
ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবেন কিনা, এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি জানান, ইরানের ওপর পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই। তবে একই সঙ্গে ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প ওই প্রশ্নকে গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দেন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে ইরান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ট্রাম্পের ভাষ্য, ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও সামরিক নেতৃত্ব ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
তবে পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা নাকচ করলেও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ অব্যাহত রাখার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ট্রাম্প। তার দাবি, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া যাবে না।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের লারাক দ্বীপে দুটি রকেট উৎক্ষেপণকারীকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে রয়টার্স। এরপর ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন বাহিনীর ওপর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে এই উত্তেজনার প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। সর্বশেষ পাল্টাপাল্টি হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের ওপরে উঠে যায়। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল ও এলএনজি পরিবহনপথ হওয়ায় সেখানে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হতে পারে।
ট্রাম্পের অবস্থান এখন স্পষ্ট, ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন নেই, কিন্তু ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতেও দেওয়া হবে না।
সূত্র: গালফ নিউজ
আরটিভি/এসএস


