ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

নারী-পুরুষের ফ্লার্টের ধরন নিয়ে গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম
প্রতীকী ছবি

ফ্লার্টের ধরন নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন হলেও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাদের পছন্দের বেশির ভাগ কৌশল একই— এমন তথ্য উঠে এসেছে কয়েকটি গবেষণায়।

২০১৫ সালে টি. জোয়েল ওয়েড ও জেনিফার স্লেম্প চারটি গবেষণায় নারী-পুরুষের ফ্লার্টের বিভিন্ন আচরণ বিশ্লেষণ করেন। এতে দেখা যায়, পুরুষদের কাছে নারীর শারীরিক ঘনিষ্ঠতা—যেমন কাছে এসে দাঁড়ানো, স্পর্শ করা বা বাহুতে হাত রাখা— আগ্রহ প্রকাশের কার্যকর সংকেত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

অন্যদিকে নারীরা শারীরিক ঘনিষ্ঠতার পাশাপাশি হাত ধরা, একসঙ্গে সময় কাটানোর আগ্রহ, বেড়াতে যাওয়ার প্রস্তাব, হাসানো, আগ্রহ প্রকাশ এবং একসঙ্গে রাতের খাবারে যাওয়ার মতো আচরণকেও কার্যকর ফ্লার্ট হিসেবে দেখেছেন।

২০২২ সালে নরওয়ে ও যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা ৯৯২ জন বিষমকামী মানুষের ওপর ৪০ ধরনের ফ্লার্টিং কৌশল নিয়ে আরেকটি গবেষণা করেন। এতে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে ফ্লার্টের কার্যকারিতায় পার্থক্য পাওয়া যায়।

স্বল্পমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে নারীদের শারীরিক আকর্ষণ ও যৌন আগ্রহের সংকেত তুলনামূলক বেশি কার্যকর বলে বিবেচিত হয়েছে। পুরুষদের ক্ষেত্রেও শারীরিক আকর্ষণ গুরুত্বপূর্ণ হলেও হাসি, কথাবার্তায় আগ্রহ, প্রশংসা ও হাসানোর মতো আচরণও কার্যকর বলে উঠে এসেছে।

দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে পুরুষদের জন্য উদারতা, প্রতিশ্রুতির ইঙ্গিত, যত্ন, রসবোধ ও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলাকে বেশি কার্যকর মনে করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের কার্যকর ফ্লার্টের শীর্ষ ১০টি কৌশলের মধ্যে নয়টিই ছিল অভিন্ন।

গবেষণায় বহির্মুখী স্বভাব, নিজের আকর্ষণীয়তা সম্পর্কে ধারণা বা ধর্মীয় বিশ্বাস ফ্লার্টের কার্যকারিতা শক্তভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণকারীরা শরীর প্রদর্শন, প্রথমে যোগাযোগ করা ও উদারতাকে কিছু ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর মনে করেছেন।

নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই কার্যকর একটি আচরণ হিসেবে উঠে এসেছে হাসি। গবেষকদের মতে, হাসি আগ্রহের সংকেত দিলেও এতে সরাসরি চাপ বা দাবি থাকে না।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মেয়েদের আসল সৌন্দর্য শাড়িতে
বাঙালি মানেই বারো মাসে তেরো পার্বণ, আর সেই উৎসব-আমেজে বাঙালির চিরন্তন ঐতিহ্য শাড়ি। হাজার বছর ধরে নারীর রূপের বহুমাত্রিক প্রকাশ ঘটাতে শাড়ির জুড়ি মেলা ভার। তবে যুগে যুগে ফ্যাশনের পালাবদলে নানা আধুনিক পোশাকের আগমন ঘটলেও একটি প্রশ্ন প্রায়ই ঘুরপাক খায় আর তা হলো মেয়েদের আসল সৌন্দর্য কি আসলেই শাড়িতে? ​ঐতিহ্যের সাথে আভিজাত্যের মেলবন্ধন​বাঙালি নারীর সাজপোশাকে শাড়ি কেবল একটি সাধারণ পরিধেয় বস্ত্র নয়, এটি এক জীবন্ত ঐতিহ্য। প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের সংস্কৃতির সাথে শাড়ি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। বলা হয়ে থাকে, শাড়ির মতো এমন মার্জিত পোশাক নারীর শরীরের গঠন ও ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলতে আর দ্বিতীয়টি নেই।  সুতি, তসর, ঢাকাই জামদানি, কাঁথাস্টিচ কিংবা বেনারসি প্রতিটি শাড়ির বুননে লুকিয়ে থাকে এক অদ্ভুত নান্দনিকতা। ​শাড়িতে নারীর আত্মবিশ্বাস ও রূপান্তর​শাড়ি পরার পর একজন নারীর চলন-বলন এবং শারীরিক ভাষায় যে আভিজাত্য প্রকাশ পায়, তা অন্য কোনো পোশাকে সহজে দেখা যায় না। এটি একাধারে যেমন শালীন, তেমনই অত্যন্ত আকর্ষণীয়। বিশেষ করে, শাড়ির কুঁচি এবং আঁচল সামলানোর ভঙিমায় নারীর যে লাবণ্য ও সাবলীলতা ফুটে ওঠে, তা যেকোনো বয়সের নারীকে অনন্য এক রূপ দেয়। বাঙালি নারীর ১২ হাত কাপড়ের এই পরিধান যেন তার অন্তরের শক্তি এবং বহুকালের সংস্কারেরই বহিঃপ্রকাশ। ​শাড়ি হলো এমন একটি ক্যানভাস, যেখানে নারীর নিজস্ব ব্যক্তিত্বের আলোয় রূপের পূর্ণতা পায়। ​আধুনিকতা বনাম চিরায়ত সৌন্দর্যআজকের দিনে তরুণ প্রজন্মের নারীরা কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনে ওয়েস্টার্ন বা সালোয়ার-কামিজের মতো আরামদায়ক পোশাক বেছে নিচ্ছেন যা সময়ের সাথে খুবই স্বাভাবিক।  কিন্তু পহেলা বৈশাখ, বিয়েবাড়ি, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কোনো সাংস্কৃতিক আয়োজনে যখন একজন তরুণী শাড়িতে সেজে ওঠেন, তখন চারপাশের রূপ যেন এক নিমিষে বদলে যায়। আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে শাড়ির ডিজাইনেও।  এখন ফিউশন ফ্যাশনে শাড়ি পরার ধরনেও এসেছে নতুনত্ব। তা সত্ত্বেও এর মূল আবেদন চিরন্তন ও অপরিবর্তিত রয়েছে। ​আসল সৌন্দর্য আসলে কোথায়?পোশাক তো কেবল বাহ্যিক আবরণ মাত্র। রূপ বিশেষজ্ঞরা বলেন, আসল সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকে মানুষের আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব ও হৃদয়ের স্বচ্ছতায়। শাড়ি সেই সৌন্দর্যকে কেবল হাজার গুণ বাড়িয়ে দেয় মাত্র। শাড়ি পরলে একজন নারীকে কেবল সুন্দর দেখায় না, বরং তিনি অনুভব করেন তার শেকড় ও সংস্কৃতির টান।  ​পরিশেষে বলা যায়, শাড়িতে নারীর রূপের যে পূর্ণতা প্রকাশ পায়, তা অন্য কোনো পোশাকে পাওয়া কঠিন। তাই যুগে যুগে কবি-সাহিত্যিকদের মন জয় করে শাড়ি আজও বাঙালি নারীর রূপের শ্রেষ্ঠ অলংকার হয়ে টিকে আছে যা গর্বে, আভিজাত্যে এবং শাশ্বত সৌন্দর্যে।  আরটিভি/এসকে
মেয়েদের আসল সৌন্দর্য শাড়িতে
