ঢাকা শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক দশকের সর্বোচ্চ ডেঙ্গুর রেকর্ড সংক্রমণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৭ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ । ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে ডেঙ্গুর সংক্রমণ কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। চলতি বছর এ পর্যন্ত সেখানে স্থানীয়ভাবে মশার মাধ্যমে ছড়ানো ডেঙ্গুতে প্রায় ৩০০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের অধিকাংশই ট্যাম্পা শহরসংলগ্ন হিলসবোরো কাউন্টির বাসিন্দা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওই এলাকা ও আশপাশের কয়েকটি কাউন্টিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা চলতি সপ্তাহে এ তথ্য জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের কাছে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব নিয়ে সীমিত তথ্য রয়েছে। তবে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য ও চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অন্তত ১৯৪০-এর দশকের পর কোনো অঙ্গরাজ্যে এক বছরে এত বেশি স্থানীয় সংক্রমণের ঘটনা ঘটেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে সাধারণত ফ্লোরিডাতেই ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেশি দেখা যায়। তবে আগের সর্বোচ্চ সংক্রমণের বছর ছিল ২০২৩ সাল। ওই বছর রাজ্যটিতে স্থানীয়ভাবে ছড়ানো ডেঙ্গুতে প্রায় ২০০ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। এবার সেই সংখ্যাও ছাড়িয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য নয়, তবে দেশটির অধীন পুয়ের্তো রিকোতে নিয়মিত ডেঙ্গুর বড় প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা সাধারণত ৫০টি অঙ্গরাজ্যের যেকোনোটির চেয়ে অনেক বেশি।

ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে ট্যাম্পা এলাকায় দিন-রাত মশা মারার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। পাশাপাশি বাড়িঘর ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি পরীক্ষা করছেন কর্মীরা, যাতে মশার বংশবিস্তার বন্ধ করা যায়।

ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা নির্দিষ্ট প্রজাতির মশার কামড়ে ছড়ায়। আক্রান্ত অনেকের কোনো উপসর্গ দেখা যায় না। তবে কারও কারও জ্বর, ফ্লুর মতো উপসর্গ এবং শরীর ও হাড়ে তীব্র ব্যথা হতে পারে। অসহনীয় ব্যথার কারণে রোগটি ‘হাড়ভাঙা জ্বর’ নামেও পরিচিত। গুরুতর অবস্থায় রক্তক্ষরণ, শারীরিকভাবে শক তৈরি হওয়া এবং মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

চলতি বছর ফ্লোরিডায় ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর ট্যাম্পার এক বয়স্ক নারী মারা যান। হিলসবোরো কাউন্টির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কার্লা ফ্রাই জানিয়েছেন, ট্যাম্পা এলাকার কয়েকজন আক্রান্তকে জ্বর ও পানিশূন্যতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।

ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ধরন রয়েছে। প্রথমবার আক্রান্ত হলে শরীরে ওই ধরনের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ভিন্ন ধরনের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে আগের সংক্রমণের কারণে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি সব সময় নতুন ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে না। বরং কিছু ক্ষেত্রে ভাইরাসের শরীরে প্রবেশ ও বংশবৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে। এ কারণে কার্যকর টিকা তৈরি করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। ট্যাম্পা এলাকার অধিকাংশ মানুষের ডেঙ্গুর কোনো ধরনের বিরুদ্ধেই আগে থেকে প্রতিরোধক্ষমতা নেই বলে জানিয়েছেন তুলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেঙ্গুবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ডন