ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্রহ্মপুত্রের উপর চিনের ৬০ হাজার মেগাওয়াটের মেগা ড্যাম প্রকল্প!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১২ এএম
কাল্পনিক ছবি

তিব্বতে ব্রহ্মপুত্র নদের উপরে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করতে চলেছে চিন। প্রায় ৬০ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মেডোগ প্রকল্প নিয়ে ভারত শুরু থেকেই কৌশলগত ও পরিবেশগত উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। এবার এই প্রকল্প নিয়ে ভারতের কৌশল এবং চিনা বিজ্ঞানীদের উদ্বেগ আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার কথা বললেন বিশিষ্ট কৌশলগত বিশেষজ্ঞ ব্রহ্মা চেলানি।

ব্রহ্মা চেলানি তার একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে প্রশ্ন তুলেছেন, ভারত যদি চিনের সীমান্তের ঠিক উপরে এমন বিশাল প্রকল্প তৈরি করত, তাহলে বেইজিং পরিবেশ, ভূমিকম্পের ঝুঁকি এবং বৈজ্ঞানিক উদ্বেগ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক স্তরে কত বড় প্রচার চালাত, আন্দাজ করুন তো একবার? তার মতে, চিনের বিজ্ঞানীরা যে উদ্বেগের কথা সামনে এনেছেন, ভারতকেও তা বিশ্বের সামনে তুলে ধরা উচিত।

ব্রহ্মপুত্রের উপর তৈরি হচ্ছে ৬০ হাজার মেগাওয়াটের প্রকল্প: বস্তুত, তিব্বতের মেডোগ কাউন্টিতে ইয়ারলুং সাংপো নদীর উপর এই বিশাল জলবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করছে চিন। এই নদীই ভারতের অরুণাচল প্রদেশে প্রবেশ করার পর সিয়াং এবং পরে ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত হয়।

প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ক্ষমতা প্রায় ৬০ হাজার মেগাওয়াট বলে জানা গিয়েছে। এই ক্ষমতা চিনের থ্রি গর্জেস ড্যামের থেকেও অনেক বেশি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রকল্পটি এমন একটি এলাকায় অবস্থিত, যেখানে ইয়ারলুং সাংপো নদী নামচা বারওয়া পর্বতের কাছে বিশাল একটি বাঁক নিয়ে ভারতের দিকে প্রবাহিত হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, চিন ২০২৫ সালে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু করে। প্রকল্পটির বিশাল আকার এবং ভারতের সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থান একে শুধু একটি বিদ্যুৎ প্রকল্পে সীমাবদ্ধ রাখেনি; নদীর জলপ্রবাহ, পরিবেশ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার সঙ্গেও এটি জড়িয়ে পড়েছে।

যে জমির নীচে ড্যাম তৈরি হচ্ছে, তার নীচে কী রয়েছে?

ব্রহ্মা চেলানি তার লেখায় উল্লেখ করেছেন, মেডোগ প্রকল্প নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে একটি চিনা ভূতাত্ত্বিক গবেষণার পর। ওই গবেষণায় প্রকল্প এলাকার নীচে একটি সক্রিয় পাইঝেন ফল্ট অর্থাৎ পৃথিবীর ভূত্বকের একটি সক্রিয় ফাটল থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

চিনের সরকারি ভূতাত্ত্বিক জরিপের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলির বিজ্ঞানীরা এই গবেষণাটি করেছিলেন। সেখানে বলা হয়েছে, ওই এলাকার শিলাস্তরে ফাটল রয়েছে এবং সেগুলির গঠন তুলনামূলকভাবে দুর্বল। গবেষকরা আরও সতর্ক করেছেন যে ভূমিকম্পজনিত কার্যকলাপ এবং ফল্টের নড়াচড়ার কারণে জলাধারের আশপাশে ভূমিধস ও শিলাখণ্ড সরে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

রিপোর্টে ২০১৭ সালে তিব্বতের নিংচি এলাকায় হওয়া ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, ওই ভূমিকম্প একই ফল্ট সিস্টেমের সক্রিয়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। তবে এই বৈজ্ঞানিক সতর্কতার অর্থ এই নয় যে ড্যামটি নিশ্চিতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অথবা ভবিষ্যতে এটি ভেঙে পড়বেই। গবেষণাগুলি মূলত ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকি এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার দিকে ইঙ্গিত করে।

ভারতের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ জলপ্রবাহ নিয়ে

মেডোগ প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগ শুধু ড্যামের নিরাপত্তা নিয়েই সীমাবদ্ধ নয়। প্রশ্ন রয়েছে, ব্রহ্মপুত্রের উজানে নদীর জলপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের ফলে চিনের হাতে কতটা ক্ষমতা চলে আসবে।

