ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

আরও এক ভিডিওতে নারীর সঙ্গে আবাসিক হোটেলে সেই এমপি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম
এক নারীর সঙ্গে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের হোটেলে প্রবেশের আরও একটি নতুন ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে চলমান বিতর্কে নতুন হাওয়া লেগেছে। এক নারীর সঙ্গে তার হোটেলে প্রবেশের আরও একটি নতুন ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ভিডিওতে ওই নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গেছে এমপিকে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, গাজী নজরুল ইসলাম এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে প্রবেশ করছেন। এসময় হোটেলের রিসেপশনে দায়িত্বরত এক ব্যক্তির সঙ্গে করমর্দন করে ভেতরে চলে যান তারা। ভিডিওর আরেক অংশে হোটেলের লবিতে ওই নারীর সঙ্গে তাকে ঘনিষ্ঠ হতে দেখা যায়।

তবে, ভিডিওতে থাকা নারী তার দাবি করা দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তার (বেগম) কি-না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন

এর আগে, ২০ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে গাজী নজরুল ইসলামকে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায়।

ওই ঘটনার পর দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, ভিডিওতে থাকা তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তার। তিনি বলেন, গত ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তার এবং গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাসুম বিল্লাহর মগবাজারের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভায় গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাংগঠনিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে ওঠা নৈতিক স্খলনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর নিয়ে একটি গণমাধ্যমের টকশোতে দেওয়া বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান রতন।
ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন
আওয়ামী লীগের ভাষায় বিএনপিকে আক্রমণ এনসিপির জন্য বুমেরাং হবে: রাশেদ খাঁন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, আওয়ামী লীগের ভাষায় বিএনপিকে আক্রমণ করার যে পথ এনসিপি বেছে নিয়েছে, এটি ওদের জন্যই বুমেরাং হবে।
আওয়ামী লীগের ভাষায় বিএনপিকে আক্রমণ এনসিপির জন্য বুমেরাং হবে: রাশেদ খাঁন
পদত্যাগ ইস্যুতে ইশরাকের ফেসবুক পোস্ট
বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ কিংবা তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—এমন খবর প্রচারের পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়েছেন ইশরাক।
পদত্যাগ ইস্যুতে ইশরাকের ফেসবুক পোস্ট
‘গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত ও সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। রোববার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। রাশেদ খাঁন লেখেন, হাসনাত আব্দুল্লাহকে সমন্বয়করা হাসিনার আব্দুল্লাহ ডাকার সূত্রপাত হয়, ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে আবু সাইদ,ওয়াসিম আকরামসহ ৬ জন শহীদের জন্য আয়োজিত গায়েবানা জানাজা ও কর্মসূচিতে নারী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর বর্বর হামলার প্রতিবাদে রিফাত রশিদ একটা প্রতিবাদলিপি লিখে হাসনাত আব্দুল্লাহকে চেক করার জন্য দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকে। তিনি লেখেন, ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে হাসনাত আব্দুল্লাহ সেই প্রতিবাদলিপির শেষের দিকে যুক্ত করে দেয় যে, 'আলোচনার দরজা খোলা আছে'। এমনকি সমন্বয়কদের কারও সাথে আলোচনা না করেই সেটি আবার ফেসবুকে পোস্টও করে দেয়। এনিয়ে সমন্বয়কদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ স্বীকার করে যে, ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে তিনি এই লাইন যুক্ত করেছেন। তিনি আরও লেখেন, এছাড়া ১০ জুলাই কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পর ৩ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করার জন্য ঢাবির তৎকালীন সহকারী প্রক্টর, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহিম স্যারের সাথে বসে ডিজিএফআইয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রেস নোটও হাসনাত-সারজিস লিখে ফেলেছিলো। কিন্তু শাহবাগে হাসনাত-সারজিস উপস্থিত হওয়ার পর অন্যান্য সমন্বয়করা রাজি না হওয়ায় আন্দোলন স্থগিত ঘোষণার মতো সাহস দেখাতে পারেনি এই দুই জুলাই গাদ্দার। শেষে তিনি লেখেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে এভাবে হাসনাত- সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে.... ১৯ জুলাই শহীদের রক্ত মারিয়ে আ.লীগের মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক কিংবা নাহিদ-আসিফ গুম হওয়ার পরে ডিজিএফআইয়ের গাড়িতে ঘুরে বেড়ানো ও ডিবি হেফাজতে পুকুরপাড়ে বসে জুস খাওয়া সেই হাসিনার আব্দুল্লাহ যখন ৬১ দিন গুম ও দীর্ঘদিন নির্বাসিত থাকা জনাব সালাউদ্দিন আহমেদকে শুধুমাত্র  'সালাউদ্দিন সম্বোধন করে , ' বিএনপিই কিছুদিন পর সালাউদ্দিনের বিচার করবে ' বলে গালমন্দ করে, তখন বলতেই হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতি ও শেখ হাসিনার পতনের ক্ষোভ থেকেই শেখ হাসিনার দ্বারা গুম হওয়া একজন নেতা  সম্পর্কে ওরা এই আক্রোশ লালন করতেই পারে। আরটিভি/টিআর
‘গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত ও সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে’
কোন কারণে বুকে পাথর চাপা দিয়ে জুলাই সনদে সই করেছিল জামায়াত, প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের
বিএনপিসহ কয়েকটি দলের ভিন্নমতের সঙ্গে একমত হয়েই জামায়াতে ইসলামী জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।  রোববার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লেখেন রাশেদ খাঁন। তার প্রশ্ন, কোন কারণে ‘বুকে পাথর চাপা দিয়ে’ জামায়াত সনদে স্বাক্ষর করেছিল। তিনি লেখেন, বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি দলের ভিন্নমতের সাথে একমত হয়েই জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছিল জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় ঐক্যমত কমিশন আয়োজিত স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের ঠিক আগের দিন জামায়াতে ইসলামী বলেছিলো, পিআর ছাড়া জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবো না। কিন্তু পরের দিন স্বাক্ষর করার জন্য জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সবার আগে তারাই গিয়ে বসে ছিল। পোস্টে তিনি লেখেন, জানি না, কোন কারণে বুকে পাথর চাপা দিয়ে জামায়াতে ইসলামী জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছিল! তবে যতো কষ্টই তাদের হোক না কেনো, তারা স্বাক্ষর করার মধ্য দিয়ে জুলাই জাতীয় সনদে থাকা ভিন্নমত বিতর্কের অবসান ঘটেছিল। ‘তবে এনসিপি সনদে স্বাক্ষর না করে তাদের অবস্থান ধরে রেখেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তারাও স্বাক্ষর করার মধ্য দিয়ে ভিন্নমত বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদের স্বীকৃতি প্রদান করে। বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারর প্রথম দফাতেই উল্লেখ করা আছে, জনগণের ম্যানডেট পেলে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করা হবে।’ রাশেদ খাঁন লেখেন, বিএনপি সরকার তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দায়িত্ব গ্রহণের পর দিন থেকে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। কিন্তু সকল দলের স্বাক্ষরের মাধ্যমে ভিন্নমত বিতর্কের যে অবসান ঘটেছে, সেই বিতর্ক নতুন করে সামনে এনে সময় নষ্ট করার কোনো প্রয়োজন নেই। আরটিভি/এসআর
কোন কারণে বুকে পাথর চাপা দিয়ে জুলাই সনদে সই করেছিল জামায়াত, প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের
আরও পড়ুন
নতুন অধিনায়ক নাহিদাকে সাবেক ক্যাপ্টেনের বার্তা
নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা
ইসলামী আন্দোলনের নারী ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা
অবশেষে সেই ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন পরীমনি