ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

বদলে গেল বিশ্বের মানচিত্র, ছোট-বড় হলো কয়েকটি মহাদেশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের প্রচলিত মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। নতুন একটি মানচিত্রে বিশ্বের দেশ ও মহাদেশগুলোর আকার তুলনামূলকভাবে বাস্তবতার কাছাকাছি তুলে ধরা হয়েছে। এতে আগের মানচিত্রের তুলনায় আফ্রিকা মহাদেশকে বড় এবং উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপকে কিছুটা ছোট দেখানো হয়েছে।

নতুন এই মানচিত্রটি ‘ইকুয়াল আর্থ কার্টোগ্রাফিক প্রোজেকশন’ নামে পরিচিত। এতে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের আয়তন তুলনামূলকভাবে সঠিকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রচলিত ‘মারকেটোর প্রোজেকশন’ মানচিত্রের কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রকৃত আয়তন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভ্রান্তি রয়েছে। ১৫৬৯ সালে ইউরোপীয় মানচিত্রকার গেরারদুস মারকেটোর এই মানচিত্র তৈরি করেন। নৌ চলাচলের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে কার্যকর হওয়ায় পরবর্তী কয়েক শতাব্দী ধরে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

মারকেটোর প্রোজেকশনে গ্রিনল্যান্ডকে দক্ষিণ আমেরিকার চেয়েও বড় এবং প্রায় আফ্রিকার সমান আকারের মনে হয়। অথচ বাস্তবে আফ্রিকা মহাদেশ গ্রিনল্যান্ডের তুলনায় প্রায় ১৪ গুণ বড়।

নতুন মানচিত্রে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জকে কেন্দ্রীয় অবস্থানে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে প্রচলিত বিভিন্ন বিশ্ব মানচিত্রে ইউরোপকে তুলনামূলকভাবে বড় ও কেন্দ্রীয় অবস্থানে দেখা যায়। এ কারণে মানচিত্রের উপস্থাপন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কও রয়েছে।

প্রচলিত মারকেটোর প্রোজেকশন এখনো বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও ডিজিটাল ম্যাপিং সেবায় ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে নতুন মানচিত্রের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রকৃত আয়তন ও ভৌগোলিক অবস্থানকে আরও বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে উল্লেখ্য, মারকেটোর প্রোজেকশনকে শুধু ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্ব দেখানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল এমন দাবির পক্ষে সরলভাবে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। মূলত নৌ-নেভিগেশনের জন্য দিক ও কোণ ঠিক রাখার সুবিধার কারণেই এই প্রোজেকশন ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

সূত্র: সিএনএন

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কিউবায় পরিবর্তন আনতে সিআইএর সঙ্গে কাজের আহ্বান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
কিউবার কমিউনিস্ট সরকারে পরিবর্তন আনতে দেশটির নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) সঙ্গে গোপনে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
কিউবায় পরিবর্তন আনতে সিআইএর সঙ্গে কাজের আহ্বান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
কানাডা ছাড়তে নারাজ আলবার্টার ৭৭ শতাংশ ভোটার
কানাডা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিপক্ষে রায় দিয়েছেন দেশটির তেলসমৃদ্ধ প্রদেশ আলবার্টার অধিকাংশ ভোটার।
কানাডা ছাড়তে নারাজ আলবার্টার ৭৭ শতাংশ ভোটার
কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুনে ৪ জনের মৃত্যু, আশঙ্কাজনক ১৯
কানাডার আলবার্টা প্রদেশের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুনে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত ৩৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত ১৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুনে ৪ জনের মৃত্যু, আশঙ্কাজনক ১৯
কানাডার সেনাঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুন
কানাডার অন্যতম ব্যস্ত সামরিক ঘাঁটি হলো আলবার্টার সেনাঘাঁটি। যেখানে আগুনে লেগে বেশ কয়েকজন নিহত ও আহত হয়েছেন।  স্থানীয় সময় শনিবার রাতে (১৭ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন কানাডার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ জানিয়েছে, বিকাল ৪টার দিকে ঘাঁটি থেকে তাদের কাছে সহায়তা চাওয়া হয়। আগুন লাগলেও ওই শহরের বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার জন্য কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষকে এলাকাটি এড়িয়ে চলা, সড়ক খোলা রাখা এবং ওয়াইনরাইটের স্বাস্থ্যকেন্দ্র খুব বেশি প্রয়োজন না হলে না যাওয়ার অনুরোধ করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডেভিড ম্যাকগুইন্টি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ নিয়ে বলেন, আমি দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি সেখানে নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হলো এবং কতজন আহত ও নিহত হয়েছেন সেটি স্পষ্ট করেননি ডেভিড ম্যাকগুইন্টি।  তিনি শুধু বলেছেন, আগুনটি সক্রিয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। উচ্চ বাতাসের কারণে আগুনটি দ্রুত ছড়াচ্ছে। আলবার্টার প্রাদেশিক রাজধানী এডমন্টন থেকে ২১০ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ওয়াইনরাইট শহর। সেখানকার সেনাঘাঁটিতে কানাডিয়ান ম্যানুভার ট্রেনিং সেন্টার এবং থার্ড কানাডিয়ান ডিভিশন ট্রেনিং সেন্টার অবস্থিত। এছাড়া এডমন্ডের আর্মি ফিল্ড ফোর্স ইউনিটের ট্রেনিং গ্রাউন্ড হিসেবেও ব্যবহৃত হয় এ ঘাঁটি। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, গুরুতর ঘটনা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতো তিনিও জানাননি কীভাবে আগুন লেগেছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান আরটিভি/এসআর
কানাডার সেনাঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুন
পানামায় ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর আট দিনে ৭৪৬টি আফটারশক
পানামায় গত সপ্তাহে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর ৭৪৬টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে ভূমিকম্পের কারণে পরিবর্তন ঘটেছে কি না, তা নিয়ে গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা। 
পানামায় ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর আট দিনে ৭৪৬টি আফটারশক
আরও পড়ুন
হরমুজকে ‘মার্কিন ভূখণ্ড’ ঘোষণা করে মানচিত্র প্রকাশ করলেন ট্রাম্প
যে কারণে এশিয়ার মানচিত্র বদলে দিতে যাচ্ছে চীন
বিশ্বের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে যেসব দেশ 
কক্সবাজারের প্রশাসনিক মানচিত্রে নতুন নাম ‘মাতামুহুরি’