ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

যে গোলাপি কেকের প্রেমে মশগুল বিশ্বখ্যাত স্টাইল আইকনরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্ক শহরে খাবার নিয়ে হঠাৎ করে উন্মাদনা তৈরি হওয়া নতুন কিছু নয়। কখনো ম্যাগনোলিয়া বেকারির কাপকেক, কখনো ক্রোনাট, আবার কখনো বিশালাকার লেভাইন কুকিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে নানা খাবারই পেয়েছে সাময়িক তারকাখ্যাতি। তবে এসব ক্ষণস্থায়ী ট্রেন্ডের ভিড়েও প্রায় নয় দশক ধরে নিজের জায়গা ধরে রেখেছে একটি বিশেষ কেক।

গোলাপি রঙের এই কেককে অনেকেই কেক দুনিয়ার ‘পুরোনো দিনের গ্ল্যামারাস রুপালি পর্দার দিভা’ বলে অভিহিত করেন। এটি হলো ইতালিয়ান প্রতিষ্ঠান সান্ত আমব্রোয়েসের বিখ্যাত ‘প্রিন্সিপেসা কেক’, যা ফ্যাশন দুনিয়ায় পরিচিত হয়ে উঠেছে ‘সবচেয়ে ফ্যাশনেবল কেক’ হিসেবে।

কেন একটি সাধারণ পেস্ট্রি আধুনিক ট্রেন্ডসেটার ও ফ্যাশনসচেতন মানুষের এতটা প্রিয় হয়ে উঠেছে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে কেকটির চেহারা, স্বাদ এবং ঐতিহ্যের মিশেলে।

হলিউড তারকা থেকে শুরু করে ফ্যাশন আইকন, ম্যাগাজিন সম্পাদক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইনফ্লুয়েন্সার অনেকের কাছেই এখন পছন্দের তালিকায় রয়েছে এই গোলাপি কেক। বিউটি ইনফ্লুয়েন্সাররা কেকে কামড় বসিয়ে ভিডিও বানাচ্ছেন, বিভিন্ন পাবলিসিটি ফার্ম বিশেষ উপলক্ষে ক্লায়েন্টদের উপহার দিচ্ছে আস্ত প্রিন্সিপেসা কেক। এমনকি নামী ম্যাগাজিনের সম্পাদকরাও সহকর্মীদের বিদায় সংবর্ধনায় এই কেকের পেছনে খরচ করছেন শত শত ডলার।

হলিউড তারকা লিন্ডসে লোহানও তার ৪০তম জন্মদিনের জমকালো আয়োজনে এই কেক রেখেছেন বলে জানা গেছে।

সান্ত আমব্রোয়েসের বিশেষ কাটে পরিবেশন করা প্রিন্সিপেসার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করাও এখন অনেকের কাছে ফ্যাশনেবল লাইফস্টাইলের অংশ। কেবল খাবারের জগতেই নয়, কেকটির জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছে ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল পণ্যেও। লাক্সারি ব্র্যান্ড ‘ফ্লেমিংগো এস্টেট’ প্রিন্সিপেসা কেকের সুবাস ও আবহ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ক্যান্ডেল, সুগন্ধি সাবান ও ফ্র্যাগরেন্স অয়েলও তৈরি করেছে।

প্রিন্সিপেসা কেকের শিকড় রয়েছে সুইডেনের ঐতিহ্যবাহী ‘প্রিন্সেস কেক’ বা ‘প্রিন্সেসটোরটা’তে। প্রচলিত সুইডিশ সংস্করণে সাধারণত রাস্পবেরি জ্যাম এবং উজ্জ্বল সবুজ মার্জিপানের আবরণ থাকে।

তবে ১৯৩০-এর দশকে ইতালির মিলানে যাত্রা শুরু করা সান্ত আমব্রোয়েস এই ঐতিহ্যবাহী রেসিপিকে দেয় ভিন্ন মাত্রা। তৈরি হয় প্রিন্সিপেসা নরম স্পঞ্জ কেকের সঙ্গে মাখনের মতো কোমল লেবুর সুবাসযুক্ত পেস্ট্রি ক্রিম, তার ওপর হুইপড ক্রিমের মেঘের মতো স্তর। সবশেষে পুরো কেকটি ঢেকে দেওয়া হয় হালকা গোলাপি মার্জিপানের সূক্ষ্ম আবরণে।

