ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রে সেরা ১০ চাকরির ৬টিই স্বাস্থ্যসেবায়, বাড়ছে চাহিদা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৫ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে পারে এমন ১০টি পেশার ছয়টিই স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সহায়তা খাতের। দেশটির শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর নতুন পূর্বাভাসে এমন তথ্য উঠে এসেছে। তালিকার শীর্ষে রয়েছে নার্স অনুশীলনকারীর পেশা। আগামী এক দশকে এই পেশায় প্রায় ১ লাখ ৩৭ হাজার ৮০০টি নতুন চাকরি যুক্ত হতে পারে।

স্বাস্থ্যসেবা খাতে চাকরির চাহিদা বাড়ার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং ক্যানসার, হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস ও আচরণগত স্বাস্থ্য সমস্যার ব্যাপকতাকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব কারণে আগামী বছরগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সহায়তা খাতে আরও কর্মীর প্রয়োজন হতে পারে।

নার্স অনুশীলনকারীর পাশাপাশি চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপকদের চাকরিও দ্রুত বাড়বে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে এই পেশায় প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার ১০০টি নতুন চাকরি যুক্ত হতে পারে। নতুন চাকরির সংখ্যার হিসাবে এটি দ্রুত বাড়তে থাকা পেশাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় বৃদ্ধি হতে পারে।

দ্রুত বাড়তে থাকা পেশাগুলোর তালিকায় স্বাস্থ্যসেবা খাতের আরও কয়েকটি পেশা রয়েছে। জনসংখ্যার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা, পরিচর্যা এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন বাড়তে থাকায় এসব পেশায় কর্মীর চাহিদাও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে আচরণগত স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তাও স্বাস্থ্যসেবা খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।

তালিকায় প্রযুক্তি ও গণিতভিত্তিক দুটি পেশাও রয়েছে। তথ্যবিজ্ঞানী এবং কম্পিউটার ও তথ্য গবেষণা বিজ্ঞানীর চাকরি আগামী এক দশকে বাড়তে পারে। বড় পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ও বিশ্লেষণের প্রয়োজন এবং তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য ও সেবার চাহিদা বৃদ্ধিকে এসব পেশায় কর্মসংস্থান বাড়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তথ্যবিজ্ঞানীর পেশায় ২০২৫ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রায় ৯৫ হাজার ৪০০টি নতুন চাকরি যুক্ত হতে পারে। অন্যদিকে কম্পিউটার ও তথ্য গবেষণা বিজ্ঞানীর পেশায় প্রায় ৮ হাজার ৪০০টি নতুন চাকরি বাড়ার পূর্বাভাস রয়েছে। তবে এই দুই পেশায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবের মাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি বলে শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য উল্লেখ করেছে।

দ্রুত বাড়তে থাকা পেশার তালিকার বাকি দুটি চাকরি পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি খাতের। সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনকারী এবং বায়ু টারবাইন রক্ষণাবেক্ষণ প্রযুক্তিবিদের চাহিদা দ্রুত বাড়তে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং তথ্যকেন্দ্রসহ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে এসব পেশার প্রয়োজনও বাড়বে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এসব পেশায় শতকরা হারে প্রবৃদ্ধি বেশি হলেও নতুন চাকরির মোট সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনকারী ও বায়ু টারবাইন রক্ষণাবেক্ষণ প্রযুক্তিবিদের পেশা মিলিয়ে আগামী এক দশকে ১৫ হাজারের কম নতুন চাকরি যুক্ত হতে পারে।

২০২৫ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক কর্মসংস্থান প্রায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়বে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালে প্রায় ১৭ কোটি ৩ লাখ চাকরি থেকে ২০৩৫ সালে তা প্রায় ১৭ কোটি ৬২ লাখে পৌঁছাতে পারে। তবে এই প্রবৃদ্ধি ২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের ১০ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় অনেক কম।

