ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পাহাড় কাটছিল সরকারি সংস্থা বিপিসি, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মালিকানাধী জয় পাহাড়ে ৩৫ একর জমি রয়েছে। ভবন নির্মাণের জন্য পাহাড়টি কাটছিল সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে সরেজমিন পরিদর্শনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম নগর কার্যালয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ দুপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন মহানগর কার্যালয়ের পরিচালক সোনিয়া সুলতানা।

পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুক্তাদির হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরেজমিন পরিদর্শন রিপোর্ট অনুযায়ী তফসিলভুক্ত ওই স্থানে পাহাড় কাটার সত্যতা পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন

পরিদর্শন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোতোয়ালি থানার জয়পাহাড় মৌজায় বিএস খতিয়ান নম্বর ৯৭ এবং দাগ নম্বর ৩৮৪-এর ‘খিলা’ শ্রেণির জমিতে কাটাকাটি করা হয়েছে। যে পরিমাণ জমি কাটা হয়েছে এর দৈর্ঘ্য ১৫০ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও উচ্চতা ৮ ফুট। মোট ৯ হাজার ৬০০ ঘনফুট পাহাড় কাটার জন্য মোট ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়েছে।

মুক্তাদির হাসান আরও বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)- এর ৬ (খ) ধারার অপরাধে এবং ৭ ধারার আওতায় পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার ক্ষতি সাধনের জন্য পরিবেশগত ক্ষয়-ক্ষতির মূল্যায়ন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, পরিবেশ অধিদপ্তরের আদেশে কাটা স্থান পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়া দৃশ্যমান পাহাড় বা টিলা না কাটার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।

শুনানিতে বিপিসি’র পক্ষে ডিজিএম এস এম জোবায়ের হোসেন ও এলডিএ মো. শিহাব উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন— চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের পরিদর্শক মুহাম্মদ আশফাকুর রহমান ও সিনিয়র টেকনিশিয়ান মো. ওমর ফারুক।

এই শুনানিতে সরেজমিন পরিদর্শন প্রতিবেদন, বিবাদী পক্ষের লিখিত বক্তব্য ও দালিলিক প্রমাণাদি পর্যালোচনা করা হয়।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
নজরুল কলেজে ইংরেজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে
নজরুল কলেজে ‘শরৎ উৎসব ও নবীনবরণ’ অনুষ্ঠিত
সরকারি চাকরিতে থেকে এনসিপির কমিটিতে পদ, সেই কর্মকর্তাকে শোকজ