ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, পর্যায়ক্রমে সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এ কার্ড বিতরণে কেউ অনিয়ম করার চেষ্টা করলে তা আমাদের জানাবেন। অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে উপকারভোগী পরিবার চিহ্নিত করা হবে। কাজেই কাউকে দৌড়াদৌড়ি বা তদবির করার প্রয়োজন নেই।
টাঙ্গাইলে ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ, অতঃপর...
টাঙ্গাইলে ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ, অতঃপর...
বাবা-মেয়েসহ ৩ গরু চোর আটক 
বাবা-মেয়েসহ ৩ গরু চোর আটক 
‘আমি আ. ছামাদ, শয়তানের গুহায় চাউল ভেজে খাই’
‘আমি আ. ছামাদ, শয়তানের গুহায় চাউল ভেজে খাই’
গাজীপুরে ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
গাজীপুরে ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
অরক্ষিত সেপটিক ট্যাংকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
অরক্ষিত সেপটিক ট্যাংকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
রেললাইনের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন শ্রবণ প্রতিবন্ধী, অতঃপর...
রেললাইনের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন শ্রবণ প্রতিবন্ধী, অতঃপর...
খাবারের লোভ দেখিয়ে শিশুকে নিয়ে জঙ্গলে সুজন, হাতেনাতে ধরা
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিশু (৭) শিক্ষার্থীকে খাবারের লোভ দেখিয়ে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সুজন মিয়া (৩০) নামের এক যুবককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার কালামপুর খাজাডেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক সুজন মিয়া উপজেলার মৌচাক ইউনিয়নের ভূলুয়া গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিল ওই শিশু শিক্ষার্থী। পথিমধ্যে সুজন তাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে সড়কের পাশের একটি জঙ্গলে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয় এবং শ্লীলতাহানি করা হয়। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত সুজনকে হাতেনাতে ধরে গণপিটুনি দেয়। পরে খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত যুবককে হেফাজতে নেয়। এলাকাবাসী জানান, অভিযুক্ত সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক শিশুকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। মাস কয়েক আগেও একই ধরনের একটি ঘটনায় তিনি গ্রেপ্তার হয়ে দুই মাস কারাভোগের পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মৌচাক ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোস্তফা দেওয়ান পাপ্পু বলেন, ওই যুবকের বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন হয়রানির বহু পুরোনো অভিযোগ রয়েছে। কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে সে আবারও একই অপরাধে জড়ালো। আমরা এই অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। আরও পড়ুন শিশুর ‘সর্বনাশ’ করে ২০ টাকা ধরিয়ে দিলেন মকছেদ এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম (পিপিএম বার) জানান, শিশু নির্যাতনের অভিযোগে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে ভুক্তভোগী শিশুটিকে পুলিশের হেফাজতে রেখে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। আরটিভি/এসএস
শিশুকে নিয়ে পরিত্যক্ত ঘরে মাদরাসাশিক্ষক, হাতেনাতে ধরা
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ১১ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক মাদরাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায়, শিশুটির মা সালমা বেগম মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে কালিয়াকৈর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মৌচাক থানাধীন জামতলা এলাকার মাদরাসা জামালুল কুরআন-এর নূরানী বিভাগের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ওই শিশুটি। অভিযুক্ত আবু বকর (২৬) ওই মাদরাসার শিক্ষক বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, মাদরাসায় প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে মাগরিবের আজান পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুযোগ দেওয়া হয়। সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে খেলাধুলার সময় অভিযুক্ত শিক্ষক আবু বকর শিশুটিকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে সঙ্গে নিয়ে যান। পরে তাকে কালিয়াকৈর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর এলাকার টাটুয়ার মার্কেটের পাশে ফজল নামের এক ব্যক্তির পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে আশপাশে কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত শিশুটির পোশাক খুলে বলাৎকারের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় শিশুটি বাধা দিলে তার মুখ চেপে ধরারও অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে শিশুটি ডাক-চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে খবর পেয়ে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। অভিযোগে আরও বলা হয়, মাদরাসার বড় হুজুর জিয়াসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে সেখান থেকে নিয়ে যান। ঘটনার বিস্তারিত জানার পর পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে কালিয়াকৈর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগকারী সালমা বেগম ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরও পড়ুন শিশুকে ‘জিনে নিয়ে গেছে’ দাবির পর মরদেহ মিলল ড্রামে, অতঃপর... অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আবু বকর কিংবা মাদরাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আরটিভি/এসএস
স্বামী চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার আটাবহ ইউনিয়নের বিশাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হলেন, উপজেলার আটাবহ ইউনিয়নে বিশাইদ গ্রামের মঙ্গল চন্দ্র সরকারের মেয়ে ও একই গ্রামের বীরেন্দ্র চন্দ্র সরকারের স্ত্রী মিতু সরকার (৪০)।  পুলিশ সূত্রে জানা জানা গেছে, শনিবার ভোরে ওই গৃহবধূর স্বামী কাজে চলে গেলে ফাঁকা বাড়িতে নিজ কক্ষে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যার করার অভিযোগ উঠেছে। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে আত্মহত্যার কারণ জানাতে পারেনি পুলিশ।। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। আরও পড়ুন যুবকের মরদেহ উদ্ধারের পর আহত মাজেদুলের লোমহর্ষক বর্ণনা কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম পিপিএম বার বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।এই বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলার প্রস্তুতি চলছে।  আরটিভি/এসএস
যাত্রীবেশে অটোরিকশায় উঠে চালককে হত্যা
গাজীপুরে যাত্রীবেশে উঠে এক অটোরিকশাচালককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।  বুধবার (৫ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার কালামপুর দোকানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. সুমন মিয়া (২৪) নওগাঁ জেলার নিনদুইন গ্রামের বাবু হোসেনের ছেলে ও পেশায় একজন অটোরিকশাচালক। বর্তমানে তিনি উপজেলার সাহেব বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সুমন দশ বছর আগে জীবিকার তাগিদে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কালিয়াকৈরে আসেন। এরপর থেকে উপজেলার সাহেব বাজার এলাকায় আজিম হোসেনের বাসা ভাড়া নিয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। প্রতিদিনের মতো বুধবার সকালেও অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান সুমন। পরে রাত ৮টার দিকে চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ড থেকে তিনজন যাত্রীবেশী ছিনতাইকারী সুমন মিয়ার অটোরিকশা ভাড়া করেন। আরও পড়ুন রাতে কুকুরের আড্ডা, সকালে সেই খাট্টায় মাংস বিক্রি এরপর উপজেলার কালামপুর এলাকায় ওই অটোরিকশাচালককে ছিনতাইকারীরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।  খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে এবং অটোরিকশাটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ছিনতাইকারীরা চালককে কুপিয়ে হত্যা করেছে। এ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/আইএম
দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে অন্য ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ১
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে অন্য ট্রাকের ধাক্কায় একজন নিহত হয়েছেন।  বুধবার (২৯ জুলাই) ভোরে উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বোর্ডঘর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সিরাজুল ইসলাম (৪০) গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চিত্তিপাড়া গ্রামের মৃত মানিক সরকারের ছেলে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ভোরে ঢাকা থেকে মালবাহী একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট-১২-৪৮৮৯) উত্তরবঙ্গে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। পথিমধ্যে ভোর সাড়ে চারটার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বোর্ডঘর এলাকায় পৌঁছালে সেখানে আগে থেকে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় ও চালক ভেতরে আটকা পড়ে।  আরও পড়ুন একসঙ্গে ঘুমাতে গেলেন দম্পতি, সকালে মিলল স্ত্রীর মরদেহ খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও কোনাবাড়ি হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ট্রাকের সামনের অংশ কেটে চালক সিরাজুলকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনার ট্রাক দুটি জব্দ করেছে হাইওয়ে থানা পুলিশ। কোনাবাড়ী নাওজোর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাফর আলী খান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ ও ট্রাক দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/আইএম
টাকার লোভ দেখিয়ে বাগানে নিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা মুদি দোকানির
