ঢাকা
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
সর্বশেষ
●
LIVE
English
জাতীয়
রাজনীতি
রাজধানী
দেশজুড়ে
অর্থনীতি
আন্তর্জাতিক
বিনোদন
খেলা
লাইফস্টাইল
আইন-বিচার
চাকরি
বিজ্ঞান
সোশ্যাল মিডিয়া
ধর্ম
আবহাওয়া
তথ্যপ্রযুক্তি
শিক্ষা
স্বাস্থ্য
মুক্তমত
প্রবাস
মিডিয়া
শিল্প-সাহিত্য
YouTube
শেয়ারবাজার
ফিচার
বাংলা কনভার্টার
লাইভ টিভি
ভিডিও
ছবি
অ্যান্ড্রয়েড
আইফোন
আর্কাইভ
আরটিভি প্লাস
আমাদের সঙ্গেই থাকুন
দেশজুড়ে
বরিশাল
পিরোজপুর
মঠবাড়িয়া
মঠবাড়িয়া
জিয়ানগর
মঠবাড়িয়া
ভাণ্ডারিয়া
পিরোজপুর সদর
নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি)
নাজিরপুর
কাউখালী
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ফের দুর্ঘটনা, সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে ইজিবাইকের সংঘর্ষে বিথী (২৫) নামে এক তরুণী আহত হয়েছেন।
দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তা
মঠবাড়িয়ায় ডাকাত সর্দার ইয়াসিন গ্রেপ্তার
নামে ডিজিটাল হলেও বাস্তবে ময়লার ভাগাড় মঠবাড়িয়া টিএন্ডটি কার্যালয়
মঠবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিসে নেই ডুবুরি দল-স্পিডবোট, অ্যাম্বুলেন্সও নেই
নিরাপদ মাতৃত্বের জন্য কেন্দ্র, অথচ চিকিৎসকই নেই
সাপে কাটা কৃষককে ওঝার বাড়িতে নিয়ে ঝাড়ফুঁক, অতঃপর...
হিমাগারের অভাবে শত বছরের কান্না থামছে না মঠবাড়িয়ার কৃষকদের
উর্বর মাটি ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় বছরজুড়ে উৎপাদিত হয় নানা ধরনের কৃষিপণ্য। আলু, টমেটো, করলা, ভুট্টা, শিম ও বেগুনসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন উপজেলার অনেক কৃষক। কিন্তু উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় মৌসুমে ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না তারা। বাজারে একসঙ্গে বেশি ফসল উঠলে দাম কমে যায়। তখন পচে যাওয়ার আশঙ্কায় উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হন কৃষকেরা। উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে কৃষিকাজ হলেও এখানে এখনো গড়ে ওঠেনি কোনো হিমাগার। কৃষকদের দীর্ঘদিনের দাবি, একটি হিমাগার স্থাপন করা হলে ফসল সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করা যেত। এতে একদিকে কৃষিপণ্যের অপচয় কমত, অন্যদিকে ন্যায্য দাম পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতো। উপজেলার কৃষক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, মৌসুমে একসঙ্গে অনেক টমেটো বাজারে আসে। তখন প্রতি কেজি টমেটোর দাম পাঁচ টাকাও পাওয়া যায় না। অথচ ফসল উৎপাদনে খরচ হয় অনেক বেশি। হিমাগার থাকলে টমেটো সংরক্ষণ করে ১৫ থেকে ২০ দিন পর ভালো দামে বিক্রি করা যেত। এতে লোকসান এড়ানো সম্ভব হতো। হিমাগার না থাকায় আলুচাষিদেরও নানা সমস্যায় পড়তে হয়। স্থানীয়ভাবে বীজ আলু সংরক্ষণের সুযোগ না থাকায় প্রতিবছর অন্য জেলা থেকে চড়া দামে বীজ কিনতে হয় তাদের। এতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। পাশাপাশি বীজের জন্য বাইরের বাজারের ওপর নির্ভর করতে হয়। উপজেলার কৃষকেরা বলছেন, স্থানীয়ভাবে হিমাগার স্থাপন করা হলে নিজেদের উৎপাদিত আলুর একটি অংশ বীজ হিসেবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হতো। আবার