ওয়েসন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ডেঙ্গু ছড়ানো মশার বিস্তৃতি বাড়ছে। আগে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে ডেঙ্গুর অধিকাংশ সংক্রমণ হতো বিদেশ ভ্রমণ থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের মাধ্যমে। তবে ২০০৯ ও ২০১০ সালে ফ্লোরিডার কি ওয়েস্টে স্থানীয়ভাবে ডেঙ্গু সংক্রমণের ঘটনা শনাক্ত হয়। ১৯৪৫ সালের পর টেক্সাস-মেক্সিকো সীমান্তের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে এটিই ছিল স্থানীয়ভাবে সংক্রমণের প্রথম ঘটনা।

এরপর কোনো অঙ্গরাজ্যে সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাব দেখা যায় হাওয়াইয়ে। ২০১৫ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে ছয় মাসে সেখানে স্থানীয়ভাবে ডেঙ্গুতে ২৬৪ জন আক্রান্ত হন। এবার ট্যাম্পা এলাকার সংক্রমণ সেই সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর বিশ্বজুড়ে ডেঙ্গুতে ২২ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং প্রায় ১ হাজার ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এ বছর স্থানীয়ভাবে ছড়ানো ডেঙ্গুতে ১ হাজার ৬০০ জনের বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদের অধিকাংশই পুয়ের্তো রিকোর বাসিন্দা।

ফ্লোরিডায় সাধারণত মায়ামি অঞ্চলে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেশি দেখা যায়। কিন্তু এবার ট্যাম্পা এলাকায় সংক্রমণ বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভ্রমণের ধরন পরিবর্তনের কারণে সংক্রমণ বাড়তে পারে।

গত সপ্তাহের হিসাব অনুযায়ী, ফ্লোরিডায় স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন ২৫২ জন, আর ভ্রমণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংক্রমণের সংখ্যা ২৪৫। অর্থাৎ, স্থানীয়ভাবে ছড়ানো সংক্রমণ এবার ভ্রমণজনিত সংক্রমণকেও ছাড়িয়ে গেছে। তবে হিলসবোরো কাউন্টিতে অন্তত ১৩ জন ভ্রমণকারী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফ্লোরিডার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ ছাড়া কেন্দ্রীয় সংস্থাটির রোগ তদন্তকারীরা সরাসরি সেখানে যেতে পারেন না। ফ্লোরিডা কর্তৃপক্ষ এখনো তাঁদের আসার অনুরোধ জানায়নি। তবে রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগকে ৮ লাখ ডলার সহায়তা দিয়েছে সংস্থাটি। এ অর্থ জনসচেতনতা, পরীক্ষাগারের পরীক্ষা এবং মশা দমনের কাজে ব্যবহার করা হবে। ট্যাম্পা এলাকার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ সহায়তার অর্থ স্থানীয় পর্যায়ে এখনো পৌঁছায়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকায় মশার কামড় থেকে বাঁচতে সতর্ক থাকা জরুরি। দিনের যেকোনো সময় ডেঙ্গুবাহী মশা কামড়াতে পারে। তাই মশা প্রতিরোধক ব্যবহার, ঢিলেঢালা লম্বা হাতার পোশাক ও লম্বা প্যান্ট পরা এবং জানালায় জাল লাগানো ঘর বা শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে থাকা উপকারী। সূর্যোদয়ের পরপর এবং সূর্যাস্তের কাছাকাছি সময়ে মশার সক্রিয়তা বেশি থাকায় এ সময় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

এছাড়া বাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি সরিয়ে ফেলতে হবে। পুরোনো টায়ারসহ যেসব স্থানে পানি জমে মশা বংশবিস্তার করতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞ ডন ওয়েসনের আশঙ্কা, জলবায়ুর পরিবর্তন ও মশার স্থায়ী উপস্থিতির কারণে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয়ভাবে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আরও ঘন ঘন দেখা যেতে পারে। তার ভাষায়, এমন পরিস্থিতিই ভবিষ্যতে নতুন স্বাভাবিক বাস্তবতা হয়ে ওঠার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে।

সূত্র: এপি

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এক চার্জে ২২১ মাইল চলে পুরোনো টেসলা, অবাক নতুন মালিক!
যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে আলোচনায় এসেছে ১৩ হাজার ডলারেরও কম দামে কেনা একটি পুরোনো টেসলা মডেল এস। প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার মাইল চালানোর পরও গাড়িটি একবার চার্জে ২২১ মাইল চলতে সক্ষম হয়েছে। সম্প্রতি গাড়ি বিষয়ক গবেষণা ও পর্যালোচনা প্রতিষ্ঠান এডমন্ডসের পরিচালিত এক পরীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে।  নতুন অবস্থায় প্রায় ৭০ হাজার ডলার বা তার বেশি দামের এই বিলাসবহুল গাড়ি এখন মূল দামের তুলনায় অনেক কম খরচে পাওয়া যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ব্যবহারের পরও গাড়িটির এমন পারফরম্যান্স পুরোনো বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে। এডমন্ডস জানিয়েছে, তারা ১৩ হাজার ডলারের কম দামে গাড়িটি কেনার পর নিজেদের প্রচলিত ইভি রেঞ্জ টেস্টের মাধ্যমে এর কার্যক্ষমতা যাচাই করে। পরীক্ষায় বাস্তব পরিস্থিতিতে এক চার্জে গাড়িটি ২২১ মাইল চলেছে। গাড়ি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইনসাইডইভিএস এই ফলাফলকে গাড়িটির ক্রয়মূল্য বিবেচনায় বেশ ভালো পারফরম্যান্স হিসেবে উল্লেখ করেছে।  বিশেষ করে ১ লাখ ৩৫ হাজার মাইল চলার পরও গাড়িটি যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করতে পেরেছে, তা পুরোনো টেসলা কেনার সম্ভাব্যতা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। গাড়িটির সুনির্দিষ্ট ট্রিম বা সংস্করণ নিশ্চিত করা হয়নি। তবে এর চলার দূরত্ব ও পারফরম্যান্স বিবেচনায় এটি টেসলা মডেল এস ৮৫ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সংস্করণের নতুন অবস্থায় ঘোষিত রেঞ্জ ছিল প্রায় ২৬৫ মাইল।  সেই হিসাবে পরীক্ষায় পাওয়া ২২১ মাইল যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। তবে এটি গাড়িটির ব্যাটারির অবশিষ্ট সক্ষমতার চূড়ান্ত পরিমাপ নয়, বরং নির্দিষ্ট পরীক্ষায় পাওয়া বাস্তব রেঞ্জ। শুধু ব্যাটারির পারফরম্যান্স নয়, গাড়িটির গতিও পরীক্ষকদের নজর কেড়েছে। পুরোনো ও একে অপরের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন টায়ার ব্যবহার করা সত্ত্বেও গাড়িটি শূন্য থেকে ঘণ্টায় ৬০ মাইল গতিতে পৌঁছাতে সময় নিয়েছে মাত্র ৫ সেকেন্ড।  এক-চতুর্থাংশ মাইলের দৌড় শেষ করতেও সময় লেগেছে ১৩ দশমিক ৩ সেকেন্ড। দীর্ঘদিন ব্যবহারের পরও গাড়িটির এমন গতিশীলতা এর মোটর ও ড্রাইভিং পারফরম্যান্স সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা দিয়েছে। এডমন্ডসের পরীক্ষায় গাড়িটির ভেতরের পরিবেশও বেশ প্রশংসা পেয়েছে। পরীক্ষকদের মতে, গাড়িটি এখনো বেশ নীরব, আরামদায়ক এবং রাস্তায় স্থিতিশীল। পুরোনো হলেও এর বিলাসবহুল অনুভূতি পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। তবে সবকিছুই যে ভালো অবস্থায় রয়েছে, তা নয়। গাড়িটির পেছনের মোটর থেকে অস্বাভাবিক শব্দ আসছে, চালকের সামনের ডিসপ্লেতে ক্ষতি রয়েছে এবং পাওয়ার টেইলগেটের কার্যক্ষমতাও দুর্বল হয়ে পড়েছে। ভবিষ্যতে এসব অংশে মেরামতের প্রয়োজন হতে পারে। গাড়িটি কেনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো এর কোনো ওয়ারেন্টি নেই। ফলে ব্যাটারি, মোটর কিংবা গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিলে মেরামতের পুরো খরচ নতুন মালিককেই বহন করতে হবে। কম দামে বিলাসবহুল টেসলা কেনার সুযোগ থাকলেও ভবিষ্যতের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় নতুন মালিকের জন্য বড় বিবেচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে। আরটিভি/এসআর
এক চার্জে ২২১ মাইল চলে পুরোনো টেসলা, অবাক নতুন মালিক!