চিন এই প্রকল্পের মাধ্যমে নদীর জলপ্রবাহের উপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে কি না, তা নিয়ে ভারতের কৌশলগত মহলে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে বর্ষার সময় জলপ্রবাহের পরিবর্তন, হঠাৎ জল ছেড়ে দেওয়া বা জল ধরে রাখার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

ব্রহ্মপুত্র ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নদী। এর জলপ্রবাহের পরিবর্তন বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষি, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং নদীতীরবর্তী মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে চিনের এই মেগা প্রকল্পকে ভারত শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প হিসেবে দেখছে না এর সঙ্গে জলনিরাপত্তা, পরিবেশ এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলের কৌশলগত স্বার্থও জড়িত রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

এই পরিস্থিতিতে ব্রহ্মা চেলানির বক্তব্য হল, চিনা বিজ্ঞানীদের প্রকাশ করা ভূতাত্ত্বিক ও পরিবেশগত উদ্বেগগুলি ভারতের আন্তর্জাতিক মহলে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা উচিত। একই সঙ্গে ভারতের উচিত প্রকল্পটির সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ করা এবং ব্রহ্মপুত্রের জলপ্রবাহ ও পরিবেশের উপর এখন থেকেই নজরদারি আরও বাড়ানো।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দাদির বাড়ি থেকে শটগান এনে স্কুলের সামনে গুলি ছুড়ল শিক্ষার্থী, আহত ১১
তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলে একটি উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে এক বন্দুকধারীর চালানো গুলিতে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে মানিসা প্রদেশের তুরগুতলু জেলায় এ ঘটনা ঘটে। সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে আটক করেছে পুলিশ বলে বিবিসির প্রতিবেদনে জানা গেছে। মানিসা প্রদেশের গভর্নরের কার্যালয় জানিয়েছে, তুরগুতলু জেলার একটি ভোকেশনাল ও টেকনিক্যাল হাইস্কুলের সামনে এ হামলা হয়। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম হাবেরতুর্ক জানিয়েছে, সন্দেহভাজন হামলাকারী ইনচি উজমেজ ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল আনাতোলিয়ান হাইস্কুল নামে ওই স্কুলেরই শিক্ষার্থী। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সে তার দাদির বাড়ি থেকে নেওয়া একটি শটগান নিয়ে স্কুলের সামনে আসে। এরপর আশপাশে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে পায়ে হেঁটে পালানোর চেষ্টা করে। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে একজনকে স্কুলের কাছের একটি সড়কে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দেখা গেছে। অন্য কয়েকটি ভিডিওতে তাকে অস্ত্র হাতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। তবে হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক বলেন, আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিচারমন্ত্রী গুরলেক আরও জানান, ঘটনাটি তদন্তে দুজন প্রধান কৌঁসুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্কুলে ওই শিক্ষার্থীকে হয়রানি বা নির্যাতন করা হয়েছিল কি না, সেই অভিযোগও তদন্ত করা হবে। তদন্তের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন হামলাকারীর মা-বাবা এবং তার দাদাকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অস্ত্রটির মালিক ছিলেন ওই দাদা। হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা দ্রুত স্কুলে ছুটে যান। তবে পুলিশ স্কুল ভবনে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দিলে অভিভাবকদের সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফা বাগ্‌বিতণ্ডা হয় বলে তুরস্কের সংবাদপত্র জুমহুরিয়েত জানিয়েছে। ঘটনার পর তুরস্কের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এই ঘটনায় ‘আমাদের জাতি এবং বিশেষ করে শিক্ষাঙ্গনের মানুষ গভীরভাবে মর্মাহত’। ঘটনা তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তিনজন জাতীয় পর্যায়ের তদন্তকারীকে মানিসায় পাঠানো হয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। চলতি বছর তুরস্কে আরও দুটি স্কুলে গুলির ঘটনার কয়েক মাস পর এই হামলা হলো। গত সপ্তাহে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর সময় দেশটির সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা বাড়িয়েছিল। এপ্রিল মাসে দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সানলিউরফা প্রদেশের একটি উচ্চবিদ্যালয়ে সাবেক এক শিক্ষার্থী গুলি চালায়। এতে বেশির ভাগ শিক্ষার্থীসহ ১৬ জন আহত হন। পরে ওই হামলাকারী আত্মহত্যা করে। এর পরদিন কাছের কাহরামানমারাশ প্রদেশের একটি স্কুলের দুটি শ্রেণিকক্ষে গুলি চালায় ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী। এতে আটজন শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক নিহত হন। আহত হন আরও ১৩ জন। পরে পুলিশের গুলিতে ওই হামলাকারী নিহত হয়। আরটিভি/এসআর
দাদির বাড়ি থেকে শটগান এনে স্কুলের সামনে গুলি ছুড়ল শিক্ষার্থী, আহত ১১
এশিয়ায় আলাদা নতুন মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা!
