
ফ্লোরিডার জ্যাকসনভিলের ১৯ বছর বয়সী ক্যালেব প্রুইট আগামী ১ নভেম্বর নিউইয়র্ক নগরীর ৫৫তম ম্যারাথনে অংশ নিতে যাচ্ছেন। তার লক্ষ্য, ডাউন সিনড্রোম নিয়ে এই দৌড় শেষ করা সবচেয়ে কম বয়সী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি অর্জন করা।
ক্যালেবের এই যাত্রায় সবচেয়ে বড় সঙ্গী তার মা কারেন। মা-ছেলে এরই মধ্যে লন্ডন ও শিকাগোর বড় ম্যারাথনে অংশ নিয়ে দৌড় শেষ করেছেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে অর্ধম্যারাথন শেষ করেও তিনি বিশেষ পরিচিতি পেয়েছিলেন।
নিউইয়র্কের কঠিন দৌড়ের প্রস্তুতির জন্য কয়েক মাস ধরে ফ্লোরিডার প্রচণ্ড গরমে নিয়মিত অনুশীলন করেছেন ক্যালেব ও তার মা। তাদের সামনে এখন ২৬ দশমিক ২ মাইল বা প্রায় ৪২ কিলোমিটারের পথ পাড়ি দেওয়ার চ্যালেঞ্জ।
ক্যালেবের এই যাত্রায় সবচেয়ে বড় সঙ্গী তার মা কারেন। মা-ছেলে এরই মধ্যে লন্ডন ও শিকাগোর বড় ম্যারাথনে অংশ নিয়ে দৌড় শেষ করেছেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে অর্ধম্যারাথন শেষ করেও তিনি বিশেষ পরিচিতি পেয়েছিলেন।
নিউইয়র্কের কঠিন দৌড়ের প্রস্তুতির জন্য কয়েক মাস ধরে ফ্লোরিডার প্রচণ্ড গরমে নিয়মিত অনুশীলন করেছেন ক্যালেব ও তার মা। তাদের সামনে এখন ২৬ দশমিক ২ মাইল বা প্রায় ৪২ কিলোমিটারের পথ পাড়ি দেওয়ার চ্যালেঞ্জ।
তবে ক্যালেবের কাছে এই দৌড় শুধু সময়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতা নয়। তিনি চান দর্শকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতে, পথে পথে হাত মেলাতে এবং নাচতে নাচতে শেষ সীমায় পৌঁছাতে।
তার মা কারেনের বক্তব্য, অনুশীলনই কঠিন পরিশ্রম, আর প্রতিযোগিতার দিনটি হবে উদ্যাপনের। পরিবারের কাছে ছেলের অংশগ্রহণ ও শেষ পর্যন্ত পৌঁছানোই সবচেয়ে বড় আনন্দ।
এবারের নিউইয়র্ক ম্যারাথনে প্রায় ৬০ হাজার দৌড়বিদ অংশ নেবেন বলে আয়োজকদের হিসাব। পাঁচটি বরো ঘুরে যাওয়া এই আয়োজনে প্রায় ২০ লাখ দর্শক রাস্তার দুই পাশে উপস্থিত থাকতে পারেন।
ক্যালেবের গল্প এখন শুধু একটি দৌড়ের প্রস্তুতির খবর নয়; এটি অন্তর্ভুক্তি, পারিবারিক ভালোবাসা এবং নিজের সামর্থ্যকে কাজে লাগানোর অনুপ্রেরণামূলক গল্প। তার লক্ষ্য পূরণ হলে তা ডাউন সিনড্রোম নিয়ে বসবাসকারী আরও অনেক মানুষের জন্য উৎসাহের কারণ হতে পারে।
আরটিভি/এসএস