বাজারে দাম কম থাকলে আলু সংরক্ষণ করে পরবর্তী সময়ে বিক্রি করা যেত। এতে উৎপাদন খরচ সামাল দেওয়া এবং লোকসানের ঝুঁকি কমানোর সুযোগ তৈরি হতো। শুধু আলু নয়, টমেটোসহ বিভিন্ন সবজির ক্ষেত্রেও সংরক্ষণের অভাব বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব পণ্য দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করা যায় না। ফলে মৌসুমে সরবরাহ বেড়ে গেলে দাম কমে যায়। পণ্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় কৃষকেরা তখন কম দামেই পাইকারদের কাছে ফসল বিক্রি করেন। এতে উৎপাদনের পুরো খরচ তুলে আনাও অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। কৃষকেরা মনে করেন, হিমাগার থাকলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ ও দাম বিবেচনা করে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া যেত। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরশীলতা কমার পাশাপাশি কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম পাওয়ার সুযোগ পেতেন। একই সঙ্গে কৃষিপণ্যের অপচয় কমত এবং স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিও আরও গতিশীল হতো। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, মঠবাড়িয়ায় কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দ্রুত হিমাগার স্থাপনের উদ্যোগ নিতে হবে। তাদের মতে, সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে মৌসুমে কম দামে ফসল বিক্রির চাপ কমবে। কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পাওয়ার সুযোগও পাবেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কামরুন নেছা সুমি বলেন, মঠবাড়িয়া উপজেলায় সরকারিভাবে কোনো হিমাগার নেই। অথচ এ অঞ্চলে কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য একটি হিমাগার অত্যন্ত জরুরি। উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে রবিশস্যসহ বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়। কিন্তু সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকেরা অনেক সময় তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন। শুধু উপজেলা পর্যায়ে নয়, প্রতিটি ইউনিয়নে ছোট আকারের মিনি হিমাগার স্থাপন করা হলেও তা কৃষকদের জন্য উপকারী হবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। আরটিভি/টিআর
দেশ ছেড়ে কেন প্রতিবেশী দেশে যাবেন, এ মাটিই আপনাদের: বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ বলেছেন, আপনারা কেন এই দেশ ছেড়ে প্রতিবেশী দেশে যাবেন? এখানে ভালো থাকবেন। আপনাদের পূর্বপুরুষেরা এই মাটিতে ছিলেন, আপনারাও আছেন, পরবর্তী প্রজন্মও থাকবে।
কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ড: নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকাকে খুঁজছেন স্বজনরা
কক্সবাজারের ইনানী মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন ‘টুপটুপ রিসোর্ট’-এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার নাসরিন জাহান মুক্তা (২৯) নামের এক স্কুলশিক্ষিকা। ১৩ ঘণ্টা পার হলেও এখনও পরিবারের পক্ষ থেকে শনাক্ত করতে পারেনি।
লালশাড়িতেই হারিয়ে যাচ্ছে ‘দৌড়ে বেড়ানো’ শৈশব!
