ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

বিশ্বে এখন পর্যন্ত ধরা পড়া ৫টি দানবীয় মাছ

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ১২:০০ পিএম
বিশ্বে এখন পর্যন্ত ধরা পড়া ৫টি দানবীয় মাছ।ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীর সাগর ও নদীতে লুকিয়ে আছে বহু বিস্ময়কর আকারের মাছ, যেগুলোর কিছু ধরা পড়ার পরই বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বড়শি বা জালে ধরা এমন কিছু মাছ আকার ও ওজনে প্রায় ‘দানবীয়’ বলে মনে হয়।

১৯৩৯ সাল থেকে এমন রেকর্ড সংরক্ষণ করে আসছে ইন্টারন্যাশনাল গেম ফিশ অ্যাসোসিয়েশন (আইজিএফএ)। কখনো মাছের দৈর্ঘ্য মেপে আবার পানিতে ছেড়ে দেওয়া হয়, আবার কখনো ওজন রেকর্ড করতে গিয়ে মাছটি মারা যায়।

বিশ্বজুড়ে গিনেস ও আইজিএফএ এর তথ্য ঘেঁটে সবচেয়ে বড় পাঁচটি মাছের রেকর্ড এভাবে উঠে এসেছে-

১. সবচেয়ে বড় স্টারজন

১৯৮৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ধরা পড়ে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাদা স্টারজন। মাছটির ওজন ছিল প্রায় ২১২ কেজি। ডাইনোসর যুগ থেকে টিকে থাকা এই প্রজাতি ক্যাভিয়ার উৎপাদনের কারণে এখন বিপদাপন্ন।

Screenshot

২. বিশাল অ্যালিগেটর গার

২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপির লেক চোটার্ডে ধরা পড়ে ৮ ফুট ৫ ইঞ্চি লম্বা এক অ্যালিগেটর গার। ওজন ছিল ৩২৭ পাউন্ড। ধারণা করা হয়, মাছটির বয়স ছিল প্রায় ৭০-৯৫ বছর।

৩. সবচেয়ে বড় কিং স্যামন

আলাস্কার কেনাই নদীতে ধরা এই বিশাল কিং স্যামনের ওজন ছিল প্রায় ৪৪ কেজি। বিশেষ কৃত্রিম টোপ ব্যবহার করে এটি ধরেন মৎস্যশিকারি লেস অ্যান্ডারসন, যা বিশ্বরেকর্ড হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

৪. রেকর্ড ওয়েলস ক্যাটফিশ

২০২৩ সালে ইতালির পো নদীতে ধরা পড়ে ৯.৪ ফুট লম্বা এক বিশাল ওয়েলস ক্যাটফিশ। আলেসান্দ্রো বিয়ানকার্ডি নামের এক মৎস্যশিকারি এটি ধরেন, যা আগের সব রেকর্ড ভেঙে দেয়।

৫. সবচেয়ে বড় লেক ট্রাউট

কানাডার নর্থওয়েস্ট টেরিটরিতে ধরা এই লেক ট্রাউটের ওজন ছিল প্রায় ৩২.৬ কেজি। আইজিএফএ এর ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে ভারী রেকর্ডকৃত লেক ট্রাউট।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত শিকার ও পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে এসব বিশাল মাছের অনেক প্রজাতিই এখন হুমকির মুখে রয়েছে।

সূত্র: আউট ডোর লাইফ, ফিশিং বুকার

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পেঁয়াজ কাটলেই চোখে পানি আসে কেন
রান্নার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে পেঁয়াজ কাটতে হয় প্রায় প্রতিদিনই।
পেঁয়াজ কাটলেই চোখে পানি আসে কেন
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
সকালের শুরুতে এক কাপ চা, বিকেলে ক্লান্তি দূর করতে আবারও চায়ের কাপে চুমুক—এমন অভ্যাস অনেকেরই।
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
প্রতিদিনের ৫ অভ্যাসেই ক্ষতি হচ্ছে মেরুদণ্ডের!
দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করা, অবসর সময়ে সোফায় গা এলিয়ে মুঠোফোন দেখা কিংবা শারীরিক পরিশ্রম না করা—আধুনিক জীবনে এমন অভ্যাস অনেকেরই।
প্রতিদিনের ৫ অভ্যাসেই ক্ষতি হচ্ছে মেরুদণ্ডের!
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আরও পড়ুন
মৌমাছির চাকে বাজপাখির হানা, প্রাণ গেল বৃদ্ধের
বুড়ির বাঁধে মাছ শিকারের উৎসবে মেতেছে ঠাকুরগাঁওবাসী
এবার পুকুরের মাছেও মাইক্রোপ্লাস্টিক
রাতে চোখে ঘুম লেগে আসে পাহারাদারের, এই সুযোগেই ঘটে ‘সর্বনাশ’