
ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা শুরু করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে টেলিফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
রোববার (১ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে এ বিষয়ে অবগত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, শনিবার সকালে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে ফোনালাপ হয়। এ সময় ইরানে ফের হামলা শুরুর পরিকল্পনা করছিল যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, ইরান সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধান চান ট্রাম্প। তবে সামরিকভাবে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের সক্ষমতা ওয়াশিংটনের রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাবে নাকি চালাবে না এ নিয়ে অস্পষ্টতায় রয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বিভাগ। তাই যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে আলোচনায় ফেরার জন্য আরেকটি সুযোগ দিতে চায়।
তবে ইসরায়েলি সেনা কমান্ডারদের মতে, ইরান অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন কোনো চুক্তি করবে না, যেখানে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বাদ দিতে হবে। পারমাণবিক কার্যক্রমের সঙ্গে ইরানকে শর্ত দেওয়া হচ্ছে তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎপাদনও বন্ধ করে দিতে হবে। যা ইরান কোনোভাবেই মানবে না।
ইরসায়েলি কমান্ডারদের ধারণা ইরান এখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করছে। যেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে যুদ্ধের প্রভাব পড়ে।
তারা আরও বলছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে নতুন হামলার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে যদি মার্কিনিরা বুঝতে পারে ইরান আকস্মিক হামলা চালাতে পারে; তখনই শুধু নির্বাচনের আগে হামলা হতে পারে।
আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন হবে। যেখানে দেশটির আইনসভা কংগ্রেসের সব আসন এবং সিনেটের এক তৃতীয়াংশ আসনে ভোট হবে।
সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
আরটিভি/এসআর




