ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

আগ্নেয়গিরির ধোঁয়ায় বন্ধ ইন্দোনেশিয়ার প্রধান বিমানবন্দর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ার আনাক কারাকাতোয়া আগ্নেয়গিরির ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্ট ছাই ও ধোঁয়ার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে দেশটির প্রধান সোয়েকার্নো-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) থেকে কর্তৃপক্ষের নেওয়া এই সিদ্ধান্তের ফলে ওই বিমানবন্দরে সব ধরনের বিমান চলাচল সম্পূর্ণ স্থগিত রয়েছে, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দা প্রণালিতে অবস্থিত পাহাড় আকৃতির আনাক কারাকাতোয়া আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়ার মেঘ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরবর্তী বিমানবন্দরটির আকাশসীমায় পৌঁছে যায়। নিরাপত্তার স্বার্থে আজ রাত ১টা ৩০ মিনিট থেকে পুরো বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।

এর আগে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) প্রবল বিস্ফোরণের বিকট শব্দ ভেসে আসে, যা উৎসস্থল থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরত্ব থেকেও স্পষ্ট শোনা গেছে। ওই শক্তিশালী বিস্ফোরণের পরপরই পাহাড়ের ঢাল বেয়ে লাল লাভা গড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এরপর রোববার সকালেও সেখানে আরও দুটি নতুন বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়।

বিমানবন্দর হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২০৯টি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। হঠাৎ সূচি বিপর্যয়ের কারণে বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন প্রায় ২০ হাজার যাত্রী। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে পরিচালিত ফ্লাইটগুলোতে। এ ছাড়া কুয়ালালামপুর, দোহা এবং সিডনিগামী একাধিক ফ্লাইট মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