নিউ ইয়র্কে বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ম্যানহাটনের বদলে ক্রেতাদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে কুইন্স
নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যানহাটনে বাড়ির দাম বেশি হওয়ায় বিকল্প আবাসনের খোঁজ করছেন অনেক ক্রেতা। তাদের পছন্দের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে কুইন্স।  তুলনামূলক কম দামে বড় বাসা পাওয়ার পাশাপাশি শহুরে জীবনযাপনের সুবিধা ধরে রাখতে পারায় ম্যানহাটন থেকে কুইন্সের দিকে আগ্রহ বাড়ছে বাড়ির ক্রেতাদের। Realtor.com-এর সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এমন চিত্র। নিউ ইয়র্ক সিটির পাঁচটি বরো, ম্যানহাটন, ব্রুকলিন, কুইন্স, ব্রঙ্কস ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে বাড়ির বিজ্ঞাপনে অনলাইন অনুসন্ধানের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।  এতে দেখা গেছে, বরোগুলোর মধ্যে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় বাড়ি খোঁজার ক্ষেত্রে কুইন্স পেয়েছে প্রায় ৩৬ শতাংশ অনলাইন অনুসন্ধান। কুইন্সের বাড়ির বিজ্ঞাপনে বাইরের বরো থেকে আসা আগ্রহের মধ্যে ম্যানহাটনের বাসিন্দাদের অংশই ৪৫ শতাংশের বেশি। বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, ম্যানহাটনে বাড়ি খোঁজার ক্ষেত্রে নিজ বরোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছেন মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ অনুসন্ধানকারী। বাকি প্রায় ৮০ শতাংশ অনুসন্ধান অন্য বরোগুলোর বাড়ির বিজ্ঞাপনের দিকে যাচ্ছে। তবে এই পরিসংখ্যান অনলাইন অনুসন্ধানের ভিত্তিতে তৈরি। এর অর্থ এই নয় যে ম্যানহাটনের ৮০ শতাংশ বাসিন্দা ইতোমধ্যে অন্য এলাকায় চলে গেছেন বা বাড়ি কিনেছেন। নিজ নিজ বরোর বাড়ির বিজ্ঞাপনে আগ্রহ ধরে রাখার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে স্ট্যাটেন আইল্যান্ড। সেখানে প্রায় ৮৭ শতাংশ অনলাইন অনুসন্ধান নিজ বরোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ।  কুইন্সে এ হার ৭৬ দশমিক ৬ শতাংশ, ব্রঙ্কসে ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ব্রুকলিনে ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্যদিকে ম্যানহাটনের কম অনুসন্ধান ধরে রাখতে পারার পেছনে বাড়ির উচ্চমূল্যকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন আবাসন খাতের বিশেষজ্ঞরা।শহর খুঁজুন বাড়ির দামের ব্যবধানেই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে। Realtor.com-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্টে ম্যানহাটনে বাড়ির বিজ্ঞাপনে মধ্যম চাওয়া দাম ছিল ১৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার।  একই সময়ে কুইন্সে এই দাম ছিল ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা ম্যানহাটনের অর্ধেকেরও কম। ব্রুকলিনে মধ্যম চাওয়া দাম ছিল ৭ লাখ ৯৫ হাজার ডলার, স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৯০০ ডলার এবং ব্রঙ্কসে ৩ লাখ ২৯ হাজার ডলার। কুইন্সের আবাসন বাজারে আগ্রহ বাড়ার আরেকটি কারণ সেখানে বাড়ির তুলনামূলক বেশি সরবরাহ। ২০২৬ সালের আগস্টে বরোটিতে বিক্রির জন্য সক্রিয় বাড়ির সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৩৪০টি। বিপরীতে ব্রঙ্কসে ছিল মাত্র ১ হাজার ৪২টি।  