
রাজধানীর বাসাবো এলাকায় রাস্তা থেকে সরে দাঁড়াতে বলাকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই শিক্ষার্থীর নাক ও মুখে গুরুতর আঘাত লেগেছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ৬ থেকে ৭ জন ব্যক্তি মিলে তাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করেন।
মারধরের শিকার শিক্ষার্থীর নাম হারুন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে টিউশনি করাতে যাওয়ার সময় রাজধানীর বাসাবো এলাকায় (সবুজবাগ থানা) রাস্তার ওপর কয়েকজনকে জটলা করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন তিনি। এ সময় চলাচলের সুবিধার্থে তাদের একটু সরে দাঁড়াতে বললে তারা অশোভন মন্তব্য করে সেখান থেকে সরে যান।
হারুন জানান, কিছুদূর এগিয়ে যাওয়ার পর পেছন থেকে তাকে ডেকে একজন প্রশ্ন করেন, ‘রাস্তা কি তোর বাপের নাকি যে সরতে বলবি?’ জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা তো সরকারি রাস্তা। আমার টিউশনি আছে, আমাকে যেতে হবে।’
এরপর সেখানে উপস্থিত এক ব্যক্তি তার মুখে ঘুষি মারেন। এর প্রতিবাদ করলে ৬ থেকে ৭ জন মিলে তাকে ঘিরে ধরে মাটিতে ফেলে মারধর করেন। এতে তার নাক ও মুখে গুরুতর আঘাত লাগে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নাছির আহমাদ বলেন, তিনি এ ঘটনা সম্পর্কে আগে কিছু জানতেন না। প্রতিবেদকের কাছ থেকেই প্রথম বিষয়টি জেনেছেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিচয় ও প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার পর দ্রুত বিষয়টি দেখবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে কি না, জানতে চাইলে প্রক্টর বলেন, প্রথমে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। এরপর পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরটিভি/জেএমএ