জাভা ও সুমাত্রার মধ্যবর্তী সুন্দা প্রণালিতে অবস্থিত এই আনাক কারাকাতোয়া অত্যন্ত সক্রিয় একটি আগ্নেয়গিরি। অগ্ন্যুৎপাতের ফলে এই সামুদ্রিক প্রণালিতে পানির দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় শুধু আকাশপথ নয়, জলপথে জাহাজ চলাচলেও তীব্র ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্কবার্তা জারি করেছে উদ্ধারকারী ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভাঙারি কুড়িয়ে চলা বৃদ্ধের ব্যাংকে ৭৭ লাখ টাকা
২১ বছর ধরে ভাঙারি কুড়িয়ে জীবন চালিয়েছেন চীনের ৭১ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ। অর্থকষ্ট, ঋণ আর স্বজনদের সঙ্গে দূরত্ব সব মিলিয়ে একসময় নিজের শহর ছেড়ে অন্য শহরে চলে যান তিনি।
ভাঙারি কুড়িয়ে চলা বৃদ্ধের ব্যাংকে ৭৭ লাখ টাকা
মায়ের পেটে থাকা শিশুর অস্ত্রোপচার, চিকিৎসকদের অসাধারণ সাফল্য
মায়ের পেট থেকে পৃথিবীর আলো দেখার আগেই অস্ত্রোপচার করে এক অনাগত শিশুর জীবন বাঁচিয়েছেন চীন ও হংকংয়ের চিকিৎসকরা। গর্ভে থাকা শিশুটির বুকে দ্রুত বেড়ে ওঠা টিউমারে সফলভাবে মাইক্রোওয়েভ অ্যাবলেশন করেছেন তারা। শেনজেনের বাওয়ান ওমেনস অ্যান্ড চিলড্রেনস হসপিটাল এবং চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ের চিকিৎসকদের একটি দল এ জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন চলতি বছরের ২০ আগস্ট ‘আলট্রাসাউন্ড ইন অবস্টেট্রিকস অ্যান্ড গাইনিকোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত হয়। চিকিৎসকদের হাতে অস্ত্রোপচারের সময় ছিলেন ৪০ বছর বয়সী এক নারী। তিনি তখন ২২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। পরীক্ষায় তার গর্ভে থাকা শিশুর মাইক্রোসিস্টিক কনজেনিটাল পালমোনারি এয়ারওয়ে ম্যালফরমেশন (সিপিএএম) শনাক্ত হয়। এটি একটি বিরল জন্মগত সমস্যা। এতে ভ্রূণের ফুসফুসের স্বাভাবিক টিস্যুর পরিবর্তে অসংখ্য ছোট ছোট সিস্ট বা তরলপূর্ণ থলি তৈরি হয়। দ্রুত বাড়তে থাকলে এ ধরনের টিউমার ভ্রূণের হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে হার্ট ফেইলিওর এবং শরীরে অতিরিক্ত তরল জমার মতো জটিলতা তৈরি করতে পারে। স্ক্যানে দেখা যায়, শিশুটির বুকের ডান পাশের প্রায় পুরো অংশজুড়ে ৫ সেন্টিমিটার আকারের একটি টিউমার রয়েছে। টিউমারটির চাপে শিশুটির হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। একই সঙ্গে শিশুটির পেটে বিপজ্জনক মাত্রায় তরল জমে অ্যাসাইটিস দেখা দেয়। সাধারণত এ ধরনের ক্ষেত্রে বড় তরলপূর্ণ সিস্ট খালি করে দেওয়া কিংবা টিউমারের প্রধান রক্ত সরবরাহ বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়। তবে এই শিশুর টিউমারটি ছিল অসংখ্য ক্ষুদ্র সিস্টে গঠিত এবং এর কেন্দ্রে কোনো বড় রক্তনালী ছিল না। ফলে প্রচলিত পদ্ধতি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা ছিল কম। এ অবস্থায় চিকিৎসকরা বেছে নেন অভিনব একটি পদ্ধতি। হাই-ডেফিনিশন ও রিয়েল-টাইম আল্ট্রাসাউন্ডের সাহায্যে টিউমারে পৌঁছানোর নিরাপদ পথ নির্ধারণ করা হয়। এরপর মায়ের পেট, জরায়ুর দেয়াল এবং ভ্রূণের বুকের দেয়াল ভেদ করে একটি সূক্ষ্ম অ্যাবলেশন নিডল সরাসরি টিউমারের কেন্দ্রে প্রবেশ করানো হয়। এরপর মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তির মাধ্যমে টিউমারের ভেতরের পানির অণুগুলোকে দ্রুত উত্তপ্ত করে টিস্যু ধ্বংস করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ করতে সময় লাগে মাত্র দুই মিনিট। অস্ত্রোপচারের পুরো সময় আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে টিউমারে ছড়িয়ে পড়া তাপের মাত্রা ও পরিসর পর্যবেক্ষণ করেন চিকিৎসকরা, যাতে অনাগত শিশুর আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। অস্ত্রোপচারের মাত্র তিন দিন পরই এর সুফল দেখা যায়। টিউমারের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে এবং নতুন করে তরল জমাও বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ৩৭ সপ্তাহ পর্যন্ত সফলভাবে গর্ভধারণের পর ওই নারী সন্তানের জন্ম দেন। জন্মের সময় শিশুটির ওজন ছিল ২ দশমিক ৯ কেজি। নবজাতকের শারীরিক অবস্থা মূল্যায়নের অ্যাপগার স্কেলে শিশুটি পায় পূর্ণ ১০ নম্বর। চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জন্মের চার মাস পরও শিশুটির শরীরে টিউমার পুনরায় বেড়ে ওঠার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। চিকিৎসকদের এই সাফল্য গর্ভে থাকা শিশুর জটিল জন্মগত রোগের চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট আরটিভি/এসকে
মায়ের পেটে থাকা শিশুর অস্ত্রোপচার, চিকিৎসকদের অসাধারণ সাফল্য
‘কিডনি আবার গজাবে’ দালালের প্রতারণায় যে গ্রাম হয়ে ওঠে কিডনি ভ্যালি
দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে কিডনি বিক্রির ফাঁদে ফেলা হয়েছিল নেপালের একটি গ্রামের অসংখ্য মানুষকে। দালালদের প্রলোভন আর মিথ্যা আশ্বাসে একসময় গ্রামের প্রায় প্রতিটি পরিবারেই কেউ না কেউ কিডনি বিক্রি করেন।
‘কিডনি আবার গজাবে’ দালালের প্রতারণায় যে গ্রাম হয়ে ওঠে কিডনি ভ্যালি
ইন্দোনেশিয়ায় ২ সুমাত্রান গণ্ডারের গর্ভধারণ, মহাবিপন্ন প্রজাতি রক্ষায় আশার আলো
বিশ্বের সবচেয়ে বিরল ও বিপন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণীদের একটি এই প্রজাতিকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে এ ঘটনা নতুন আশার সৃষ্টি করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ইন্দোনেশিয়ায় ২ সুমাত্রান গণ্ডারের গর্ভধারণ, মহাবিপন্ন প্রজাতি রক্ষায় আশার আলো
নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের ৩৭ দিন পর পর্যটককে জীবিত উদ্ধার
নেপালে ভয়াবহ বন্যা বিপর্যয়ের ৩৭ দিন পর এক মালয়েশিয়ান পর্যটককে জীবিতে অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গেছে, হিমালয়ের লাংটাং লিরুং পর্বতের হিমবাহ ধসের পর সৃষ্ট বন্যায় নিখোঁজ হওয়া ওই মালয়েশিয়ান পর্যটক নিরাপদে দেশে ফিরে গেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। খবর দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের।
নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের ৩৭ দিন পর পর্যটককে জীবিত উদ্ধার
আরও পড়ুন
ইন্দোনেশিয়ায় সোনার খনিতে ভয়াবহ ধস, নিহত ৯
ফের ভয়ংকর রূপে জেগে উঠলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি আগ্নেয়গিরি
ফিলিপাইনে আগ্নেয়গিরিতে হঠাৎ উদগীরণ, আতংক
১ লাখ বছর ধরে ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরির গভীরে লুকিয়ে আছে ভয়ংকর বিপদ