
ব্রিটেনে সাবেক স্ত্রীকে মাদক প্রয়োগ করে ধর্ষণ এবং তার অন্তরঙ্গ ছবি-ভিডিও বিনা অনুমতিতে ধারণ ও প্রকাশের ৪৮টি অভিযোগ স্বীকার করেছেন সাবেক কনজারভেটিভ কাউন্সিলর ফিলিপ ইয়ং। এ ঘটনায় তার সঙ্গে আরও চার পুরুষের বিচার চলছে।
আদালতে উপস্থাপিত পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের রেকর্ড অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে থেকে ফেরার পর ঘটনাটি ঘটে। জোয়ান জানান, তিনি বিছানায় যাওয়ার পর তাঁর স্বামী ওপরে আসেন। একপর্যায়ে তার ঘুম ভাঙলে নিজেকে চোখ বাঁধা ও হাত বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান। বাঁধন কিছুটা আলগা করার পর কবজিতে অপরিচিত এক ব্যক্তির হাতের স্পর্শ অনুভব করেন। তখন তাঁর স্বামীকে বিছানার অন্য প্রান্তে কাউকে নিচু হতে বলতে শোনেন। চোখের বাঁধন সরিয়ে বিছানার পায়ের দিকে একজনকে দেখতে পেয়ে তিনি বাথরুমে পালিয়ে যান।
জোয়ান পুলিশকে জানান, পরে তার স্বামী ক্ষমা চান এবং অনলাইন ফোরামে ঘাঁটাঘাঁটি করে তাদের যৌনমিলন দেখার জন্য একজনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বলে জানান। জোয়ানের সম্মতি ছাড়া এমন ঘটনা ঘটানোয় তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। স্বামী তাঁকে এ বিষয়ে কখনো জিজ্ঞাসা করেননি বলেও জানান তিনি।
আদালতে আরও জানানো হয়, গ্রেপ্তারের দিন ফিলিপ ইয়ং তার সাবেক স্ত্রীর অন্তরঙ্গ ছবি অনুমতি ছাড়াই অনলাইনে প্রকাশ করার কথা স্বীকার করেন। ২০১০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং প্রকাশ করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাবেক কনজারভেটিভ কাউন্সিলর ফিলিপ ইয়ং স্ত্রীকে ধর্ষণ, মাদক প্রয়োগ, যৌন নিপীড়নসহ একাধিক অপরাধের ৪৮টি অভিযোগ স্বীকার করেছেন। এর মধ্যে ১১টি ধর্ষণ, ১১টি মাদক প্রয়োগ এবং ১৪টি গোপনে নজরদারির অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, জোয়ানকে যৌন নিপীড়নে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও চার পুরুষের বিচার চলছে। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন ও অনুপ্রবেশমূলক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আদালতে জানানো হয়েছে, বিচার শেষে ফিলিপ ইয়ং ও ডিন হ্যামিল্টনের সাজা ঘোষণা করা হবে। বিচারপ্রক্রিয়া চার সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে। সূত্র: ইয়াহু
আরটিভি/এমএইচজে