পিরোজপুর জেলা সদর থেকে মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বলেশ্বর নদের কোলঘেঁষা এ উপজেলায় প্রবাসী পরিবারের সংখ্যা বেশি।
দুর্যোগের ক্ষতি কমাতে প্রস্তুতির বার্তা মঠবাড়িয়ায়
‘ঘর থেকে শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস–২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়ার আয়োজন করা হয়।
ট্রলি ব্যাগে তল্লাশি চালাতেই সামনে এলো ‘চরম সত্য’
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে একটি ট্রলি ব্যাগ থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সুভ সাচকী (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া অলিউর রহমান (৪৯) নামে আরেক ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) মঠবাড়িয়া থানা-পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) পার্থ চক্রবর্তীর তত্ত্বাবধানে মঠবাড়িয়া থানা-পুলিশের একটি দল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চালিতাবুনিয়া গ্রামের একটি বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ঘরের একটি ট্রলি ব্যাগের ভেতর থেকে তিনটি প্যাকেটে রাখা ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় সুভ সাচকীকে গ্রেপ্তার করা হলেও অলিউর রহমান পালিয়ে যান। এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ চক্রবর্তী আরটিভিকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সুভ সাচকী নামে এক যুবককে চার কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করা হবে। আরটিভি/আইএম
পিরোজপুরে প্রবাসীর কেনা জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর কেনা জমি দখলের চেষ্টা, ঘরের বেড়া ভেঙে মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানসহ দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জমির মালিকানা দাবি করেছেন অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান। এদিকে, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়েছে পুলিশ। মামলার বাদী মো. মানিক মিয়া (৬৫) মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। মামলার আসামিরা হলেন ওই ইউনিয়নের আন্ধারমানিক এলাকার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. জালাল মিয়া (৬০) ও পৌরসভার বহেরাতলা এলাকার মো. রতন মিয়া (৫৫)। এ ছাড়া ২০ থেকে ৩০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি মঠবাড়িয়া এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এমপি মামলা নম্বর ১৮৮/২০২৬ (মঠবাড়িয়া) হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছে। আদালতে দাখিল করা অভিযোগ অনুযায়ী, মঠবাড়িয়া মৌজার ২১ নম্বর জে.এল.-ভুক্ত সাবেক ১৫৬ নম্বর খতিয়ানের ১১৫৬ নম্বর দাগের জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। বাদীর দাবি, জমিটি তার ভোগদখলে ছিল। পরে তিনি জমিটি প্রবাসী জাহিদুল ইসলামের কাছে বিক্রি করেন। অভিযোগে বলা হয়, গত ১৯ আগস্ট রাত ৮টা থেকে পরদিন রাত ২টার মধ্যে আসামিরা লোকজন নিয়ে ওই জমিতে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা টিনের বেড়া ভেঙে ঘরে ঢুকে আসবাবপত্রসহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে যান। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাদী। এ সময় বাধা দিলে প্রবাসী জাহিদুলের পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো ও হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। মানিক মিয়া বলেন, নগদ অর্থের প্রয়োজনে তিনি জমিটি জাহিদুল ইসলামের কাছে বিক্রি করে বুঝিয়ে দিয়েছেন। জাহিদুল প্রবাসে থাকায় তার পক্ষে মামলা করেছেন বলে জানান তিনি। মুঠোফোনে জাহিদুল ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালে ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ জমি মানিক মিয়ার কাছ থেকে কিনেছেন তিনি। জমি কেনার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ভিত্তিতে নিয়ম অনুযায়ী নামজারি সম্পন্ন করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। জাহিদুলের অভিযোগ, ১৪৪ ধারার আদেশ বহাল থাকা সত্ত্বেও জমিতে থাকা দুটি ঘর ভেঙে মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জমি কেনার পর থেকে তারা চাপ, হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জালাল মিয়া। তার দাবি, জমিটি তার নিজের। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ হয়েছে এবং সালিশের রোয়েদাদে মানিক মিয়ার জমিটিতে কোনো স্বত্ব নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মানিক মিয়া নিজের প্রাপ্যের চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। জালাল মিয়া বলেন, মামলা হয়েছে। আদালতে দুই পক্ষই নিজেদের কাগজপত্র জমা দেবে। মামলার রায়ে যা নির্ধারিত হবে, তা তিনি মেনে নেবেন। মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, জমিটি নিয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ রয়েছে। এ আদেশের বিরুদ্ধে জালাল উদ্দীন মামলা করেছিলেন। তবে উচ্চ আদালত মামলাটি খারিজ করে দিয়ে স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছেন বলে জানান তিনি। জমি নিয়ে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়েছে। আরটিভি/টিআর
আরও