ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

পশ্চিমাদের ছাড়িয়ে সামরিক হেলিকপ্টার সক্ষমতায় চীনের আধিপত্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

চীনের সামরিক হেলিকপ্টার সক্ষমতায় দ্রুত অগ্রগতি ঘটছে। বিশেষায়িত অ্যাটাক হেলিকপ্টার, আধুনিক পরিবহন হেলিকপ্টার এবং সাবমেরিনবিধ্বংসী ও উভচর অভিযানের উপযোগী নৌ-হেলিকপ্টার তৈরিতে দেশটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। ফলে সামরিক হেলিকপ্টার প্রযুক্তিতে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ক্রমেই শক্ত অবস্থান তৈরি করছে বেইজিং।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) প্রকাশিত মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের সামরিক হেলিকপ্টার কর্মসূচি অন্যান্য সামরিক প্রকল্পের তুলনায় কম আলোচিত হলেও, এ খাতে দেশটির অগ্রগতি প্রতিরক্ষা শিল্পে স্বনির্ভরতা অর্জন এবং জটিল সামরিক অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রতিফলন।

চীনের আক্রমণকারী হেলিকপ্টার বহরের অন্যতম প্রধান শক্তি জেড-১০। ২০০৩ সালে প্রথম উড্ডয়নের পর ২০১০ সালে এটি সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হয়। দুই আসনবিশিষ্ট এই হেলিকপ্টার থেকে ট্যাংকবিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট ছোড়া যায়। এতে রয়েছে উন্নত ইলেকট্রো-অপটিক্যাল লক্ষ্য নির্ধারণ ব্যবস্থা এবং প্রতিরক্ষামূলক পাল্টাব্যবস্থা।

পরবর্তী সংস্করণগুলোতে যুক্ত হয়েছে উন্নত বর্ম, সতর্কতামূলক সেন্সর ও দীর্ঘপাল্লার গাইডেড অস্ত্র। রপ্তানির জন্য তৈরি জেড-১০এমই সংস্করণে মূল রোটরের ওপরে মিলিমিটার-ওয়েভ রাডার সংযোজন করা হয়েছে। এ ছাড়া জেড-১০-এর পাশাপাশি জেড-১৯ হেলিকপ্টারও অনুসন্ধান ও আক্রমণ অভিযানে ব্যবহার করা হচ্ছে।

চীনের হেলিকপ্টার সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে বড় আকারের জেড-২১। ২০২৪ সালে প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে আসা এই হেলিকপ্টারকে দেশটির প্রথম ভারী অ্যাটাক হেলিকপ্টার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। জেড-১০-এর তুলনায় এতে উন্নত সুরক্ষাব্যবস্থা, বিস্তৃত সেন্সর এবং বেশি অস্ত্র বহনের সক্ষমতা রয়েছে। রাশিয়ার এমআই-২৮ ও কেএ-৫২ এবং যুক্তরাষ্ট্রের এএইচ-৬৪-এর মতো হেলিকপ্টারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এদিকে, চীনের হেলিকপ্টার আধুনিকায়ন কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ জেড-২০ সিরিজ। ২০১৩ সালে প্রথম উড্ডয়নের পর ২০১৯ সালে এটি সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। দুটি ডব্লিউজেড-১০ টার্বোশ্যাফট ইঞ্জিনচালিত এই হেলিকপ্টার সম্পূর্ণ সরঞ্জামসহ সর্বোচ্চ ১৩ জন সদস্য পরিবহন করতে পারে।

আধুনিক অ্যাভিওনিকস, উন্নত প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও বহুমুখী ব্যবহারের সক্ষমতার কারণে জেড-২০-এর একাধিক বিশেষ সংস্করণ তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে জেড-২০কে পরিবারের পরিবহন ও আক্রমণ সংস্করণ এবং সশস্ত্র অভিযানের জন্য তৈরি জেড-২০টি উল্লেখযোগ্য। জেড-২০টি থেকে গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট নিক্ষেপের পাশাপাশি বাহ্যিক জ্বালানি ট্যাংক বহন করা যায়।