চোখে পড়ার মতো রাজকীয় সাজের পাশাপাশি এর স্বাদও বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। অতিরিক্ত মিষ্টি নয় বরং নরম স্পঞ্জ, ক্রিম ও মার্জিপানের মিশেলে তৈরি হয় কোমল ও পরিমিত স্বাদ। ফলে দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, খেতেও তেমনি তৃপ্তিদায়ক।

১৯৮০-এর দশকে নিউইয়র্কে সান্ত আমব্রোয়েসের যাত্রা শুরুর পর প্রিন্সিপেসা কেকের জনপ্রিয়তা আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন শাখায় প্রতিদিন প্রায় ৪০০ স্লাইস প্রিন্সিপেসা বিক্রি হয় বলে জানা যায়।

কেকটির আকার ও ধরন অনুযায়ী দামও কম নয়। একটি পুরো কেকের দাম প্রায় ২০০ ডলার থেকে শুরু হয়ে ৩৬০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

আজকের খাদ্যজগতে ‘দুবাই চকলেট’ থেকে শুরু করে নানা ধরনের অভিনব ও ভাইরাল খাবারের ট্রেন্ড তৈরি হচ্ছে। কিন্তু প্রিন্সিপেসার জনপ্রিয়তার ভিত্তি ভিন্ন। এর মূল শক্তি হলো ঐতিহ্য, কারিগরি দক্ষতা এবং দীর্ঘদিন ধরে ধরে রাখা স্বাদ।

সান্ত আমব্রোয়েসের শেফরা প্রতিটি স্তরের ভারসাম্য ঠিক রাখতে দীর্ঘ প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে তৈরি হন। ফলে কেকটির প্রতিটি কামড়েই পাওয়া যায় নরম স্পঞ্জ, মসৃণ ক্রিম ও মার্জিপানের নিখুঁত সমন্বয়।

ফ্যাশনের দুনিয়ায় ট্রেন্ড আসে, আবার হারিয়েও যায়। কিন্তু প্রায় নয় দশক ধরে নিজের স্বকীয়তা ধরে রাখা এই গোলাপি ‘দিভা’ যেন সময়ের সঙ্গে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। তাই ক্ষণস্থায়ী ভাইরাল খাবারের ভিড়েও প্রিন্সিপেসা কেক আজও নিজের সিংহাসনে অটুট।