সুরভির ছোঁয়া: ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসে মেয়েদের পারফিউম
সুগন্ধি বা পারফিউম কেবল শরীরকে সুবাসিত করার মাধ্যম নয়, বরং এটি ব্যক্তিত্বের একটি অদৃশ্য পরিধি বাড়ানো। একটি চমৎকার পারফিউম একজন নারীর উপস্থিতি যেমন জানান দেয়, তেমনি তার চলে যাওয়ার পরও বাতাসে রেখে যায় এক মায়াবী রেশ। মন ভালো করা থেকে শুরু করে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেওয়া পর্যন্ত নারীর প্রাত্যহিক জীবনে পারফিউমের ভূমিকা অনস্বীকার্য।  পারফিউম কেন ব্যবহার করবেন?​মুড বা মেজাজ ভালো রাখতে: সুগন্ধির সাথে আমাদের মস্তিষ্কের এক দারুণ সংযোগ রয়েছে। ল্যাভেন্ডার, সাইট্রাস বা ভ্যানিলার মতো সুবাস নিমেষেই ক্লান্তি দূর করে মন চাঙ্গা করে তুলতে পারে। ​আত্মবিশ্বাস বাড়াতে: সুন্দর পোশাকের সাথে মানানসই সুগন্ধি আপনার আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। যখন আপনি জানেন আপনার থেকে চমৎকার সুবাস আসছে, তখন যেকোনো জায়গায় আপনি নিজেকে আরও ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন। ​স্মৃতির ক্যানভাস: সুগন্ধি স্মৃতিকে জাগিয়ে তোলে। কোনো একটি নির্দিষ্ট পারফিউম আপনাকে বছরের পর বছর আগের কোনো প্রিয় মুহূর্ত বা প্রিয় মানুষের কথা মনে করিয়ে দিতে পারে। সঠিক পারফিউম বেছে নেওয়ার উপায় বাজারে হাজারো রকমের পারফিউমের মাঝে নিজের সিগনেচার সুবাসটি খুঁজে পাওয়া কিছুটা কঠিন হতে পারে। তবে নিচের উপায়গুলো খেয়াল রাখলে কাজটা অনেকক্ষেত্রে সহজ হবে: ক. সুগন্ধির ধরন ​পারফিউম কেনার আগে সুবাসের ধরন বোঝা জরুরি: ফ্লোরাল : গোলাপ, জুঁই বা রজনীগন্ধার মতো ফুলের সুবাস। এটি নারীদের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ক্লাসিক পছন্দ। সাইট্রাস: লেবু, কমলা বা বার্গামটের সতেজ সুবাস। গরমের দিনের জন্য এটি দারুণ। উডি বা মাস্কি: চন্দন কাঠ, অ্যাম্বার বা মাস্কের নোট। এটি সাধারণত একটু গম্ভীর, আভিজাত্যপূর্ণ এবং রাতের অনুষ্ঠানের জন্য পারফেক্ট। ওরিয়েন্টাল বা স্পাইসি: ভ্যানিলা, দারুচিনি বা এলাচের মতো একটু কড়া ও আকর্ষণীয় সুবাস। ​খ. আবহাওয়া ও সময় বিবেচনা​দিনের বেলা ও গরমে: হালকা, সতেজ এবং ফ্রুটি বা সাইট্রাস ঘরানার পারফিউম ব্যবহার করা ভালো। এতে গরমেও একটা ফ্রেশ অনুভূতি থাকে। ​রাতের বেলা ও শীতে: একটু কড়া, উডি, স্পাইসি বা মাস্কি পারফিউম বেছে নিন। শীতের বাতাসে এই সুবাসগুলো দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং ভালো ছড়ায়। পারফিউম দীর্ঘস্থায়ী করার কিছু দারুণ ট্রিকস অনেকেরই অভিযোগ থাকে দামি পারফিউম ব্যবহারের পরও সুবাস বেশিক্ষণ থাকে না। পারফিউম দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারেন: পালস পয়েন্টে স্প্রে করুন: কবজি, কনুইয়ের ভেতরের অংশ, ঘাড়ের দুপাশ, এবং কানের পেছনে পারফিউম স্প্রে করুন। এই স্থানগুলো শরীরের অন্যান্য অংশের চেয়ে উষ্ণ থাকে, যা সুবাস ছড়াতে সাহায্য করে। ঘষবেন না: কবজিতে পারফিউম দিয়ে অনেকেই হাত দুটো ঘষে নেন। এটি একদমই ভুল পদ্ধতি। ঘষার ফলে পারফিউমের মলিকিউল বা কণাগুলো ভেঙে যায়, ফলে সুবাস দ্রুত উবে যায়। ময়েশ্চারাইজড ত্বক: শুষ্ক ত্বকের চেয়ে ময়েশ্চারাইজড বা তৈলাক্ত ত্বকে সুগন্ধি বেশি সময় টিকে থাকে। পারফিউম ব্যবহারের আগে সামান্য পেট্রোলিয়াম জেলি বা গন্ধহীন লোশন লাগিয়ে নিতে পারেন গোসলের পর: গোসল শেষ করে শরীর হালকা মুছেই পারফিউম ব্যবহার করুন। তখন ত্বকের লোমকূপগুলো খোলা থাকে, ফলে সুবাস ত্বকে ভালোভাবে বসে যায়। পারফিউম হলো একজন নারীর অদৃশ্য অলঙ্কার। দামী বা সস্তা ব্র্যান্ডের চেয়ে বড় কথা হলো, যে সুবাসটি আপনার মনকে ভালো রাখে এবং আপনার ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে, সেটিই আপনার জন্য সেরা। তাই নিজের পছন্দকে প্রাধান্য দিন এবং প্রতিদিনের পথচলায় যোগ করুন সুরভির এক অনন্য ছোঁয়া। আরটিভি/এসকে