জনসংখ্যার বয়স বাড়তে থাকায় আগামী দশকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি কমতে পারে। কর্মশক্তিতে অংশগ্রহণের হার কমে যাওয়াও এর একটি কারণ। অনেক বয়স্ক কর্মী অবসরের কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছেন এবং জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের কারণে তাদের জায়গায় তরুণ কর্মীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে।

অন্যদিকে খুচরা বাণিজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরিতে ২০২৫ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে কর্মসংস্থান কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। খুচরা বাণিজ্যে কর্মসংস্থান শূন্য দশমিক ২ শতাংশ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরিতে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ কমতে পারে। তবে কোনো পেশায় কর্মসংস্থান কমার পূর্বাভাস থাকলেও সেখানে চাকরির সুযোগ একেবারে শেষ হয়ে যাবে, এমনটা নয়।

শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থান পূর্বাভাসে অনিশ্চয়তার বিষয়টিও উল্লেখ করেছে। তারপরও এই পূর্বাভাস থেকে আগামী এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রে কোন পেশাগুলোর কর্মীর চাহিদা বাড়তে পারে, তার একটি ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা, প্রযুক্তি এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি খাতের পেশাগুলো এই তালিকায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।

সূত্র: সিএনবিসি

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নেতানিয়াহু মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই খালি জাতিসংঘের অধিবেশন কক্ষ
যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার জন্য পোডিয়ামে দাঁড়ানোর পরপরই চরম এক নাটকীয় পরিস্থিতির তৈরি হয়। তার বক্তব্য শুরু হওয়ার সাথে সাথেই অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করে দলবেধে বাইরে চলে যান বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।
নেতানিয়াহু মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই খালি জাতিসংঘের অধিবেশন কক্ষ
জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্ট / মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু রোধে ধাত্রীসেবা জোরদারের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
প্রতিরোধযোগ্য মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু রোধে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে দক্ষ ধাত্রীসেবা বা মিডওয়াইফারির কার্যকর সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কার্যকর পদক্ষেপ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের এক সাইড ইভেন্টে।
মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু রোধে ধাত্রীসেবা জোরদারের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশকে নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্ট
মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে বাংলাদেশের নতুন করে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি সই হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বিশেষ পোস্ট দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 
বাংলাদেশকে নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্ট
লালগালিচায় চীনের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সুসজ্জিত সামরিক বিমান উড়িয়ে এবং ১০০ ফুট (৩০ মিটার) দীর্ঘ লালগালিচা বিছিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে লালগালিচা সংবর্ধনা জানিয়েছেন।
লালগালিচায় চীনের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প
জুতা দিয়ে টেবিলে আঘাত থেকে সনদ ছেঁড়া, জাতিসংঘে স্মরণীয় সব মুহূর্ত