Realtor.com-এর জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ জিয়াই জুয়ের মতে, ব্রঙ্কসে দাম তুলনামূলক কম হলেও কুইন্সে বাড়ির বিকল্প বেশি থাকায় ক্রেতারা নিজেদের বাজেট ও পছন্দ অনুযায়ী বাসা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ম্যানহাটন থেকে কুইন্সে আসা ক্রেতাদের বড় অংশই তুলনামূলক বড় জায়গা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা চান। কুইন্স হোম টিমের আবাসন প্রতিনিধি জেরালডিনে গিরালদো Realtor.com-কে জানান, তার অভিজ্ঞতায় তরুণ দম্পতি এবং দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াবাসায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে কুইন্সে বাড়ি কেনার আগ্রহ বেশি। তাঁদের অনেকেই অন্তত ৮৫০ বর্গফুটের বাসা খুঁজছেন। বিশেষ করে দুই শয়নকক্ষের অ্যাপার্টমেন্ট তাঁদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। কুইন্সের লং আইল্যান্ড সিটি, অ্যাস্টোরিয়া ও বেসাইড ম্যানহাটন থেকে আসা ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়। এসব এলাকায় গণপরিবহনের যোগাযোগ, খাবারের বৈচিত্র্য এবং শহুরে পরিবেশের কারণে আগ্রহ বাড়ছে।  এ ছাড়া সানিসাইড ও উডসাইড এলাকাতেও বাড়ির সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতাদের নজর পড়ছে। আবাসন প্রতিনিধি আন্দ্রেস পুলি মনে করেন, এসব এলাকায় ম্যানহাটনের মতো নাগরিক সুবিধা পাওয়া যায়, আবার তুলনামূলক বেশি ব্যক্তিগত পরিসরও মেলে। কুইন্সে ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে নতুন নির্মিত কনডোমিনিয়াম বা ব্যক্তিমালিকানাধীন অ্যাপার্টমেন্ট। তবে কেউ কেউ বড় পরিবারের জন্য একক বাড়ি কিনছেন।  আবার কয়েকটি পরিবারের একসঙ্গে বসবাস কিংবা বাড়ির একটি অংশ ভাড়া দিয়ে ঋণের খরচ সামলানোর উদ্দেশ্যে বহুতল আবাসনও কিনছেন অনেকে। তরুণ ও প্রথমবার বাড়ি কিনতে আগ্রহীদের মধ্যে তুলনামূলক কম দামের কো-অপারেটিভ অ্যাপার্টমেন্টের প্রতিও আগ্রহ রয়েছে।শহর খুঁজুন এদিকে কুইন্সের সানিসাইড এলাকায় আবাসন উন্নয়নের একটি বড় পরিকল্পনাও রয়েছে। মেয়র জোহরান মামদানি ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনায় উঠে এসেছে সানিসাইড ইয়ার্ডের ওপর অবকাঠামো নির্মাণ করে সেখানে প্রায় ১২ হাজার সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন তৈরির প্রস্তাব।  প্রকল্পটির জন্য ২১ বিলিয়ন ডলারের বেশি কেন্দ্রীয় তহবিল চেয়েছে নিউ ইয়র্ক সিটি প্রশাসন। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নতুন আবাসনের পাশাপাশি প্রায় ৩০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মেয়র কার্যালয় জানিয়েছে। তবে অর্থায়ন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সব মিলিয়ে বাড়ির উচ্চমূল্য, তুলনামূলক বেশি আবাসন সরবরাহ এবং ম্যানহাটনের সঙ্গে ভালো যোগাযোগের কারণে কুইন্স নিউ ইয়র্ক সিটির বাড়ির ক্রেতাদের কাছে ক্রমেই আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। Realtor.com-এর বিশ্লেষণ বলছে, শহরের ভেতরেই তুলনামূলক সাশ্রয়ী আবাসন খুঁজছেন এমন ক্রেতাদের কাছে আপাতত সবচেয়ে জনপ্রিয় গন্তব্য কুইন্স। আরটিভি/এসআর
নিউ ইয়র্কে বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ম্যানহাটনের বদলে ক্রেতাদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে কুইন্স
জানুয়ারি থেকে আমেরিকায় বাড়তি ভাতা, কারা পাবেন মাসে আরও ৭৫ ডলার