সূত্র: সিএনএন

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢাকায় ‘নাইটস ইন ইস্তাম্বুল’ তুর্কি ফুড ফেস্টিভ্যাল
ম্যারিয়ট ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠান শেরাটন ঢাকা আয়োজন করেছে ‘নাইটস ইন ইস্তাম্বুল’ শীর্ষক বিশেষ তুর্কি ফুড ফেস্টিভ্যাল। আগামী ৩ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বনানীর শেরাটন ঢাকার ১৪তম তলায় দ্য গার্ডেন কিচেনে এ আয়োজন চলবে।
ঢাকায় ‘নাইটস ইন ইস্তাম্বুল’ তুর্কি ফুড ফেস্টিভ্যাল
বিশ্ব নারিকেল দিবস আজ
নারিকেল আমাদের কাছে খুব পরিচিত একটি ফল। কাঁচা অবস্থায় ডাবের পানি ও শাঁস, আর পাকা নারিকেল দিয়ে তৈরি হয় নানা রকম খাবার। কেবল স্বাদ নয়, পুষ্টিগুণ ও বহুমুখী ব্যবহারের কারণেও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নারিকেলের ব্যাপক কদর রয়েছে। মজার ব্যাপার হলো, প্রতি বছর ২ সেপ্টেম্বর পালিত হয় বিশ্ব নারিকেল দিবস। নারিকেল চাষ, উৎপাদন ও এর গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিই এ দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য। নারিকেলের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক বহু পুরোনো। ধারণা করা হয়, অন্তত দুই হাজার বছর ধরে মানুষ খাবার ও নানা কাজে নারিকেল ব্যবহার করে আসছে। এর আদি উৎস নিয়ে নানা মত থাকলেও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে নারিকেলের সম্পর্ক বেশ গভীর। সমুদ্রপথে বাণিজ্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নারিকেলও ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে। ইউরোপে নারিকেলের পরিচিতি ঘটে প্রায় ১৬ শতকের দিকে। ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের হাত ধরে ধীরে ধীরে এই গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল পৌঁছে যায় বিশ্বের নানা প্রান্তে। নারিকেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা ও এই শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালে গঠিত এশিয়ান অ্যান্ড প্যাসিফিক কোকোনাট কমিউনিটি (এপিসিসি)। সংস্থাটি নারিকেল উৎপাদন, গবেষণা, প্রযুক্তি ও বাণিজ্য নিয়ে কাজ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সালে প্রথম পালিত হয় বিশ্ব নারিকেল দিবস। নারিকেল চাষিদের উৎসাহ দেওয়া, নারিকেলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরা এবং এর বহুমুখী ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো দিবসটির মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশে নারিকেলের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যবহারগুলোর একটি হলো ডাব। গরমে ডাবের পানি যেমন স্বস্তি দেয়, তেমনি কাঁচা নারিকেলের শাঁসও অনেকের প্রিয়। পাকা নারিকেল ব্যবহৃত হয় রান্না ও মিষ্টান্ন তৈরিতে। নারিকেলের দুধ দিয়ে তৈরি হয় বিভিন্ন পদ। নারিকেলের তেলও রান্না, প্রসাধনীসহ নানা কাজে ব্যবহৃত হয়। এমনকি নারিকেলের ছোবড়া ও খোল দড়ি, মাদুর, জ্বালানি কিংবা বিভিন্ন হস্তশিল্প তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ নারিকেল এমন একটি ফল, যার গাছের প্রায় প্রতিটি অংশই কোনো না কোনোভাবে মানুষের কাজে আসে। পুষ্টিতেও পিছিয়ে নেই নারিকেল। এর শাঁসে রয়েছে চর্বি, খাদ্যআঁশ ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান। অন্যদিকে ডাবের পানিতে পানি ও কিছু ইলেকট্রোলাইট থাকে। তবে ডাবের পানি বা নারিকেলকে কোনো রোগের চিকিৎসা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। স্বাস্থ্যকর খাবারের অংশ হিসেবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো। বিশ্ব নারিকেল দিবস পালনের সবচেয়ে সহজ উপায় হতে পারে দেশীয় এই ফলটির বহুমুখী ব্যবহার সম্পর্কে জানা ও অন্যদের জানানো। ডাবের পানি পান করা, নারিকেল দিয়ে কোনো খাবার তৈরি করা কিংবা নারিকেল চাষিদের অবদান সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি। বাংলাদেশের গ্রামবাংলার সঙ্গে নারিকেল গাছের সম্পর্কও দীর্ঘদিনের। বাড়ির উঠানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা একটি নারিকেলগাছ কেবল ফলই দেয় না, ছায়া, জ্বালানি ও নানা উপকরণও জোগায়। তাই বিশ্ব নারিকেল দিবস কেবল একটি ফল উদযাপনের দিন নয়; এটি নারিকেল চাষ, কৃষকের শ্রম এবং এই বহুমুখী গাছের অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব মনে করারও একটি উপলক্ষ। আরটিভি/এসআর
বিশ্ব নারিকেল দিবস আজ
ঘরেই বানান রেস্তোরাঁর মতো রুমালি রুটি, রইল সহজ কৌশল
লালচে আলুরদম কিংবা মাংসের ঝোলের সঙ্গে পাতলা ও নরম রুমালি রুটি হলে জমে যায় রাতের খাবার। সাধারণত এমন রুটি খেতে অনেকেই রেস্তোরাঁয় ছুটে যান। তবে চাইলে বাড়ির তাওয়াতেই খুব সহজে তৈরি করা যায় ফিনফিনে ও তুলতুলে রুমালি রুটি। সঠিক পরিমাণে উপকরণ ব্যবহার এবং কয়েকটি কৌশল মেনে চললেই ঘরেই তৈরি হবে রেস্তোরাঁর মতো নরম রুমালি রুটি। যা যা লাগবে ময়দা ২ কাপআটা আধা কাপহালকা গরম দুধ আধা কাপপ্রয়োজনমতো পানিলবণ আধা চা-চামচঘি ১ টেবিলচামচপ্রয়োজনমতো তেল আরও পড়ুন ঘরেই মুচমুচে কুচো নিমকি বানাবেন যেভাবে প্রথমেই ভালো করে ময়দা মাখুন একটি বড় পাত্রে ময়দা, আটা ও লবণ নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার এতে ঘি ও হালকা গরম দুধ দিন। এরপর প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে অন্তত ৮ থেকে ১০ মিনিট ভালোভাবে মাখুন। ডো (খামি) টি যত ভালো করে মাখা হবে, রুটি তত নরম ও তুলতুলে হবে। মাখার পর নরম ও মসৃণ ডো (খামি) তৈরি করে নিন। বেলার আগে অপেক্ষা করুন ডোর (খামি) গায়ে সামান্য তেল মাখিয়ে নিন। এরপর একটি ভেজা সুতির কাপড় দিয়ে ঢেকে অন্তত ৩০ মিনিট রেখে দিন। এতে ডো (খামি) আরও নরম হবে এবং রুটি পাতলা করে বেলতে সুবিধা হবে। যত পাতলা, তত ভালো  ৩০ মিনিট পর মণ্ড থেকে ছোট ছোট লেচি (ছোট গোলাকার টুকরো) কেটে নিন। সামান্য ময়দা ছড়িয়ে লেচিগুলো (ছোট গোলাকার টুকরো) খুব পাতলা করে বেলে নিন। রুটি এতটাই পাতলা করতে হবে, যেন তার নিচ থেকে হাত দেখা যায়। রুমালি রুটির নরম ও পাতলা হওয়ার অন্যতম রহস্য এখানেই। তাওয়া উল্টো করে বসান এবার গ্যাসে একটি লোহার তাওয়া উল্টো করে বসিয়ে