নৌবাহিনীর জন্য তৈরি জেড-২০এফ সংস্করণটি বিশেষভাবে সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধের উপযোগী। এতে রয়েছে পানির নিচে নামানো যায় এমন সোনার, সোনোবুই মোতায়েনের ব্যবস্থা এবং হালকা টর্পেডো বহনের সক্ষমতা। অন্যদিকে, জাহাজ থেকে পরিবহন ও আক্রমণ অভিযান পরিচালনার জন্য তৈরি হয়েছে জেড-২০জে সংস্করণ। এর ফলে চীনের যুদ্ধজাহাজ ও উভচর অভিযানে ব্যবহৃত জাহাজগুলো থেকে আরও বিস্তৃত সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

বিভিন্ন ধরনের সামরিক অভিযানে ব্যবহারের উপযোগী সংস্করণ থাকায় জেড-২০-কে চীনের অন্যতম বহুমুখী হেলিকপ্টার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুরোনো জেড-৮ সিরিজেও ব্যাপক আধুনিকায়ন করা হয়েছে। পরিবহন, অনুসন্ধান ও উদ্ধার, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং আকাশপথে কমান্ড পরিচালনার মতো কাজে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা হয়েছে এই সিরিজের হেলিকপ্টারগুলোকে।

তবে চীনের পরিবহন হেলিকপ্টার বহরে এখনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে রাশিয়ার তৈরি এমআই-১৭ ও এমআই-১৭১। কঠিন পরিবেশে সামরিক অভিযান পরিচালনা এবং বিশেষায়িত সহায়তা প্রদানে এসব হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে, চীনের নৌবাহিনীতে রাশিয়ার কেএ-২৮ সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধের হেলিকপ্টার এবং কেএ-৩১ আকাশপথে রাডার পরিচালনার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, জাহাজ থেকে পরিচালনাযোগ্য জেড-২০-এর বিভিন্ন সংস্করণের উন্নয়ন অব্যাহত থাকলে চীনের নৌবাহিনীর সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধ ও উভচর আক্রমণ সক্ষমতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে পুরোনো রুশ হেলিকপ্টারগুলোর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ধীরে ধীরে সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বেইজিংয়ের।

এ ছাড়া আরও বেশি ভার বহনে সক্ষম একটি নতুন হেলিকপ্টার তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে চীনের। এটি বাস্তবায়িত হলে রাশিয়ার এমআই-২৬-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে পারবে বেইজিং। বর্তমানে ভারী মালামাল পরিবহনের সক্ষমতায় এমআই-২৬ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় হেলিকপ্টার।