যুক্তরাষ্ট্রে অবসরভাতা ও অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা গ্রহণকারী মানুষের জন্য নতুন বছরের ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা এসেছে। ২০২৭ সালে জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা ৩.৬ শতাংশ বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে। ঘোষিত হার কার্যকর হলে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ৭৫ ডলার বেশি পেতে পারেন।মানচিত্র দেখুন সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসনের ঘোষণার ভিত্তিতে এই বৃদ্ধি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রত্যেক সুবিধাভোগী সমান অঙ্কের বাড়তি অর্থ পাবেন না। কারও বর্তমান ভাতার পরিমাণ বেশি হলে বাড়তি অর্থও তুলনামূলক বেশি হতে পারে। আবার স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়াম বা অন্যান্য কর্তন থাকলে হাতে পাওয়া অর্থের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।  অবসরভাতা ও প্রতিবন্ধিতাজনিত সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধার নতুন অঙ্ক ২০২৭ সালের জানুয়ারির অর্থপ্রদানে কার্যকর হবে। অন্যদিকে সম্পূরক নিরাপত্তা আয় কর্মসূচির সুবিধাভোগীরা জানুয়ারির অর্থ আগাম ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পেতে পারেন। তাই ডিসেম্বরের শেষ দিকে অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা হলে সেটি কোন মাসের জন্য দেওয়া হয়েছে, তা বিজ্ঞপ্তি দেখে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। একক ব্যক্তি ও দম্পতির জন্য সর্বোচ্চ সহায়তাঘোষিত হিসাব অনুযায়ী, সম্পূরক নিরাপত্তা আয় কর্মসূচিতে যোগ্য একক ব্যক্তির সর্বোচ্চ মাসিক ফেডারেল সহায়তা ১ হাজার ২৯ ডলার এবং যোগ্য দম্পতির জন্য ১ হাজার ৫৪৪ ডলার হতে পারে। এগুলো সর্বোচ্চ নির্ধারিত অঙ্ক; প্রত্যেকের প্রকৃত প্রাপ্য অর্থ নয়। আয়, সম্পদ, পারিবারিক অবস্থা এবং অন্যান্য নিয়মের ভিত্তিতে প্রকৃত অর্থ কম হতে পারে। সুবিধাভোগীরা সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসনের অনলাইন হিসাবের মাধ্যমে নতুন ভাতার বিজ্ঞপ্তি দেখতে পারবেন। অনলাইনে বিজ্ঞপ্তি না পেলে ডাকযোগে পাঠানো চিঠিও যাচাই করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে নতুন ভাতার পরিমাণ এবং প্রযোজ্য কর্তনের তথ্য উল্লেখ থাকবে। জীবনযাত্রার ব্যয় সমন্বয়ের উদ্দেশ্য হলো মূল্যস্ফীতির কারণে সুবিধাভোগীদের ক্রয়ক্ষমতার ওপর পড়া চাপ কিছুটা কমানো। তবে ভাতা বাড়লেও বাড়িভাড়া, খাবার, চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্যবিমার খরচ বেড়ে গেলে পরিবারের আর্থিক চাপ পুরোপুরি কমবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের জন্য নতুন ভাতার বিজ্ঞপ্তি যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট ব্যক্তির প্রাপ্য অর্থ জানতে সরকারি হিসাব ও ব্যক্তিগত বিজ্ঞপ্তির ওপর নির্ভর করা উচিত। আরটিভি/এসআর
জানুয়ারি থেকে আমেরিকায় বাড়তি ভাতা, কারা পাবেন মাসে আরও ৭৫ ডলার
১৪৯ দিন হেঁটে নিউ ইয়র্ক থেকে ক্যালিফোর্নিয়ায়, পৌঁছাতেই চুরির শিকার যুবক
নিউ ইয়র্কের ব্রঙ্কস থেকে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মাইল পথ পায়ে হেঁটে ক্যালিফোর্নিয়ায় পৌঁছেছিলেন চান্টজ রিভেরা। দীর্ঘ ১৪৯ দিনের এই যাত্রায় নিজের সব জিনিসপত্র একটি শপিং কার্টে করে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন ২৯ বছর বয়সী এই তরুণ।  কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর পরপরই চুরির শিকার হন তিনি। সান ফ্রান্সিসকোর একটি ম্যাকডোনাল্ডস থেকে তাঁর ব্যাগসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস খোয়া যায়।ইতিহাস পড়ুন সান ফ্রান্সিসকো স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩১ মে ব্রঙ্কস থেকে যাত্রা শুরু করেন রিভেরা। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য পেরিয়ে ২৬ অক্টোবর তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলীয় এলাকায় পৌঁছান। পুরো পথ পাড়ি দিতে তার সময় লাগে ১৪৯ দিন।  