নিউ ইয়র্কে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন বিশ্বনেতারা। এমন সময় বিশ্বরাজনীতি, যুদ্ধ, সংঘাত ও কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি অতীতের স্মরণীয় ঘটনাগুলোও ফিরে আসছে আলোচনায়। জাতিসংঘের ইতিহাসের এমন কিছু স্মরণীয় ও আলোচিত মুহূর্ত নিচে তুলে ধরা হলো— ফিদেল কাস্ত্রোর সাড়ে ৪ ঘণ্টার ম্যারাথন ভাষণ (১৯৬০)  জাতিসংঘের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ ভাষণের রেকর্ডটি কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর দখলে। ১৯৬০ সালে নিজের প্রথম ভাষণে তিনি টানা ৪ ঘণ্টা ২৯ মিনিট বক্তব্য দেন। এই সময়ে তিনি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কড়া সমালোচনা করেন এবং কিউবান বিপ্লবের আদর্শ তুলে ধরেন। Politics নিকিতা ক্রুশ্চেভের টেবিল চাপড়ানো (১৯৬০) ১৯৬০ সালের অধিবেশনে পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত সাম্রাজ্যবাদের সমালোচনা করায় ক্ষুব্ধ হয়ে সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ নিজের টেবিলে সজোরে ঘুষি মারতে থাকেন। এই অধিবেশন ঘিরেই তার জুতা খুলে টেবিলে আঘাত করার ঐতিহাসিক কিংবদন্তি চালু হয়। হুগো চ্যাভেজ ও ‘শয়তানের গন্ধ’ (২০০৬) ২০০৬ সালে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো চ্যাভেজ পডিয়ামে উঠে বুকে ক্রস আঁকেন এবং তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘গতকাল এখানে শয়তান এসেছিল। আজও এখানে গন্ধকের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।’ গাদ্দাফির সনদ ছিঁড়ে ফেলা (২০০৯)  লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি ২০০৯ সালে ১৫ মিনিটের সময়সীমা ভেঙে টানা ১০০ মিনিট বক্তব্য দেন। নিরাপত্তা পরিষদকে ‘সন্ত্রাস পরিষদ’ আখ্যা দিয়ে প্রকাশ্যে জাতিসংঘ সনদের একটি পাতা ছিঁড়ে কাঁধের ওপর দিয়ে ছুড়ে ফেলেন তিনি। নেতানিয়াহুর কার্টুন বোমা (২০১২)  ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অগ্রগতি বোঝাতে অধিবেশনে বোমার একটি বড় কার্টুন চিত্র প্রদর্শন করেন এবং একটি লাল কালি দিয়ে সেখানে সীমারেখা টানেন। ট্রাম্পের ‘রকেট ম্যান’ মন্তব্য (২০১৭)  ২০১৭ সালে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক উত্তেজনার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়াকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দেন এবং দেশটির নেতা কিম জং উনকে ‘রকেট ম্যান’ বলে উপহাস করেন। Politics(Right) গিলাদ এরদানের সনদ শ্রেড করা (২০২৪)  ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদের একটি প্রস্তাবের প্রতিবাদে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত গিলাদ এরদান একটি ছোট পেপার শ্রেডার মেশিন দিয়ে অধিবেশনের সামনেই জাতিসংঘ সনদের প্রচ্ছদ পাতা কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলেন। ট্রাম্পের ‘এস্কেলেটরগেট’  সম্প্রতি জাতিসংঘের মূল ভবনে প্রবেশের সময় এস্কেলেটর হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে হেঁটে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়। ট্রাম্প এই ঘটনাকে ‘নাশকতা’ বলে অভিযোগ করলেও জাতিসংঘ জানায়, ট্রাম্পের সঙ্গে থাকা একজন ভিডিওগ্রাফার ভুলবশত এস্কেলেটরের ইমার্জেন্সি স্টপ বোতামে চাপ দেওয়ায় এটি বন্ধ হয়ে যায়। এসব নাটকীয় ঘটনা ছাড়াও দীর্ঘ ভাষণ ও ক্লান্তিকর সূচির কারণে জাতিসংঘ অধিবেশনে বিভিন্ন সময়ে বিশ্ব নেতাদের ঘুমিয়ে পড়ার দৃশ্যও ভাইরাল হয়েছে। ২০১৭ সালে জিম্বাবুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবের ঘুমিয়ে পড়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল। সূত্র: ওয়াননিউজ আরটিভি/এসআর
জুতা দিয়ে টেবিলে আঘাত থেকে সনদ ছেঁড়া, জাতিসংঘে স্মরণীয় সব মুহূর্ত
আরও পড়ুন
দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে ক্রেডিট কার্ডে নির্ভরতা বাড়ছে মার্কিন পরিবারগুলোর
ক্যালিফোর্নিয়ার সব হাসপাতালের লিস্ট ও জরুরি নম্বরসমূহ জেনে নিন
যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান লালন-পালনে কম খরচ হয় যেসব রাজ্যে
আইফোনের চেয়েও দামি ‘ট্রাম্প ফোন’, এক লাফে ৭৪৯ ডলার