ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

স্ত্রীর স্পর্শকাতর অঙ্গে ছুরিকাঘাত করে আত্মগোপনে পারভেজ, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৬ পিএম

ফেনীতে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে নির্যাতন এবং বুকে ও স্পর্শকাতর অঙ্গে ছুরিকাঘাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মো. পারভেজকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তাকে ফেনী মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত পারভেজ ফেনী শহরের বিরিঞ্চি এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।

এসআরবি জানায়, ২৯ আগস্ট ফেনী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, যৌতুকের দাবিতে ওই গৃহবধূর ওপর স্বামী পারভেজ নৃশংস নির্যাতন করেছে।

একপর্যায়ে তার বুকে ও স্পর্শকাতর অঙ্গে ছুরিকাঘাত করা হয়। ঘটনার পর থেকেই মামলার প্রধান আসামি পারভেজ আত্মগোপনে ছিলেন।

পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৭ এর একটি দল চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে সেখানকার শেভরণ হাসপাতালের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবি-৭ এর চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফফর হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৩ বছর আগে মো. পারভেজের সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীর বিয়ে হয়। তাদের পরিবারে ১২ ও ৪ বছর বয়সী দুই সন্তান রয়েছে। আগে তারা দীর্ঘদিন ঢাকায় থাকতেন। পরে পারভেজ নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং কোনো কাজ না করায় তার স্ত্রী ফেনীতে চলে যান। শহরের একাডেমি এলাকায় থেকে মানুষের বাসাবাড়িতে কাজ করে সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছিলেন তিনি।

সবশেষ ২৯ আগস্ট পারভেজ আকস্মিকভাবে তার স্ত্রীর বাসায় গিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর করেন। একপর্যায়ে তার বুকে ও স্পর্শকাতর অঙ্গে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ফেনী মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সজল কান্তি দাশ বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি নেশাগ্রস্ত ছিলেন। তার স্ত্রীকে নির্যাতন করেছে। এ ঘটনায় করা মামলায় আকলিমা ও পারুল নামে আরও দুইজন আসামি রয়েছেন।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
মিরসরাই সীমান্তে বিপুল ভারতীয় মদ ও গরু জব্দ
টানা ৯০ দিন জামাতে নামাজ আদায়, বাইসাইকেল পেল ৩২ শিশু-কিশোর
ফেনীতে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল এসআরবি কর্মকর্তার
প্রবীণ কর আইনজীবী গোলাম মাইন উদ্-দীন মারা গেছেন