ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

মাঝরাতের ক্ষুধা যেভাবে বন্ধ করা যায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:১০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

অনেকেই মাঝরাতে কিছু একটা খাওয়ার তাগিদ অনুভব করেন। মানসিক চাপ, অনিদ্রা বা একঘেয়েমির মতো বিভিন্ন কারণে গভীর রাতে এই ধরনের আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়। এই সাধারণ কারণগুলো ছাড়াও, এই অভ্যাসটি বিষণ্ণতা, উদ্বেগ বা অন্যান্য অন্তর্নিহিত শারীরিক অসুস্থতার মতো গুরুতর সমস্যার দিকেও ইঙ্গিত করতে পারে। কিছু ব্যক্তি রাতে অতিরিক্ত খাওয়া প্রতিরোধ করতে বা প্রতিহত করতে হিমশিম খান। এটি মোকাবিলা করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে।

গভীর রাতে খাবারের তীব্র আকাঙ্ক্ষা বন্ধ করার উপায়

ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। জীবনযাত্রায় কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আনার মাধ্যমে আপনি স্বাভাবিকভাবেই অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস মোকাবিলা করতে বা প্রতিরোধ করতে পারেন-

* সারাদিন ধরে পর্যাপ্ত প্রোটিন এবং ফাইবারযুক্ত সুষম খাবার খান।

* সকালের বা দুপুরের খাবার বাদ দেবেন না।

* চিনিযুক্ত এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার সীমিত করুন।

* পর্যাপ্ত পানি পান করুন। নিয়মিত ঘুমের সময়সূচী বজায় রাখুন।

* ব্যায়ামের মাধ্যমে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন।

আরও পড়ুন

* অস্বাস্থ্যকর খাবার হাতের নাগালের বাইরে রাখুন।

* সত্যিই ক্ষুধা পেলে স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিন।

* ধ্যান বা শিথিলকরণ কৌশল ব্যবহার করুন।

যদি রাতে অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস ঘন ঘন হয় বা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে, তবে একজন ডাক্তার, ডায়েটিশিয়ান বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন, কারণ কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি (CBT)-এর মতো কাউন্সেলিং সহ প্রাথমিক চিকিৎসা এই চক্র ভাঙতে এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য উভয়ই উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

গভীর রাতে খাওয়ার অভ্যাস কীভাবে স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে

২০২২ সালে ‘সেল মেটাবলিজম’ (Cell Metabolism) জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, আমাদের খাবার গ্রহণের সময় আমাদের শক্তি ব্যয়, ক্ষুধা এবং মেদ টিস্যুর (adidose tissue) আণবিক পথগুলোকে প্রভাবিত করতে পারে। এর অর্থ হলো, গভীর রাতে খাওয়া আমাদের ক্ষুধার মাত্রা, খাওয়ার পর ক্যালোরি পোড়ানোর পদ্ধতি এবং শরীরে চর্বি জমার পদ্ধতিতে একটি বড় পার্থক্য তৈরি করে।

গবেষণাটির ফলাফলে দেখা গেছে যে, গভীর রাতে খাওয়ার ফলে ক্ষুধা এবং ক্ষুধা-নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন লেপটিন ও গ্রেলিনের ওপর গভীর প্রভাব পড়েছে। এগুলো আমাদের খাওয়ার ইচ্ছাকে প্রভাবিত করে। নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, গবেষণায় দেখা গেছে যে, তৃপ্তির সংকেত দেয় এমন হরমোন লেপটিনের মাত্রা, আগে খাওয়ার তুলনায় দেরিতে খাওয়ার ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টা জুড়ে হ্রাস পেয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, অংশগ্রহণকারীরা দেরিতে খাবার খেলে তাদের ক্যালোরি পোড়ানোর হারও কমে যায় এবং শরীরে চর্বি জমার প্রবণতা বাড়ে।

আরটিভি/এমএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস।
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
বিশ্ব ডাক দিবস আজ, চিঠির যুগ পেরিয়ে ডাকসেবায় নতুন সম্ভাবনা
একসময় প্রিয়জনের চিঠির অপেক্ষায় দিন গুনত মানুষ। ডাকপিয়নের হাতে চিঠি এলেই আনন্দে ভরে উঠত মন।
বিশ্ব ডাক দিবস আজ, চিঠির যুগ পেরিয়ে ডাকসেবায় নতুন সম্ভাবনা
আরও পড়ুন
ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ালে আল্লাহ তাকে জান্নাতের ফলমূল থেকে আহার করাবেন 
সকালে ক্ষুধা না থাকায় নাস্তা বাদ দিচ্ছেন? সাবধান হতে হবে এখনই
ক্ষুধা লাগলে মেজাজ খারাপ হয় কেন 
পেট ভরে খেলেও কেন আবার খিদে পায়