সুরভির ছোঁয়া: ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসে মেয়েদের পারফিউম
গরমে আরামদায়ক পোশাক বেছে নিন, মিলবে স্বস্তি
বাংলাদেশে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রার তীব্রতা। প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রা যেমন কঠিন হয়ে উঠছে, তেমনি বাড়ছে স্বস্তিদায়ক পোশাকের চাহিদাও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরমে আরাম পেতে পোশাক নির্বাচনে সচেতন হওয়া জরুরি। চলুন জেনে নেই গরমে কেমন পোশাক পরলে মিলবে স্বস্তি:  গরমের দিনে সুতি কাপড়ের পোশাক সবচেয়ে বেশি আরামদায়ক। কারণ সুতি কাপড় সহজেই ঘাম শোষণ করে এবং শরীরকে শীতল রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া লিনেন, কোটা, শিফন, অ্যান্ডি ও ধুপিয়ান কাপড়ের পোশাকও গরমে স্বস্তি দিতে পারে। শুধু কাপড় নয়, পোশাকের রংও গরম অনুভবের ওপর প্রভাব ফেলে। বিজ্ঞান অনুযায়ী, সাদা ও হালকা রঙের পোশাক সূর্যের তাপ কম শোষণ করে। অন্যদিকে কালো ও গাঢ় রঙের পোশাক বেশি তাপ শোষণ করায় শরীরে অস্বস্তি বাড়ায়। তাই গরমে সাদা, আকাশি, হালকা নীল, গোলাপি, হালকা হলুদ, বেগুনি ও ধূসর রঙের পোশাক বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। নারীদের জন্য সুতির কুর্তি, ফতুয়া, শাড়ি কিংবা লিনেনের পোশাক হতে পারে আদর্শ পছন্দ। ব্লকপ্রিন্ট, হালকা এমব্রয়ডারি বা স্ক্রিন প্রিন্টের কাজ পোশাকে বৈচিত্র্য আনলেও তা যেন ভারী না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অফিসগামী নারীরা সুতির ছাপা শাড়ি, টাঙ্গাইল শাড়ি বা ব্লক-বাটিকের শাড়ি ব্যবহার করতে পারেন। হালকা রঙের ব্লাউজ ও আরামদায়ক কাটও গরমে স্বস্তি এনে দেয়। গরমে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও আরামদায়ক পোশাক হিসেবে টি-শার্টের বিকল্প নেই। নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য হালকা রঙের সুতি টি-শার্ট স্বস্তিদায়ক। এছাড়া জাম্পস্যুট, লম্বা শার্টধর্মী পোশাক, পালাজো কিংবা স্কার্টও গরমের দিনে আরাম দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমের সঙ্গে লড়াইয়ে পোশাক নির্বাচনে কিছু কৌশল অনুসরণ করলেই অনেকটা স্বস্তি পাওয়া সম্ভব। তাই তীব্র গরমে সাদা বা হালকা রঙের সুতি ও লিনেন কাপড়ের ঢিলেঢালা পোশাক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এতে শরীর যেমন ঠান্ডা থাকবে, তেমনি বজায় থাকবে ফ্যাশন ও স্বাচ্ছন্দ্য। আরটিভি/এসকে
গরমে আরামদায়ক পোশাক বেছে নিন, মিলবে স্বস্তি
আরও পড়ুন
চট্টগ্রামে বিসিএসআইআর গবেষণা কেন্দ্রে হঠাৎ এসি বিস্ফোরণ
জন্মের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ছেলে-মেয়ের আচরণে পার্থক্য, নতুন গবেষণায় চমক
সবজিতে ব্যবহার হচ্ছে মাত্রার চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি কীটনাশক
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা