচে আটকে থাকা শিশুটিকে উদ্ধারে শেষ পর্যন্ত দড়ি বেয়ে কূপে নামতে হয় ১১ বছরের কিশোর হযরত ওমরকে।
পরিত্যক্ত আফগান কূপে একের পর এক মরছে শিশুরা, যা জানা যাচ্ছে 
৭ শর্ত না মানলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান
সাতটি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলবে না বলে জানিয়েছে ইরান। 
৭ শর্ত না মানলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান
নেতানিয়াহুকে যা জানালেন আহত সেই ভারতীয় পাইলট
দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে কো-পাইলটের হামলার শিকার হয়েছেন ভারতীয় ক্যাপ্টেন পাইলট স্মিত মাচ্ছাড়। হামলার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তিনি জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে।
নেতানিয়াহুকে যা জানালেন আহত সেই ভারতীয় পাইলট
বেরিয়ে এলো সেই পাইলটের চাঞ্চল্যকর তথ্য
ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে কো-পাইলটের হামলার ঘটনায় নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। হামলার শিকার ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার শেষ শক্তিটুকু দিয়ে ককপিটের দরজা খুলে দিলে যাত্রীরা ভেতরে ঢুকে হামলাকারী কো-পাইলটকে আটক করেন। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় বিমানটি। রোববার (৪ অক্টোবর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বুধবার ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট ১০৭৩-এ এ ঘটনা ঘটে। বিমানটির ওমানি কো-পাইলট হামাম আল-হামামি ককপিটে থাকা জরুরি ব্যবহারের কুঠার দিয়ে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের ওপর হামলা চালান এবং বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রসিকিউটর জেনারেল। ক্যাপ্টেন মাচ্ছারের বর্ণনা অনুযায়ী, হামলার কয়েক মিনিট আগে কো-পাইলট হামামি তাকে জানান, তিনি নামাজ পড়তে চান। এর চার থেকে পাঁচ মিনিট পরই মাচ্ছারের মাথার পেছনে হঠাৎ প্রচণ্ড আঘাত আসে। প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন, বিমানে হয়তো বিস্ফোরণ ঘটেছে কিংবা কোনো যান্ত্রিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। কিন্তু পরপর আরও আঘাত আসতে থাকলে তিনি বুঝতে পারেন, কো-পাইলটই তাকে আক্রমণ করছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলায় মাচ্ছারের দৃষ্টিশক্তি প্রায় ঝাপসা হয়ে যায়। এ অবস্থায় তিনি অনুভব করেন, বিমানটি দ্রুত নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। প্রথমবার ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা করলে হামামি তাকে বাধা দেন। ককপিটের মেঝেতে পড়ে থাকা অবস্থায় বাইরে যাত্রীদের চিৎকার শুনতে পান মাচ্ছার। তখন তিনি বুঝতে পারেন, বাঁচতে হলে নিজেকেই কিছু করতে হবে। শেষ শক্তিটুকু দিয়ে তিনি দরজার কাছে গিয়ে সেটি খুলতে সক্ষম হন। এরপর কয়েকজন যাত্রী দ্রুত ককপিটে ঢুকে হামামিকে আটক করেন। যাত্রী ইয়ানিভ হায়ুন জানান, ককপিটে ঢুকে তিনি হামামিকে বিমানের নিয়ন্ত্রণযন্ত্রের ওপর ঝুঁকে থাকতে দেখেন। এ সময় তিনি হামামিকে গলা ধরে নিয়ন্ত্রণযন্ত্র থেকে সরিয়ে দেন। পরে অন্য যাত্রীরা তাকে বেঁধে ফেলেন। হামামিকে সরানোর পর বিমানটি মাটির দিকে নেমে যেতে দেখেন হায়ুন। তিনি নিয়ন্ত্রণযন্ত্র ধরে বিমানটিকে স্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন। পরে বিমানে থাকা একজন অফ-ডিউটি পাইলট দায়িত্ব নিয়ে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন। এদিকে, হামামির অতীত নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। উগ্রবাদে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আগে ওমানের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা ওমান এয়ারে উড্ডয়ন থেকে তাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে এ-সংক্রান্ত তথ্য ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে ছিল না বলে উল্লেখ করা হয়। ঘটনাটিকে ইসরায়েলের নিরাপত্তাব্যবস্থার বড় ধরনের ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন দেশটির কয়েকজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, হামামি এর আগে একই দুবাই-তেল আবিব রুটে একাধিকবার ফ্লাইট পরিচালনা করেছিলেন। এ ঘটনার পর বিদেশি এয়ারলাইনগুলোর মাধ্যমে ইসরায়েলে যাতায়াতকারী পাইলটদের নিরাপত্তা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া নতুন করে পর্যালোচনা করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। আরটিভি/এসকে
বেরিয়ে এলো সেই পাইলটের চাঞ্চল্যকর তথ্য
আরও পড়ুন
হঠাৎ আইআরজিসিসহ ইরানের সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে রদবদল 
আইআরজিসি নৌবাহিনীর মুখপাত্র আকবার জাদেহ নিহত
ইরানে ফের মার্কিন হামলা, পাল্টা জবাব আইআরজিসির
মার্কিন সামরিক বিমানকে ধাওয়া দিলো অস্ট্রিয়ার যুদ্ধবিমান