ঢাকা শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে কুবি ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

কুবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম
ক্যাম্পাস পরিস্কার করছেন কুবি শাখা ছাত্রদল সদস্যরা : ছবি আরটিভি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

kb

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম ঘোষিত ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন ক্যাম্পাস’ উদ্যোগকে সামনে রেখে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম। এ সময় উপাচার্যের উপস্থিতিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন। পাশাপাশি প্রশাসনিক ভবনের সামনের আঙিনাও পরিষ্কার করা হয়।

আরও পড়ুন

কর্মসূচি সম্পর্কে কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস আমাদের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এ দিনে আমরা হাসিনা রেজিম থেকে মুক্তি লাভ করেছি। তাই অতীতের সকল জঞ্জাল, অপরাজনীতি ও অপসংস্কৃতিকে পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আমরা কাজ করতে চাই। উপাচার্য স্যারের ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন ক্যাম্পাস’ উদ্যোগকে গুরুত্ব দিয়ে তার উপস্থিতিতেই পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে জুলাই আন্দোলনের শহীদ ওয়াসিম আকরাম এবং কুবির একমাত্র শহীদ আব্দুল কাইয়ুমের স্মরণে দুটি বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। যেহেতু আব্দুল কাইয়ুম ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের শিক্ষার্থী ছিলেন, তাই তার স্মরণে ওই অনুষদের সামনে গাছ দুটি রোপণ করা হয়েছে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
টানা পাঁচবার বিশ্বের ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় পাবিপ্রবির অধ্যাপক
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় এবারও স্থান পেয়েছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম। এ নিয়ে টানা পাঁচবার (২০২২–২০২৬) এই তালিকায় তার অন্তর্ভুক্তি শিক্ষকতা ও গবেষণাজীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। অধ্যাপক ড. নূর আলমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সমগ্র গবেষণাজীবনের প্রভাবভিত্তিক ‘ক্যারিয়ার-লং’ বিভাগে ২০২৬ সালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র গবেষক হিসেবে তিনি স্থান পেয়েছেন। এ বছর একক বছরের গবেষণার প্রভাবভিত্তিক ‘সিঙ্গেল-ইয়ার’ তালিকাতেও তার নাম রয়েছে। এ-সংক্রান্ত স্বীকৃতির নথিতে তথ্যের উৎস হিসেবে এলসেভিয়ার ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকার উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যাথমেটিক্যাল সায়েন্সেসে পোস্টডক্টরাল রিসার্চ ফেলো হিসেবে কর্মরত। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিনের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতার মাধ্যমে ফলিত ও গণনামূলক গণিতের বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করছেন। তার গবেষণার উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে অরৈখিক তরঙ্গ ও সলিটন, ভগ্নাংশীয় ডিফারেনশিয়াল সমীকরণ, গাণিতিক ও জ্যামিতিক মডেলিং এবং তরল প্রবাহ ও তাপ সঞ্চালনের সংখ্যাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ। পাশাপাশি মেশিন লার্নিং ও কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে জটিল ব্যবস্থার আচরণ বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস নিয়েও গবেষণা করছেন তিনি। এসব গবেষণায় গণিতের তত্ত্ব ও গণনাপদ্ধতির মাধ্যমে পদার্থবিজ্ঞান ও প্রকৌশলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান অনুসন্ধান করা হয়। তার জীবনবৃত্তান্ত অনুযায়ী, তার দেড় শতাধিক গবেষণা প্রকাশনা রয়েছে। বিভিন্ন দেশের গবেষকদের সঙ্গে যৌথ গবেষণার পাশাপাশি তিনি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণার তত্ত্বাবধান করেছেন। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মূল বক্তা, আমন্ত্রিত বক্তা ও সেশন চেয়ার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। গবেষণায় অবদানের জন্য ২০২২ সালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রিসার্চ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পান অধ্যাপক ড. নূর আলম। তার জীবনবৃত্তান্তে ২০২৬ সালে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন মালয়েশিয়ার কাছ থেকে ‘রিসার্চ ডুয়াম অ্যাকাডেমিশিয়ান এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পাওয়ার তথ্যও রয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর তিনি পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে চীনের ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অব চায়না থেকে ২০২০ সালে গণনামূলক গণিতে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। ২০১২ সালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে তার শিক্ষকতাজীবন শুরু হয়। ২০২৪ সালে তিনি অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। ২০২৫ সালের নভেম্বরে সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষণায় যোগ দেন। এই অর্জন প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. নূর আলম বলেন, টানা পাঁচ বছর এই তালিকায় স্থান পাওয়া আমার জন্য আনন্দের। বিশেষ করে ক্যারিয়ার-লং তালিকায় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করতে পারা আমার কাছে অনেক অর্থবহ। এই পথচলায় আমার শিক্ষক, সহগবেষক, শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের অবদান রয়েছে। আমার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের ভালোবাসা এবং সহযোগিতা আমাকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার শক্তি দিয়েছে। তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। দেশে গবেষণার সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে গবেষণার অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে নিয়মিত দিকনির্দেশনা, প্রয়োজনীয় গবেষণা সুবিধা এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা দরকার। আমি চাই, আমার অভিজ্ঞতা তরুণ গবেষকদের কাজে আসুক। তাদের প্রশ্ন করতে, নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করতে এবং ব্যর্থতার পরও চেষ্টা চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেওয়াই হবে এই স্বীকৃতির একটি অর্থপূর্ণ প্রতিদান। আরটিভি/টিআর