ভালোভাবে গরম করুন। সাধারণভাবে তাওয়া বসানোর বদলে উল্টো করে বসালে রুমালি রুটি তৈরি করা সহজ হয়। একটি ছোট বাটিতে এক কাপ পানির সঙ্গে এক টেবিলচামচ লবণ মিশিয়ে নিন। তাওয়া গরম হয়ে গেলে এই লবণ-পানির মিশ্রণ সামান্য ছিটিয়ে দিন। এতে রুটি তাওয়ার সঙ্গে আটকে থাকবে না। বুদবুদ উঠলেই উল্টে দিন পাতলা করে বেলে রাখা রুটিটি সাবধানে গরম তাওয়ার ওপর ছড়িয়ে দিন। ৫ থেকে ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই রুটির গায়ে ছোট ছোট বুদবুদ দেখা দেবে। তখন রুটিটি উল্টে দিন। একটি পরিষ্কার সুতির কাপড় দিয়ে হালকা করে চাপ দিয়ে ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড সেঁকে নিন। তবে রুটি বেশি সময় ধরে সেঁকবেন না। বেশি সময় তাওয়াতে রাখলে রুমালি রুটি শক্ত হয়ে যেতে পারে। শেষ ধাপেই আসল কৌশল রুটি তৈরি হয়ে গেলে তাওয়া থেকে নামিয়ে দ্রুত রুমালের মতো চার ভাঁজ করে নিন। এভাবেই তৈরি হয়ে যাবে নরম ও তুলতুলে রুমালি রুটি। রুমালি রুটি দীর্ঘক্ষণ নরম রাখতে চাইলে তৈরি হওয়ার পর কাপড়ে মুড়ে হটপটে রাখতে পারেন। গরম গরম এই রুটি আলুরদম, মাংসের ঝোল বা পছন্দের অন্য তরকারির সঙ্গে পরিবেশন করা যায়। আরটিভি/জেএমএ
ঘরেই বানান রেস্তোরাঁর মতো রুমালি রুটি, রইল সহজ কৌশল
ঘরেই মুচমুচে কুচো নিমকি বানাবেন যেভাবে
বিকেলের নাশতায় কিংবা অতিথি আপ্যায়নে নিমকি বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। ময়দা দিয়ে তৈরি মুচমুচে কুচো নিমকি একবার খেতে শুরু করলে সহজে থামতে ইচ্ছা করে না। খুব বেশি ঝামেলা ছাড়াই ঘরেই তৈরি করা যায় এই মুখরোচক খাবার। চলুন জেনে নেওয়া যাক মুচমুচে কুচো নিমকি তৈরির সহজ পদ্ধতি। যা যা লাগবে ময়দা ২ কাপতেল ২ চা-চামচলবণ ১ চা-চামচচিনি আধা চা-চামচকালোজিরা ১ চা-চামচপানি আধা কাপভাজার জন্য তেল ২ কাপ যেভাবে তৈরি করবেন প্রথমে একটি বড় পাত্রে ময়দা, ২ চা-চামচ তেল, লবণ, চিনি ও কালোজিরা নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর অল্প অল্প করে পানি দিয়ে ময়দা মাখতে শুরু করুন। ময়দা ভালোভাবে মাখতে হবে, যেন আঙুল থেকে ময়দা ছেড়ে যায় এবং মাখা ময়দার তালটি মসৃণ ও নরম হয়। সাধারণত ৫ থেকে ৬ মিনিট ভালোভাবে মাখলেই উপযুক্ত তাল তৈরি হয়ে যাবে। এবার মাখা ময়দার তালটি একটি ভেজা সুতির কাপড়ে জড়িয়ে অন্তত ৩০ মিনিট রেখে দিন। রুটির মতো বেলে নিন ৩০ মিনিট পর ময়দার তাল থেকে ৫ থেকে ৬টি সমান আকারের লেচি কেটে নিন। চাকিতে সামান্য শুকনো ময়দা ছড়িয়ে একটি একটি লেচি রেখে পাতলা ও বড় রুটির মতো করে বেলে নিন। প্রতিটি রুটি বেলা হয়ে গেলে ছুরি দিয়ে ছোট ছোট বরফির আকারে কেটে নিন। এভাবেই সব কটি রুটি কেটে নিমকির টুকরো তৈরি করে রাখুন। এবার ভেজে নিন কড়াইয়ে ২ কাপ তেল দিয়ে গরম হতে দিন। তেল গরম হয়ে গেলে আঁচ মাঝারি করে কেটে রাখা ময়দার টুকরোগুলো তেলে দিন। ডুবো তেলে টুকরোগুলো ভালোভাবে ভেজে নিন। নিমকি সুন্দরভাবে ভাজা হয়ে গেলে তুলে কাগজের ওপর ছড়িয়ে রাখুন। এতে অতিরিক্ত তেল শুষে যাবে এবং নিমকি আরও মুচমুচে হয়ে উঠবে। মুচমুচে নিমকি প্রস্তুত এবার তৈরি হয়ে গেল ঘরোয়া মুচমুচে কুচো নিমকি। চায়ের সঙ্গে কিংবা বিকেলের নাশতায় পরিবেশন করতে পারেন এই সুস্বাদু খাবার। সহজ উপকরণে অল্প সময়েই তৈরি করা যায় বলে ঘরোয়া নাশতা হিসেবে এটি হতে পারে দারুণ একটি আয়োজন। আরটিভি/জেএমএ