যাত্রাপথে কখনো সড়কের পাশে তাঁবু খাটিয়ে রাত কাটিয়েছেন, কখনো অপরিচিত মানুষের আতিথেয়তা পেয়েছেন। প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও আকারে প্রকাশ করায় তাঁর অনুসারীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে। ক্যালিফোর্নিয়ায় পৌঁছানোর পরদিন তিনি ফিলমোর স্ট্রিট ও গোল্ডেন গেট অ্যাভিনিউয়ের কাছের একটি ম্যাকডোনাল্ডসে যান। সেখানে তার একটি ব্যাগ চুরি হয়। ব্যাগটিতে বহনযোগ্য চার্জারের পাশাপাশি মেমোরি কার্ড ও ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ছিল। প্রথমে বিষয়টি নিয়ে খুব একটা চিন্তিত হননি রিভেরা। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে অসুস্থ ও ক্লান্ত থাকায় জিনিসপত্র হারানোর বিষয়টি তখন তাঁর কাছে তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়নি। পরে বুঝতে পারেন, মেমোরি কার্ড ও ফ্ল্যাশ ড্রাইভে পুরো যাত্রার অনেক ছবি ও ভিডিও সংরক্ষিত ছিল। সান ফ্রান্সিসকো স্ট্যান্ডার্ডকে তিনি বলেন, ওই ভিডিওগুলো আর নতুন করে কেনা সম্ভব নয়। যাত্রাপথের অনেক অপ্রকাশিত দৃশ্যও সেখানে ছিল। তাই চার্জারের চেয়ে স্মৃতিগুলো হারানোই তাঁকে বেশি কষ্ট দিয়েছে। এ ছাড়া ক্যালিফোর্নিয়ার স্যাক্রামেন্টোতে থাকাকালে উপহার পাওয়া এক জোড়া জুতাও হারান তিনি। শপিং কার্টটি কিছু সময়ের জন্য অরক্ষিত রেখে ফিরে এসে দেখেন, জুতাসহ কার্টটি আর সেখানে নেই। এ ঘটনায় নিজের অসতর্কতাকেও দায়ী করেছেন রিভেরা।  একই সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ব্যক্তি তাঁর জন্য হোটেল বুক করার কথা জানালেও সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, কক্ষের জন্য অর্থ পরিশোধ করা হয়নি। তবে ক্যালিফোর্নিয়ায় সব অভিজ্ঞতাই তার জন্য খারাপ ছিল না। সান ফ্রান্সিসকোর টিমব্রি হোটেলের একজন ব্যবস্থাপক তাঁকে বিনা মূল্যে দুই রাত থাকার ব্যবস্থা করে দেন। আরেক ব্যক্তি তাঁকে পিৎজা খাওয়ানোর পাশাপাশি শহরের জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা টুইন পিকস ঘুরিয়ে দেখান। দীর্ঘ যাত্রার পর কিছুটা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন রিভেরা। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এই পদযাত্রার সময় রিভেরা ১১টি অঙ্গরাজ্য পাড়ি দেন। যাত্রা শুরুর আগে তিনি মাত্র ২৫০ ডলার সঙ্গে নিয়েছিলেন। পরে মানুষের সহযোগিতায় তাঁর তহবিলে ১৩ হাজার ডলারের বেশি জমা পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর যাত্রার ভিডিওও ব্যাপক সাড়া পায়।  সান ফ্রান্সিসকোতে কয়েক দিন কাটিয়ে লস অ্যাঞ্জেলেস যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। এরপর বিমানে করে নিউ ইয়র্কের ব্রঙ্কসে ফিরে যাওয়ার কথা। সূত্র: সান ফ্রান্সিসকো স্ট্যান্ডার্ড, এনবিসি বে এরিয়া। আরটিভি/এসআর
১৪৯ দিন হেঁটে নিউ ইয়র্ক থেকে ক্যালিফোর্নিয়ায়, পৌঁছাতেই চুরির শিকার যুবক
আইসক্রিম খেয়ে ফেলায় দুই ভাড়াটিয়াকে হত্যা করলেন বৃদ্ধ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় আইসক্রিম খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে দুই ভাড়াটিয়াকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে মার্ক লিন রবিনসন (৬৯) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আইসক্রিম খেয়ে ফেলায় দুই ভাড়াটিয়াকে হত্যা করলেন বৃদ্ধ
আরও পড়ুন
এক চার্জে ২২১ মাইল চলে পুরোনো টেসলা, অবাক নতুন মালিক!
জানুয়ারি থেকে আমেরিকায় বাড়তি ভাতা, কারা পাবেন মাসে আরও ৭৫ ডলার
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সংঘাতে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক, বলছে মিশর
আইসক্রিম খেয়ে ফেলায় দুই ভাড়াটিয়াকে হত্যা করলেন বৃদ্ধ