টানা পাঁচবার বিশ্বের ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় পাবিপ্রবির অধ্যাপক
ডিসিইউ সাংবাদিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব সাইফুল ইসলাম সাব্বির
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির (ডিসিইউজেএ) ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন এইচ. এম. সাইফুল ইসলাম সাব্বির। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক কমিটির সভায় উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর আগে তিনি সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) সরকারি বাঙলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী। সাইফুল ইসলাম সাব্বির বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) উপদেষ্টা ও সাবেক সভাপতি। পাশাপাশি তিনি জাতীয় দৈনিক গণকণ্ঠ-এর হেড অব ডিজিটাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সমিতির সদস্যসচিব স্মৃতি আক্তার উচ্চশিক্ষা অর্জনের জন্য বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করায় সংগঠনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে সাইফুল ইসলাম সাব্বিরকে ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব এইচ. এম. সাইফুল ইসলাম সাব্বির বলেন, আমার ওপর আস্থা রেখে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করব। সমিতির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা অব্যাহত রাখতে কাজ করব। এ জন্য সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। সমিতির সদস্যসচিব স্মৃতি আক্তার বলেন, উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনে দেশের বাইরে অবস্থান করলেও সংগঠনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এইচ. এম. সাইফুল ইসলাম সাব্বির সাংবাদিকতা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অভিজ্ঞ। আমি আশাবাদী, তিনি তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে পালন করবেন এবং সমিতির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ভূমিকা রাখবেন। সমিতির সব সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সংগঠনটি বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চায় আরও এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা করি। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক আতিকুর রহমান শুভ বলেন, সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে এইচ. এম. সাইফুল ইসলাম সাব্বিরকে ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর সাংবাদিকতা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা সমিতির কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা, সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরতে সমিতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা আশাবাদী। আরটিভি/টিআর
ডিসিইউ সাংবাদিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব সাইফুল ইসলাম সাব্বির
বদরুন্নেসা কলেজে ক্যারিয়ার ক্লাবের উদ্বোধন
রাজধানীর ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও দিকনির্দেশনার লক্ষ্যে ‘ক্যারিয়ার ক্লাব’-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় কলেজের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন এই ক্লাবের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্যারিয়ার ক্লাবের উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ফরিদা ইয়াছমিন। এতে সভাপতিত্ব করেন অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর সোনিয়া রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর তছমিনা বেগম চৌধুরীসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ প্রফেসর ফরিদা ইয়াছমিন বলেন, তোমরা সৌভাগ্যবান যে এমন একটি ক্যারিয়ার ক্লাব পাচ্ছ। শিক্ষার্থীদের যেকোনো ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হলে আমরা পাশে থাকব। এখন থেকে পড়াশোনার পাশাপাশি তোমরা ক্যারিয়ার নিয়েও দিকনির্দেশনা পাবে। তিনি আরও বলেন, ক্যারিয়ার ক্লাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আইসিটি বিষয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি সিভি তৈরি, স্পোকেন ইংলিশসহ ক্যারিয়ার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে। উপাধ্যক্ষ প্রফেসর তছমিনা বেগম চৌধুরী বলেন, তোমরা এই ক্যারিয়ার ক্লাবের মাধ্যমে পড়াশোনার পাশাপাশি ক্যারিয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাবে। গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর কীভাবে সঠিকভাবে ক্যারিয়ার গড়ে তুলবে, সে বিষয়েও তোমাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর সোনিয়া রহমান বলেন, শুধু পুঁথিগত বিদ্যা অর্জন করলেই হবে না, ক্যারিয়ার গঠনের জন্য সঠিক দিকনির্দেশনাও প্রয়োজন। আর সেই দিকনির্দেশনা তোমরা আমাদের এই ক্যারিয়ার ক্লাবের মাধ্যমে পাবে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আরও বলেন, তোমরা ভাগ্যবতী যে এমন একটি ক্লাব পাচ্ছ। শিক্ষকরা তোমাদের জন্য এত সুন্দর একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিচ্ছেন। মেয়েদের জীবন অনেক চ্যালেঞ্জের, তাই এখন থেকেই নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার জন্য প্রস্তুত হতে হবে। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ক্যারিয়ার ক্লাবটি শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ‘স্বপ্নের শুরু হলো আজ’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাব শিক্ষার্থীদের ভাবনাকে আরও সুসংহত করবে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। পরে আয়োজনটি সফল করতে সহযোগিতা করায় কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। আরটিভি/টিআর