থাইল্যান্ডের মুসলিম অধ্যুষিত (মালয় ভাষী) দক্ষিণাঞ্চলের আলাদা স্বাধীন ইসলামিক দেশ না গড়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ‘বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনাল (বিআরএন)’।  সম্প্রতি বার্তাসংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক  সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন দলটির প্রতিনিধি দলের মুখপাত্র নিকামাতুল্লাহ সেরি। তিনি জানান, যতদিন আমাদের লক্ষ্য অর্জিত না হচ্ছে, আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। সময় শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত লড়াই চলবে। ১৯৬০ সাল থেকে থাইল্যান্ডের মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে ইসলামিক দেশ গঠনের জন্য লড়ে যাচ্ছে বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনালের যোদ্ধারা। মাঝে এটি থেমে গেলেও ২০০৪ সাল থেকে তারা নতুন করে আবারও লড়াই শুরু করেন। তাদের থামাতে ২০১৩ সাল থেকে মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় থাইল্যান্ড বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনালের সঙ্গে আলোচনা করছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনা থমকে গেছে। বিশেষ করে গত জুলাইয়ে এই বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা বাতিল করে ব্যাংকক সরকার। ওই সময় মুসলিম অঞ্চলটিতে পাঁচ থাই নাগরিক নিহত হন। এতে করে দুই পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়। মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালামপুরের একটি হোটেলে বসে দেওয়া এ সাক্ষাৎকারে নিকামাতুল্লাহ আরও বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য একই রয়ে গেছে। সেটি হলো স্বাধীনতার দাবি। থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে আগে মালয়-মুসলিম পাতানি সুলতানাতের শাসন ছিল। তবে ১৯০০ সালের শুরুর দিকে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ থাইল্যান্ড এ অঞ্চলটি অধিগ্রহণ করে। ওই সময় থাইল্যান্ডের নাম ছিল সিয়াম। ২০০৪ সাল থেকে এই স্বাধীনতা সংগ্রামে ৭ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। যারমধ্যে স্থানীয় যোদ্ধা, দেশটির নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য ও বেসামরিক মানুষ রয়েছেন। সম্প্রতি সেখানে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তবে নিকামাতুল্লাহ এর পেছনে তার দলের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেননি আবার প্রত্যাখ্যানও করেননি। নিকামাতুল্লাহ বলেছেন, তারা দক্ষিণাঞ্চলে আলাদা স্বাধীন দেশ করে সেখানকার রাজনৈতিক ক্ষমতা চান। এরপর সেখানে শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা করা হবে। যা শুধুমাত্র মুসলিমদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। এরপর ১০ বছর পর গণতান্ত্রিক উপায়ে নেতৃত্ব বাছাইয়ের সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। নিকামাতুল্লাহ বলেন, আমরা রাজনৈতিক ক্ষমতা চাই। আমাদের দক্ষিণাঞ্চলে (মালয়েশিয়ার সীমান্তবর্তী চারটি প্রদেশ) সরকার চালাতে দেওয়া উচিত। এটি শরিয়াহ পুলিশ ও আদালত দিয়ে চলবে। তবে শুধুমাত্র মুসলিমদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে। আরটিভি/এসআর
এশিয়ায় আলাদা নতুন মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা!
টাইফুন দুজুয়ানের তাণ্ডব: নিহত ২, বিদ্যুৎহীন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ
প্রবল শক্তি নিয়ে জাপানে আঘাত হেনেছে টাইফুন দুজুয়ান। শক্তিশালী এই ঝড়ে এখন পর্যন্ত দুজন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন আরও চারজন।
টাইফুন দুজুয়ানের তাণ্ডব: নিহত ২, বিদ্যুৎহীন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ
জাপানের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে শক্তিশালী টাইফুন ‘দুজুয়ান’, বন্যা ও ভূমিধসের শঙ্কা
জাপানের প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের দিকে দ্রুত ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘দুজুয়ান’।
জাপানের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে শক্তিশালী টাইফুন ‘দুজুয়ান’, বন্যা ও ভূমিধসের শঙ্কা
পানির ৩৩ ফুট গভীরেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে সফল চীনা সোলার প্যানেল
সমুদ্রের পানির ১০ মিটার বা প্রায় ৩৩ ফুট গভীরেও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সফল হয়েছেন চীনা বিজ্ঞানীরা। গবেষকদের দাবি, পানির নিচে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে।
পানির ৩৩ ফুট গভীরেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে সফল চীনা সোলার প্যানেল
আরও পড়ুন
বাংলাদেশের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চায় ভারত, জানালেন জয়সওয়াল
সম্মতি ছাড়া জন্ম দেওয়ায় নিজের মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা ছেলের
ভারতে ৯১ বছর বয়সী বৃদ্ধার ওপর হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়ল বানর, অতঃপর...
ভারতে মুসলিমদের নিয়ে বিজেপি নেতার কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য