
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আজ রাতে ঘরের মাঠ ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর (পিএসজি) মুখোমুখি হবে ম্যানচেস্টার সিটি। এই ম্যাচে গোল করতে পারলেই সার্জিও অ্যাগুয়েরোকে ছাড়িয়ে যাবেন আলিং হাল্যান্ড।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৫৯ ম্যাচে মাঠে নেমে ৫৯টি গোল করেছেন ম্যানসিটির এই গোলমেশিন। যার মধ্যে সিটির আকাশী-নীল জার্সিতে ৪০ ম্যাচে তার গোল সংখ্যা ৩৬। আর একটি গোল করলেই অ্যাগুয়েরোকে (৬৪ ম্যাচে ৩৬ গোল) ছাড়িয়ে এককভাবে ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাসে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যাবেন এই ২৬ বছর বয়সী তারকা।
বিশেষ করে টুর্নামেন্টের গ্রুপ ও লিগ পর্বে হালান্ড বেশ ভয়ংকর; ২০১৯-২০ মৌসুমে অভিষেকের পর থেকে এই পর্বে ৩৯ ম্যাচে ৪২ গোল করেছেন তিনি, যা এই সময়ে আর কেউ করতে পারেননি।
আজকের ম্যাচে আরও একটি বড় মাইলফলক হাতছানি দিচ্ছে হাল্যান্ডকে। আর ১টি গোল করলেই তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক তারকা রুদ ফান নিস্তেলরয়ের ৬০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করবেন। আর জোড়া গোল করতে পারলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় এককভাবে সাত নম্বরে উঠে আসবেন।
তার সামনে থাকবেন কেবল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (১৪১), লিওনেল মেসি (১২৯), রবার্ট লেভানডোফস্কি (১০৯), করিম বেনজেমা (৯০), কিলিয়ান এমবাপ্পে (৭১) ও রাউল গঞ্জালেস (৭১)।
যদিও সাম্প্রতিক দেখায় সিটির চেয়ে পিএসজির পাল্লাই ভারী। শেষ তিন সাক্ষাৎকারে দুটিতেই জিতেছে ফরাসি ক্লাবটি, তবে দল হারলেও তিন গোল আদায় করে নিয়েছিলেন হালান্ড। তাছাড়া আজকের ম্যাচটি ঘরের মাঠ ইতিহাদে, যেখানে সিটির হয়ে নিজের ৩৬টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ গোলের ২৩টিই (প্রায় ৬৪ শতাংশ) করেছেন এই নরওয়েজিয়ান তারকা।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে রেকর্ড গড়ার ধারা অব্যাহত রেখেছেন হাল্যান্ড। গত মাসে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম ম্যাচে পোর্তোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে জোড়া গোল করে সিটির তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা টমি জনসনকে টপকে যান তিনি।
২০২২ সালে যোগ দেওয়ার পর ২০৬ ম্যাচে তার গোল এখন ১৭০টি। সামনে আছেন ১৭৭ গোল করা এরিক ব্রুক, আর ২৬০ গোল নিয়ে সবার ওপরে সার্জিও অ্যাগুয়েরো।
গত মৌসুমের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স (৩৮ গোল) এই মৌসুমেও বজায় রেখেছেন হাল্যান্ড। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চলতি মৌসুমে ৮ ম্যাচে ইতিমধ্যেই ৮টি গোল করে ফেলেছেন তিনি।
আরটিভি/এসআর




