ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

ভ্রমণ প্যাকেজের নামে ভয়াবহ প্রতারণা জলফড়িং এজেন্সির

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

জলফড়িং এজেন্সি নামে একটি অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে ভ্রমণ প্যাকেজ ও টিকিট বুকিংয়ের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি ও ভ্রমণসংশ্লিষ্ট সংগঠন এ অভিযোগ তুলে সতর্কবার্তা দিয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, অগ্রিম টাকা নেওয়ার পর গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। অনেককে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্লকও করা হচ্ছে।

ভ্রমণসংশ্লিষ্ট সংগঠন ক্যাপসক্যানের (Capscan) ১৪ অক্টোবরের এক পোস্টে এজেন্সিটির বিরুদ্ধে ২১ হাজার টাকা আর্থিক প্রতারণার অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়। পোস্টে টাকা লেনদেনের আগে এজেন্সির তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ফেসবুকের একটি গ্রুপে ১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত পোস্টে এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, জলফড়িং এজেন্সি সাজেকে ট্যুর প্যাকেজ বুকিংয়ের কথা বলে তার কাছ থেকে ১০ হাজার ১৩৫ টাকা নিয়েছে। পরে তাকে ব্লক করে দেওয়া হয়।

এ ছাড়া ‘ফ্রড অ্যালার্ট বিডি’ নামে একটি পেজে প্রকাশিত পোস্টে ছয় বন্ধুর সুন্দরবন ভ্রমণের বুকিং বাবদ ২৪ হাজার টাকা অগ্রিম বিকাশ করার পর এজেন্সিটির বিরুদ্ধে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ করা হয়। পোস্টে সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পেজের লিংক ও লেনদেনের স্ক্রিনশটও প্রকাশ করা হয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত

‘জলফড়িং ট্রাভেলার্স’ নামে একটি পেজেও পর্যটকদের সতর্ক করে বলা হয়, জনপ্রিয় পর্যটন স্পটের ছবি ব্যবহার করে আকর্ষণীয় প্যাকেজ ও টিকিটের অফার দেওয়া হচ্ছে। পরে হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে অগ্রিম টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। টাকা পাঠানোর পর যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া বা নম্বর ব্লক করার অভিযোগও তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

এ ধরনের প্রতারণা এড়াতে ভ্রমণসংশ্লিষ্ট পেজগুলো থেকে প্রতিষ্ঠানের অফিসের ঠিকানা, বৈধতা ও নিবন্ধনের তথ্য, আগের কার্যক্রম এবং গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ নম্বর নিশ্চিত করে ব্যাংক বা প্রাতিষ্ঠানিক পেমেন্ট মাধ্যমে টাকা লেনদেনের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

প্রতারণার শিকার হলে লেনদেনের পরিচিতি নম্বর (ট্রানজেকশন আইডি), পেমেন্টের রসিদ, হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথন, ফোন নম্বর ও পোস্টের স্ক্রিনশটসহ প্রমাণ সংরক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জলফড়িং এজেন্সির ফেসবুক পেজে দেওয়া নাম্বারে ফোন দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তাই তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মাদরাসা শিক্ষকদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে যা বললেন আহমাদুল্লাহ
মাদরাসাগুলোতে ঘটে যাওয়া নানা অনৈতিক ও জঘন্য কর্মকাণ্ডের জন্য মূলত অনুমোদনহীন ও মানহীন ভুঁইফোঁড় কিছু প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করেছেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।  তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের অপরাধের কারণে গোটা মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ছে। তাই অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি সত্য আড়াল করে, তবে তা পুরো মাদরাসা ব্যবস্থার জন্য চরম ও অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনবে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) শায়খ আহমাদুল্লাহর ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে এ কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে টঙ্গীর সাম্প্রতিক ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার এবং বিচারহীন বা তদন্তহীন ক্ষোভ প্রদর্শন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।  শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, মাদরাসাগুলোতে জঘন্য অনাচারের যত ঘটনা শোনা যায়, তার অধিকাংশই ভুঁইফোঁড়, মানহীন প্রাইভেট মাদরাসা। তারপরও এগুলো যেহেতু মাদরাসাই, এবং তাদের অপকর্মের কারণে যেহেতু পুরো মাদরাসা-ব্যবস্থা আজ হুমকির সম্মুখীন, তাই এগুলো দমনে মাদরাসা পরিচালনার সাথে যুক্ত কর্তৃপক্ষকেই জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে।’  তিনি জানান, মাদরাসার অপকর্ম রোধে করণীয় নিয়ে তিনি আগেই ৩০ জনেরও বেশি শীর্ষ আলেমের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পাঠিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তা জনসচেতনতার জন্য প্রকাশ্যে তুলে ধরেন। বোর্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বে না থাকায় লেখা ও সচেতনতা তৈরির বাইরে তার কোনো দাপ্তরিক ক্ষমতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবাসিক মাদরাসাগুলো লাখ লাখ এতিম-অসহায় শিক্ষার্থীর আশ্রয়স্থল ও দ্বীনি শিক্ষার মূল কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলোর মর্যাদা ও জনআস্থা ধরে রাখতে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সর্বশক্তি নিয়োগ করে পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় ইতিহাসের দায় তাদেরকেই নিতে হবে। অপরাধীদের রক্ষার চেষ্টার কড়া সমালোচনা করে তিনি লেখেন, এত কিছুর পরও যদি কোনো প্রতিষ্ঠান শিক্ষক নামের কতিপয় অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে, সমাধানের পথে না গিয়ে সত্য আড়াল করে, তবে এই লুকোচুরি মাদরাসার জন্য চূড়ান্ত ক্ষতি ডেকে আনবে, তখন আফসোস ছাড়া আর কিছু করার থাকবে না। টঙ্গীতে ঘটে যাওয়া এক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বিচারহীন ক্ষোভ ও আইন নিজের হাতে নেওয়ার প্রবণতা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অপরাধ প্রমাণের আগেই যদি শিক্ষকের ওপর চড়াও হওয়া হয় এবং পরবর্তীতে তদন্তে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে ওই শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের যে সম্মানহানি ও অপূরণীয় ক্ষতি হয়, তা কীভাবে পূরণ হবে? তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ধর্ম অবমাননাসহ কোনো ইস্যুতেই ইসলাম আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অনুমতি দেয় না। তাই মাদরাসা বা যে কোনো জায়গায় সংঘটিত অনাচারের বিরুদ্ধে সরব থাকার পাশাপাশি আমাদের ক্ষণিকের ক্রোধ যেন অন্যের অপূরণীয় ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়েও সজাগ থাকি। আরটিভি/এসআর
মাদরাসা শিক্ষকদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে যা বললেন আহমাদুল্লাহ
শাহজালাল রুমিকে নিয়ে সোহেল তাজের পোস্ট
গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদরাসাপড়ুয়া শিশুকন্যাকে চুমু খেতে চাওয়ার অভিযোগে শিক্ষককে চড় মারা শাহজালাল রুমির পাশে দাঁড়ালেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।
শাহজালাল রুমিকে নিয়ে সোহেল তাজের পোস্ট
আবারও প্রমাণ হলো আ.লীগ সন্ত্রাসী সংগঠন: আবু হানিফ 
গোপালগঞ্জে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় আবারও প্রমাণ হয় আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসী সংগঠন বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ। 
আবারও প্রমাণ হলো আ.লীগ সন্ত্রাসী সংগঠন: আবু হানিফ 
এমন বডিবিল্ডার বাবা ঘরে ঘরে হোক: তারেক রহমান