ঘরেই মুচমুচে কুচো নিমকি বানাবেন যেভাবে
বৃষ্টির দিনে জমবে গরম গরম ইলিশ খিচুড়ি, রইল সহজ রেসিপি 
বৃষ্টি এলেই বাঙালির খাবারের তালিকায় ইলিশের কদর বেড়ে যায়। ইলিশ ভাজা, ঝোল কিংবা ভর্তার পাশাপাশি খিচুড়ির সঙ্গে ইলিশের স্বাদও বেশ জনপ্রিয়। বৃষ্টির দিনে গরম গরম ইলিশ খিচুড়ি হলে জমে যায় দুপুর বা রাতের খাবার।  খুব বেশি ঝামেলা ছাড়াই ঘরে থাকা সাধারণ উপকরণ দিয়ে তৈরি করা যায় এই পদ। জেনে নিন সহজ রেসিপি। যা যা লাগবে পোলাওর চাল ৫০০ গ্রাম, মসুর ও মুগডাল মিলিয়ে ৪০ গ্রাম, ইলিশ মাছ ৪ টুকরা, মিহি করে কাটা পেঁয়াজ আধা বাটি, রসুন বাটা ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৮-১০টি, স্বাদ অনুযায়ী লবণ, তেজপাতা ২টি, কুচি করা রসুন ১ টেবিল চামচ, কুচি করা আদা ২ টেবিল চামচ, মোটা করে কাটা পেঁয়াজ ১ বাটি, হলুদ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, সরিষার তেল ও পরিমাণমতো পানি। আরও পড়ুন বৃষ্টিতে ভিজেছেন? বর্ষায় সুস্থ থাকতে মেনে চলুন এই সহজ নিয়মগুলো যেভাবে রান্না করবেন প্রথমে চাল ও ডাল একসঙ্গে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাতিলে সরিষার তেল গরম করে তাতে মিহি করে কাটা পেঁয়াজ, কুচি করা আদা-রসুন এবং গুঁড়া মসলা দিয়ে দিন। স্বাদ অনুযায়ী লবণ দিয়ে মসলা ভালোভাবে কষিয়ে নিন। মসলা কষানো হয়ে গেলে ধুয়ে রাখা চাল ও ডাল দিয়ে ভালোভাবে ভেজে নিন। এরপর পরিমাণমতো পানি ও কাঁচা মরিচ দিয়ে পাতিলটি ঢেকে রান্না করুন। এবার অন্য একটি কড়াইয়ে সরিষার তেল গরম করুন। ইলিশ মাছের টুকরাগুলোতে প্রয়োজনীয় বাটা ও গুঁড়া মসলা, কালিজিরা, কাঁচা মরিচ ও লবণ মাখিয়ে কড়াইয়ে দিন। মাছ মাখা মাখা করে রান্না করে নিন। খিচুড়ি ভালোভাবে রান্না হয়ে গেলে অর্ধেক খিচুড়ি অন্য পাত্রে তুলে নিন। পাতিলে থাকা খিচুড়ির ওপর রান্না করা ইলিশের টুকরাগুলো সাজিয়ে দিন। এরপর তুলে রাখা বাকি খিচুড়ি দিয়ে মাছগুলো ঢেকে দিন। সবশেষে ঢাকনা দিয়ে আরও প্রায় ১০ মিনিট চুলায় রেখে দিন। এতে ইলিশের স্বাদ ও ঘ্রাণ খিচুড়ির সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যাবে। গরম গরম পরিবেশন করুন সুস্বাদু ইলিশ খিচুড়ি। বৃষ্টির দিনে পরিবারের সবাইকে নিয়ে এই পদ জমিয়ে দিতে পারে দুপুর বা রাতের খাবারের আয়োজন।   আরটিভি/জেএমএ
বৃষ্টির দিনে জমবে গরম গরম ইলিশ খিচুড়ি, রইল সহজ রেসিপি 
আরও পড়ুন
হাম ছড়াতেই নিউইয়র্কে জরুরি অবস্থা ঘোষণা
নিউইয়র্কে প্রথমবারের মত তৈরি হচ্ছে ২৫ হাজার আসনের সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক সকার স্টেডিয়াম
নিউইয়র্ক পুলিশে ডেপুটি ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মোহাম্মদ ইসলাম
কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণকাণ্ডে তদন্ত নিয়ে ক্ষুব্ধ গভর্নর, ‘সত্যটা জানতে চাই’