সব মিলিয়ে, আক্রমণ, পরিবহন, নৌ-অভিযান ও সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজস্ব হেলিকপ্টার প্রযুক্তির বিকাশের মাধ্যমে সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে চীন। এর মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক সামরিক হেলিকপ্টার প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় দেশটির অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিয়েতে আগ্রহ হারাচ্ছে চীনারা, ঘটনা কী
চীনে চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে বিয়ের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে ১৮ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। দেশটিতে সন্তান জন্মদান প্রক্রিয়া বিয়ের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত হওয়ায় এই বড় ধস নতুন করে জনসংখ্যা হ্রাস ও অর্থনৈতিক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) চীনের বেসামরিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইকাই। ইকাই জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দেশটিতে মোট ৪৬ লাখ ৫০ হাজার যুগল বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। একই সময়ে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন ২০ লাখ ৮০ হাজার যুগল। সন্তান জন্মদান ও বিয়ে বাড়াতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনা কর্তৃপক্ষ একাধিক প্রণোদনামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে পারিবারিক ভর্তুকি, শিশু লালন-পালনে সহায়তা এবং সন্তান জন্মদান সংক্রান্ত চিকিৎসা খরচ কমানোর মতো উদ্যোগ।  এছাড়া যুব সমাজ, শিশু ও পরিবারের জীবনযাত্রা আরও সহজ করতে নগর পরিকল্পনা, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং জনসেবামূলক খাতগুলোতে যুব উন্নয়ন কর্মসূচি যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তবে এসব সরকারি উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা সত্ত্বেও চীনে বর্তমানে শিশুদের চেয়ে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। ফলে দেশের ওপর বয়স্কদের নির্ভরতার অনুপাত শিশুদের ছাড়িয়ে গেছে। ২০২৫ সালে টানা চতুর্থ বছরের মতো চীনের মোট জনসংখ্যা কমেছে এবং জন্মহার এযাবৎকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। ডেমোগ্রাফার বা জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, এই জনসংখ্যা হ্রাসের প্রবণতা ভবিষ্যতে আরও তীব্র হতে পারে। এদিকে জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদে চীনের ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী সন্তান প্রজননক্ষম নারীর সংখ্যা মারাত্মকভাবে কমবে। শতাব্দীর শেষ নাগাদ এই বয়সী নারীর সংখ্যা দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি কমে ১০ কোটির নিচে নেমে আসবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আরটিভি/এসআর  
বিয়েতে আগ্রহ হারাচ্ছে চীনারা, ঘটনা কী
রাশিয়ার তেলবাহী জাহাজ চালিয়ে ব্রিটেনে আটক ভারতীয় নাবিক
রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেল পরিবহনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে একটি জাহাজ জব্দ করেছে যুক্তরাজ্য।
রাশিয়ার তেলবাহী জাহাজ চালিয়ে ব্রিটেনে আটক ভারতীয় নাবিক
বৈঠকে পুতিনের হাতে খামেনির গোপন চিঠি তুলে দিলেন ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ি।
বৈঠকে পুতিনের হাতে খামেনির গোপন চিঠি তুলে দিলেন ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান
ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ থেকে ভারত, চীন, ইরাক ও কাতারের জাহাজকে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান
ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার দিতে রাজি রাশিয়া
ইরানের কাছে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা বিক্রিতে সম্মতি দিয়েছে রাশিয়া। হেলিকপ্টার থেকে পরিচালিত এসব লঞ্চারের মাধ্যমে নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা সম্ভব। ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীও এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের (এফটি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের উৎপাদনসংক্রান্ত নথিতে ‘এপিইউ-এল’ মডেলের ৯০টি লঞ্চার রপ্তানির আদেশের তথ্য রয়েছে। সেখানে ক্রেতার নাম সরাসরি উল্লেখ না করে ‘কে-১০’ সাংকেতিক পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে।  রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নথিতে এই সংকেত দিয়ে ইরানকে বোঝানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। তবে এসব সরঞ্জাম ইতোমধ্যে ইরানের কাছে পৌঁছেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লঞ্চারগুলো রাশিয়ার এমআই-২৮ মডেলের আক্রমণকারী হেলিকপ্টারে স্থাপন করা যায়। প্রতিটি লঞ্চারে দুটি করে ‘এলএমইউআর’ নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র বহনের সক্ষমতা রয়েছে। আকাশে উড্ডয়নের সময়ও এসব ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ পরিবর্তন করা যায়। ফলে চলমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়। এফটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতেও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে মস্কো। ‘সি৪৩০এল’ নামের একটি গোপন প্রকল্পের আওতায় রুশ প্রকৌশলীরা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের ইঞ্জিন ও জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করেছেন। সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি ভবিষ্যতে পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য এর আগে ইরানের কাছ থেকে শাহেদ ড্রোন সংগ্রহ করেছিল রাশিয়া। পাশাপাশি ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতেও সহযোগিতা করছে মস্কো। বিশ্লেষকদের ধারণা, সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমেই ঘনিষ্ঠ হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য প্রভাবশালী শক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখাই ক্রেমলিনের অন্যতম লক্ষ্য।  এ কারণে রুশ সামরিক সহায়তায় ইরানের সক্ষমতা বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা আঞ্চলিক সংঘাতের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। আরটিভি/এসআর  
ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার দিতে রাজি রাশিয়া
আরও পড়ুন
মেক্সিকোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলারের হেলিকপ্টার বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের
মিয়ামিতে ছবি তুলতে গিয়ে পানিতে বিধ্বস্ত হেলিকপ্টার, নিহত ১
বসনিয়ায় সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৪
জিম্বাবুয়েতে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সব আরোহীর মৃত্যু