ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

প্রবাসী স্বামীর টাকায় পড়াশোনা-চাকরি, সহকর্মীর সঙ্গে ‘সম্পর্কে’ জড়িয়ে কারাগারে শিক্ষিকা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম
নাসরিন সুলতানা ও তারিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসী স্বামীর কষ্টার্জিত টাকায় পড়াশোনা করে সরকারি চাকরি পাওয়ার পর সহকর্মী শিক্ষকের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে বরিশালের মুলাদীর এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। স্বামীর অর্থ ও স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় আদালত ওই শিক্ষিকা ও তার কথিত প্রেমিককে কারাগারে পাঠিয়েছেন। এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট।

ভুক্তভোগী প্রবাসী মনির হোসেন চৌধুরী জেলার মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার আসোলী সন্তোষপুর গ্রামের বাসিন্দা। ২০১২ সালে তিনি মুলাদী উপজেলার ডিক্রীরচর গ্রামের বাসিন্দা নাসরিন সুলতানাকে বিয়ে করেন। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর নাসরিনের উচ্চশিক্ষার আগ্রহ দেখে তাকে সহযোগিতা করেন স্বামী মনির। প্রবাসে থেকে স্ত্রীর পড়াশোনা ও যাবতীয় খরচ বহন করেন বলে দাবি করেন তিনি। পরে মুলাদীর কাজিরচর ইউনিয়নের বেগম সামছুন্নাহার শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরি পান নাসরিন।

অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ে চাকরির সুবাদে সহকর্মী শিক্ষক বানারীপাড়া উপজেলার চাখার গ্রামের তারিকুল ইসলামের সঙ্গে নাসরিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে ২০২৪ সালে তারিকুলকে ভোলার একটি শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়। তবে তাদের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল বলে অভিযোগ করেন মনির। গত জুলাইয়ে মনিরকে তালাক দিয়ে তারিকুলকে বিয়ে করেন নাসরিন। এ সময় মনিরের টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যান বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় গত ২০ জুলাই মনির হোসেন বরিশালের জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (কাজিরহাট) আমলি আদালতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় সহকারী শিক্ষক নাসরিন সুলতানা, তারিকুল ইসলাম ও তাদের সহযোগী জাহেদুল ইসলামকে আসামি করা হয়।

মামলায় গত সোমবার (২ নভেম্বর) সহকারী শিক্ষক নাসরিন সুলতানা ও তারিকুল ইসলাম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিকে তাদের কারাগারে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের পরিচালক সুরাইয়া খানের স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে নাসরিন সুলতানাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

মনির হোসেন চৌধুরী অভিযোগ করেন, তার প্রবাসের উপার্জিত টাকাপয়সা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছেন নাসরিন। বর্তমানে দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান তিনি।

মুলাদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. গোলাম সরওয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নৈমিত্তিক ছুটি নিয়ে সহকারী শিক্ষক নাসরিন সুলতানা আদালতে হাজির হয়েছিলেন। পরে তিনি কারাগারে যান। শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। মামলা নিষ্পত্তির পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতীয় গ্রিডের পাইপলাইন থেকে তেল চুরি, মাটির নিচে মিলল গোপন ট্যাংক
হবিগঞ্জের মাধবপুরে অবস্থিত জাতীয় গ্রিডের কনডেনসেটবাহী পাইপলাইন থেকে ছিদ্র করে ৪ হাজার ২৯২ লিটার তেল চুরির ঘটনা ঘটেছে।
জাতীয় গ্রিডের পাইপলাইন থেকে তেল চুরি, মাটির নিচে মিলল গোপন ট্যাংক
পাইকগাছায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ১৫
খুলনার পাইকগাছায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জুয়া খেলা, নাশকতা ও বিভিন্ন মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে থানা-পুলিশ। পরে আটক ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর গড়েরাবাদ এলাকায় জুয়া খেলার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করা হয়। তারা হলেন আমজাদ গাজীর ছেলে আব্দুর রশিদ, কাশেম গাজীর ছেলে আমিরুল গাজী, সামাদ মিস্ত্রির ছেলে শফিকুল মিস্ত্রি, জব্বার মোল্লার ছেলে আব্দুর রহমান মোল্লা, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল মোল্লা। এ ছাড়া লক্ষীখোলা গ্রামের মনিরুল সরদারের স্ত্রী ও সিআর মামলার আসামি সুফিয়া বেগম এবং পৌরসভার সরল গ্রামের মৃত বিমল মণ্ডলের ছেলে সন্ন্যাসী মণ্ডলকে আটক করা হয়। নাশকতার মামলায় গদাইপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে ফারজাহান পারভেজ রুমি এবং নগর শ্রীরামপুর গ্রামের সিআর মামলার আসামি আসলাম গাজীর ছেলে আলমুন হুসাইনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ছাড়া একই এলাকা থেকে বিল্লাল বিশ্বাসের ছেলে ইয়াসিন বিশ্বাস এবং রামনাথপুর গ্রামের ঈমান আলী গাজীর ছেলে আব্দুল্লাহ গাজী ও তার স্ত্রী হালিমা বেগমকে আটক করা হয়। এ ছাড়া কাজীমুছা গ্রামের জিআর মামলার আসামি ময়নুল ইসলামের ছেলে আবুল বাশার হৃদয় এবং ধামরাইল গ্রামের মীর আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুস সামাদকে আটক করা হয়েছে। পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আওয়াল কবির বলেন, বিভিন্ন অভিযোগ ও মামলায় তাদের আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/টিআর
পাইকগাছায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ১৫
মান্দায় দুর্নীতির অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত
নওগাঁর মান্দার ১১ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার বিভাগ তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। গত ১ নভেম্বর (রোববার) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের (ইউপি-১ শাখা) পক্ষ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সিনিয়র সহকারী সচিব আতিকুল ইসলামের স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে তাকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। তার এ ধরনের কার্যক্রম ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে আইনবহির্ভূত এবং ইউনিয়ন পরিষদ ও জনস্বার্থের পরিপন্থী। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, তার বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধমূলক কার্যক্রম স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৩৪(৪)(খ) ও (ঘ) ধারায় অপরাধের আওতাভুক্ত হওয়ায় একই আইনের ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে অবিলম্বে কার্যকর হবে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি নওগাঁর জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/টিআর
মান্দায় দুর্নীতির অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত
সড়কে ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধে ঝোপঝাড় পরিষ্কারে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
চাঁদপুরের কচুয়া-গৌরীপুর সড়কে ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সড়কের দুই পাশের ঝোপঝাড় ও আগাছা পরিষ্কারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিতারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. শাহিন পাটোয়ারীর উদ্যোগে শিমুলতলী-বাতাপুকুরিয়া সড়কের দুই পাশে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়। এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম। এ সময় তিনি নিজেও ঝোপঝাড় ও আগাছা পরিষ্কারের কাজে অংশ নেন। এ ছাড়া ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি নিয়োজিত শ্রমিকরাও এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। সড়কের দুই পাশে দীর্ঘদিন ধরে বেড়ে ওঠা ঝোপঝাড় ও আগাছার কারণে বিভিন্ন স্থানে আড়ালের সৃষ্টি হয়েছে। এতে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের চালক, যাত্রী ও পথচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সড়কের দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ সংঘটনের সুযোগ কমাতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহিন পাটোয়ারী বলেন, সড়কে চলাচলকারী যাত্রী, পথচারী ও যানবাহনের চালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অতীতে বিভিন্ন স্থানে সড়ককেন্দ্রিক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জননিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবং শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনায় সড়কের দুই পাশের ঝোপঝাড় ও আগাছা পরিষ্কারের এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কচুয়া থানার ওসি মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, শাহিন পাটোয়ারীর এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও ব্যতিক্রমী। সড়কের দুই পাশে ঝোপঝাড় থাকলে অনেক সময় আড়ালের সৃষ্টি হয়, যা অপরাধ সংঘটনের সুযোগ তৈরি করতে পারে। ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা হলে সড়কে দৃশ্যমানতা বাড়বে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ সড়ক নিরাপত্তায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এদিকে সড়কের দুই পাশের ঝোপঝাড় ও আগাছা পরিষ্কারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও যানবাহনের চালকেরা। তাদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে সড়কে নিরাপদে চলাচলের পরিবেশ তৈরি হবে এবং ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাইয়ের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে। আরটিভি/টিআর
সড়কে ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধে ঝোপঝাড় পরিষ্কারে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
‘মিথ্যা মামলায়' ফাঁসানোর প্রতিবাদে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও ইট ব্যবসায়ী রিফাত কবিরের বিরুদ্ধে থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. উজ্জল মিয়াকে অপহরণ, মারধর, স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর গ্রহণ এবং পরবর্তী সময়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে ওসমানপুর বাজারে নিজস্ব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব অভিযোগ তুলে ধরে আইনি প্রতিকার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী উজ্জল মিয়া। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে শান্তিপূর্ণভাবে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি ওসমানপুর বাজারে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। ব্যবসায়িক সূত্রে কাসিয়াতলা গ্রামের মৃত হুমায়ুন কবিরের ছেলে মো. রিফাত কবিরের ইটভাটা থেকে ইট কেনার চুক্তি অনুযায়ী ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের মাধ্যমে রিফাতকে ৬০ লাখ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু রিফাত ইট সরবরাহ করতে ব্যর্থ হওয়ায় পরবর্তী সময়ে পূবালী ও সোনালী ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে ৪০ লাখ টাকা ফেরত দিলেও বাকি ২০ লাখ টাকা পরিশোধ না করে টালবাহানা শুরু করেন। উজ্জল মিয়া অভিযোগ করেন, গত ৭ জুন ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে রিফাত কৌশলে তাকে ওসমানপুর বাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখান থেকে রিফাত, উজ্জল মিয়ার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলিফ ওরফে অভি এবং তাদের সহযোগীরা তার চোখ বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রাখেন এবং মারধর করেন। পরে তার স্ত্রীকে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তিনটি চেকের পাতা এবং ১০০ টাকা মূল্যমানের তিনটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। পরবর্তী সময়ে ওই স্ট্যাম্পগুলোতে ৩৫ লাখ ও ২৫ লাখ টাকা লিখে সেগুলো ছিঁড়ে ফেলেন এবং নতুন করে টাকা দাবি করে মামলা করার ভয় দেখাতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে মো. রিফাত কবির বাদী হয়ে ঘোড়াঘাট থানায় একটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করে উজ্জল মিয়াকে গ্রেপ্তার করান। তবে আদালতে পাঠানো হলে বিজ্ঞ আদালত সব কাগজপত্র পর্যালোচনা ও তার জবানবন্দি শোনার পর তাকে জামিনে মুক্তি দেন। উজ্জল মিয়া দাবি করেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে তার জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক অবস্থান ক্ষুণ্ন করতে এবং অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা আদায়ের উদ্দেশ্যে প্রতিপক্ষরা এ ষড়যন্ত্রমূলক ঘটনা ঘটিয়েছেন। তিনি এ মামলাকে মিথ্যা দাবি করে এর তীব্র নিন্দা জানান। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান। আরটিভি/টিআর
‘মিথ্যা মামলায়' ফাঁসানোর প্রতিবাদে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন
আরও পড়ুন
বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
ফেসবুকে ‘ঢাকা দখলের’ ঘোষণা দিয়ে ধরা নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা
জেলা-উপজেলায় নেই চক্ষু বিশেষজ্ঞ, প্রায় এক কোটি মানুষের ভরসা শেবাচিম
৫০ বোতল কোডিন মিশ্রিত সিরাপসহ বেবী বেগম ধরা