বদরুন্নেসা কলেজে ক্যারিয়ার ক্লাবের উদ্বোধন
১৬ বছরে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী ছিল ছাত্রশিবির: শিবির সেক্রেটারি
১৬ বছরে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী ছিল ছাত্রশিবির। শিবির করার কারণে মারধর করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়া ছিল নিত্যদিনের ঘটনা এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিগবাতুল্লাহ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ‘নবীন উৎসব ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, কেবল শিবির করার সন্দেহে বুয়েটে কতটা নৃশংসভাবে আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হয়েছে। ইসলামের পক্ষে, দেশের পক্ষে আর ভারতের বিপক্ষে লিখলেই শিবিরের তকমা দেওয়া হতো। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিশ্বজিৎ নামের এক হিন্দু ছেলেকেও শিবিরের তকমা দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই শিবির নির্যাতিত হয়েছে। ২০২৪ সালের পর প্রতিটি ক্যাম্পাসে শিবির শক্ত অবস্থানে ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রশিবিরের শক্ত অবস্থানের কারণেই এখনো পর্যন্ত নতুন করে গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি চালু হয়নি। একটি ছাত্রসংগঠন গণরুম সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে ব্যস্ত—এমন মন্তব্য করে সিগবাতুল্লাহ বলেন, কেউ যদি নতুন করে গেস্টরুম-গণরুম চালু করতে চায়, তাদের ইসলামী ছাত্রশিবিরের রক্তের ওপর দিয়ে যেতে হবে। এদিকে, নবীন শিক্ষার্থীদের করা প্রশ্নের জবাবে সিগবাতুল্লাহ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে অবশ্যই ছাত্ররাজনীতির প্রয়োজন রয়েছে। তবে বিদ্যমান কাঠামোয় রাজনীতি কখনোই কাম্য নয়। আমাদের ক্যাম্পাস রাজনীতির কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে হবে। তিনি আরও বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির কোনো দলের অঙ্গসংগঠন নয়। প্রয়োজনে এই শিবির তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম জিয়ার মিছিলেও দেশের স্বার্থে অংশ নিয়েছে। অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিগবাতুল্লাহ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির জনসংযোগ সম্পাদক নুমায়ের আব্দুল্লাহ। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে নৈতিক বিকাশ ও নেতৃত্ব তৈরির বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রায় সাড়ে ৬০০ নবীন শিক্ষার্থীর মধ্যে আল-কোরআন, বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোসমৃদ্ধ কলমদানি ও চাবির রিং, কলম এবং সংগঠনটির প্রকাশিত বই উপহার দেওয়া হয়। পাশাপাশি নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়। আরটিভি/টিআর
১৬ বছরে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী ছিল ছাত্রশিবির: শিবির সেক্রেটারি
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় যবিপ্রবির অধ্যাপক
বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশের গবেষকদের মধ্যে শীর্ষ দশে স্থান করে নিয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল ইসলাম। বুধবার (৭ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান এলসেভিয়ার যৌথভাবে এ তালিকা প্রকাশ করে। এতে তিনি বাংলাদেশের গবেষকদের মধ্যে অষ্টম স্থান এবং বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৫ হাজার ৮৫৯তম স্থান অর্জন করেছেন। তাঁর গবেষণার উপক্ষেত্র শক্তি (এনার্জি)। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ড. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমি মনে করি, এই অর্জন শুধু আমার একার নয়, এর পেছনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবারই অবদান রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, যবিপ্রবির প্রত্যেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর গবেষণার ক্ষেত্রে ভালো করার যোগ্যতা রয়েছে। শুধু প্রয়োজন গবেষণার প্রতি মানসিকতা, ধৈর্য, নিষ্ঠা ও নিরলস চেষ্টা। নিজের জন্য, দেশের জন্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কিছু করার দৃঢ় মানসিকতা থাকলে একজন গবেষক অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারেন।” তিনি আরও বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার জন্য একটি ভালো পরিবেশ রয়েছে। কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থী গবেষণার প্রতি আগ্রহী হয়ে ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে অবশ্যই ভালো কিছু করতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ গবেষণার বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক ও সচেতন। তাঁদের সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা গবেষণার পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করছে। আমি যবিপ্রবির সব শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। সবার সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণার কারণেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে যবিপ্রবি থেকে আরও অনেক শিক্ষক দেশের শীর্ষস্থানীয় গবেষকদের তালিকায় স্থান করে নেবেন। এই অর্জনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। ইনশাআল্লাহ, সামনে আমরা আরও ভালো কিছু অর্জন করতে পারব। আরটিভি/টিআর
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় যবিপ্রবির অধ্যাপক
আরও পড়ুন
ডেঙ্গু ও মাদক প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ছাত্রদলের
সবচেয়ে অকর্মা সন্তানগুলোই সাংবাদিক হয়: সাবেক ছাত্রদল নেতা
গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা
আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে ছাত্রদলের কর্মসূচি