সন্তানদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। বডিবিল্ডার বাবার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেছেন, এমন বাবা ঘরে ঘরে হওয়া উচিত। শনিবার (২৩ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লেখেন তিনি। পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ময়মনসিংহে এক হিন্দু যুবককে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে গাছের সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় জুবায়ের নামে এক ব্যক্তি উসকানিদাতা ছিলেন বলে তিনি দাবি করেন। তিনি লেখেন, থাপ্পড় দেওয়ার ঘটনায় জুবায়েররা প্রমাণ ও ন্যায়বিচার চাইছেন। কিন্তু কাউকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার সময় ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা কেন বিবেচনায় নেওয়া হয় না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। সবার ক্ষেত্রেই ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সন্তানের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেন তারেক রহমান। ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘মানুষের মনের কথা, এমন বডি বিল্ডার বাবা ঘরে ঘরে হোক, তার সন্তানকে যেন খারাপ কিছু করতে ১০ বার ভাবে।’ শিশুদের সুরক্ষার প্রসঙ্গে তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের শিশুদের ঠোঁটে চুমু দেওয়ার ছবি ও ভিডিও প্রকাশের বিষয়েও মন্তব্য করেন। এ ধরনের আচরণ শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তারেক রহমানের দাবি, শিশুদের ঠোঁটে চুমু দেওয়ার মাধ্যমে বড়দের মুখের লালা ও ব্যাকটেরিয়া থেকে মেনিনজাইটিস, হারপিস ও দাঁতের ক্ষয়ের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। সন্তানের সুরক্ষার স্বার্থে এ ধরনের অভ্যাস পরিহারের আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া শিশুদের প্রতি যৌন নির্যাতনের ঘটনা প্রতিরোধে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে কঠোর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারেক রহমান। একই সঙ্গে জুবায়ের নামের ওই ব্যক্তিকে আলেম-ওলামাদের আশ্রয় না দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। আরটিভি/এসআর
এমন বডিবিল্ডার বাবা ঘরে ঘরে হোক: তারেক রহমান
একটি দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে এমন চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন: রাশেদ খাঁন
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, আমাদের সব বাবা-মায়ের কাছে সন্তান একটি পবিত্র আমানত। এই আমানতের দিকে কেউ কুনজর দিলে বাবা-মায়ের ক্ষুব্ধ হওয়া খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু একটি বিষয় ভুলে গেলে চলবে না, একটি দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে এমন চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি। রাশেদ খাঁন বলেন, হয়তো শিশু বা কারও প্রতি স্বাভাবিক আদর কিংবা ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তিনি চুমু দেন। কিন্তু তার আচরণের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে অন্য কেউ এমন আবেগ প্রকাশ করলে কিংবা দুশ্চরিত্র সুযোগসন্ধানী লোকজন শিশুদের দিকে কুনজর দিলে, এর পরিণতি কি হতে পারে, সেটি টঙ্গীতে পরিলক্ষিত হয়েছে। তিনি বলেন, আমি বলছি না যে, সেই দলের প্রধান নেতা কোনো নেতিবাচক সেন্স থেকে চুমু দিয়ে কারও প্রতি ভালোবাসা বা আদরের বহিঃপ্রকাশ ঘটান। তবে বর্তমান বাস্তবতা ও প্রেক্ষাপটে এই ধরনের চুমু দেওয়া একটি শিশু কিংবা কোনো ব্যক্তির জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। আশা করি, টঙ্গীর ঘটনার পরে ওই দলের প্রধান নেতাও সংশোধন হবেন। টঙ্গীর ঘটনায় নিয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, চুমু দেওয়া একজন শিক্ষকের কাজ নয়, একজন রাজনৈতিক নেতারও কাজ নয়। টঙ্গীতে একটি মাদ্রাসায় ৭ বছরের শিশু কন্যাকে ওই মাদ্রাসার অভিযুক্ত একজন শিক্ষক চুমু দেওয়া এবং পরবর্তীতে শিশুটির বাবার অভিযুক্ত শিক্ষককে থাপ্পড় মারার ঘটনা সারাদেশে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।  ‘বিষয়টি সামনে আসার পর অনেক বাবা-মাকে তার সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আবার এই ঘটনাকে সামনে এনে কারও কারও মাদ্রাসাশিক্ষা-বিরোধী ক্যাম্পেইনও করতে দেখা যাচ্ছে, কিন্তু কোনো ব্যক্তির অপরাধের জন্য পুরো মাদ্রাসাশিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যায় না, ওই বাবাও তার বক্তব্যে এমনটাই তুলে ধরেছেন।’ তিনি বলেন, আশা করি, সারা দেশের মাদ্রাসার শিক্ষকরাই এই ঘটনাগুলোর প্রতিকার বের করে প্রতিবাদ করবেন এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন। আরটিভি/এসআর  
একটি দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে এমন চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন: রাশেদ খাঁন
আরও পড়ুন
টাকা দ্বিগুণ বানিয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে প্রতারণা, অতঃপর... 
আদালতের সঙ্গে প্রতারণার প্রমাণ মিলল তদন্তে, ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি
ফ্রি ভিসা নিয়ে সতর্ক করল জর্ডানের বাংলাদেশ দূতাবাস
কক্সবাজারে ১৯৩৮ আইফোন নিয়ে কী করছিলেন ৬ চীনা নাগরিক?