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এক শিশুকে (৭) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শহীদুল নামের এক মুদি দোকানির বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। উপজেলার মৌচাক বটতলা বনফুল এলাকার বাসিন্দা তিনি। সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে উপজেলার মৌচাক বটতলা বনফুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই শিশুর বাড়ি রংপুর জেলার কাউনিয়া এলাকার। শিশুর বাবা মৌচাক এলাকার একটি ভাড়া বাসায় স্ত্রীর-সন্তান নিয়ে বসবাস করে যাচ্ছেন। তিনি রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন। শিশুটি সোমবার সাড়ে তিনটায় দোকানে গেলে অভিযুক্ত দোকানি শহীদুল তাকে টাকার লোভ দেখিয়ে একটি পরিত্যক্ত বাগানে নিয়ে যান। পরে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে যায়। ততক্ষণে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।  পরে বিষয়টি মীমাংসা জন্য চেষ্টা করেন স্থানীয় কিছু লোকজন। বিষয়টি এলাকাবাসীর মাঝে ছড়িয়ে পড়লে হাজারো জনতা জড়ো হয়। পরে অভিযুক্তের উপযুক্ত বিচার দাবি করেন তারা। পুলিশ খবর পেয়ে রাত ১১টায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। আরও পড়ুন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে তরুণীর মৃত্যু কালিয়াকৈর মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে আইনগত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আরটিভি/এসএস
টানা বৃষ্টিতে চরম জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে কালিয়াকৈর পৌরবাসী
টানা বৃষ্টির কারণে গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভা ও উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পল্লীবিদ্যুৎ ও হরিনহাটি এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও সড়কে জমে থাকা  পানিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার।  সোমবার (১৩ জুলাই) সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরসভার হরিনহাটি, জোড়াপাম্প, বিশ্বাসপাড়া, ভাঙা মসজিদ, খাজার ডেক, চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ, ডাইনকিনী, হরতকীতলা, আমতলা, মাইওয়ান, দিঘীরপাড় বটতলা, পূর্ব চান্দরাসহ ২০টির বেশি এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানিতে সড়ক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ি তলিয়ে গেছে। জানা গেছে, কালিয়াকৈর পৌরসভাটি নামে মাত্র প্রথম শ্রেণি। ২০০১ সালে পৌরসভাটি গঠিত হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভা গঠনের পর অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ড্রেনের ওপর দোকানপাট, বাসাবাড়ি, শিল্প কারখানা গড়ে তোলাসহ নানা কারণে প্রতি বর্ষায় একই দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হয়। পৌরসভায় প্রায় দুই শতাধিক শিল্প কলকারখানা রয়েছে। অনেক শিল্প কারখানা পানিতে ডুবে গেছে ফলে ১০থেকে ১৫টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছেন কতৃপক্ষ। বন্ধ রয়েছে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।  আরও পড়ুন সেই কারখানায় পানি পান করে আবারও হাসপাতালে শ্রমিকরা স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরিকল্পিত নগরায়ন, খাল ও জলাশয় ভরাট, পানি প্রবাহের স্বাভাবিক পথ সংকুচিত হয়ে যাওয়া এবং অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য ভারি বৃষ্টিতেই এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে বিশ্বাসপাড়া, হরিনহাটি ও পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার পানি নিষ্কাশনের গুরুত্বপূর্ণ খালগুলোর মুখ সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় পানি দ্রুত নামতে পারছে না। ড্রেনের উপর দোকানপাট থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ।অপর দিকে৫ নং ওয়ার্ডের মাইওয়ান মোড় থেকে ওয়ালটন ফ্যাক্টরি পর্যন্ত ড্রেনের উপর দোকানপাট গড়ে ওঠায় টানা বর্ষণের জলবদ্ধতা তীব্র আকারে ধারন করেছে। হাজারো ছাত্রছাত্রী ও গার্মেন্টস শ্রমিকরা স্কুল-কারখানায় যেতে পারছে না। নিচু জমি ভরাট করে মিলকারখানা নির্মাণের ফলে ফসলের জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুৎ ও খাবার পানির সংকটে হাজারো মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে। কোনো অবস্থাতেই মানুষের দুর্ভোগ থামছে না। কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন, অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের কারণে খালগুলোর পানি ধারণ ক্ষমতা অতিক্রম করেছে। ফলে পানি দ্রুত নামতে পারছে না। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ড্রেন পরিষ্কার, খাল থেকে প্রতিবন্ধকতা অপসারণ এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে খাল পুনঃখনন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বৃষ্টি হচ্ছে এবং রাস্তাঘাট এখনও জলাবদ্ধতায় রয়েছে। কিছু পানি নামলেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। হাজার মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। টানা বৃষ্টিতে কালিয়াকৈর পৌরসভার ২০টির বেশি এলাকা পানির নিচে। অপরিকল্পিত নগরায়ন ও ড্রেন-খাল দখলের কারণে হাজারো মানুষ পানিবন্দি। ইউএনও খাল পুনঃখনন ও ড্রেন পরিষ্কারের আশ্বাস দিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি জলাবদ্ধতায় ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল, শিক্ষা কার্যক্রম ও শিল্পকারখানার শ্রমিকদের কর্মস্থলে যাতায়াতে। অনেক পরিবারের ঘরে পানি ঢুকে নষ্ট হয়েছে আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। অনেক পরিবারে রান্না-বান্না বন্ধ হয়ে গেছে। যার ফলে শুকনো খাবার খেয়ে দিন কাটছে। আরটিভি/এমএম
আরও